কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা জমির নাম জারীর জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা ও দালালের হাতে নির্যাতিত হওয়ার পর, এক নাগরিকের অভিজ্ঞতা ও তার সংগ্রামের গল্প এখানে তুলে ধরা হলো। একজন দালালের কাছে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিয়ে তিন মাস পর জানতে চাইলে, দালাল বিরক্তিকর ভাবে জানান, এসি ল্যান্ড খারাপ মানুষ এবং তার কাছে যাওয়া ছাড়া খারিজ হবে না। তার ট্রান্সফার প্রক্রিয়া চলমান বলে জানানো হয়।
এই নাগরিক নিজেই আতংকে ভয়ে সদর দক্ষিণ ভূমি অফিসে পৌঁছান। অফিসের একজনের সহযোগিতা চাইলে তিনি অসহযোগিতা দেখান। এমন সময়, আরিফ জনি নামের একজন কর্মকর্তা বেরিয়ে এসে সহযোগিতা করেন। তিনি একটি কম্পিউটার দোকানের ঠিকানা দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে চলে যেতে বলেন এবং ম্যাসেজ পাওয়ার পর উল্লেখিত দিনে উপস্থিত থাকার জন্য বলেন।
পরে মোবাইলে ম্যাসেজ পেয়ে তিনি সদর দক্ষিণ উপজেলার এসি ল্যান্ড সাহেবের অফিসে উপস্থিত হন এই নাগরিক। এসি ল্যান্ড সাহেব আব্দুর রহমানের সাথে আমার সাক্ষাৎ ছিল আরও অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি দালাল মুক্ত ও অবৈধ খারিজের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। তার স্পষ্ট কথা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত আমার জমির নাম জারীর কাজ মাত্র এক মিনিটে সম্পন্ন করে দিল।
এই ঘটনা আমাকে শিখিয়েছে যে, একজন সৎ ও মানবিক কর্মকর্তা কেবল একজন ব্যক্তির জীবনেই নয়, পুরো সমাজের জন্যও পরিবর্তন আনতে পারেন। আমি আশা করি, এই ধরনের কর্মকর্তারা আমাদের দেশকে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবেন। আল্লাহ তাদের হেফাজত করুন এবং তাদের মাধ্যমে আমাদের দেশ আরও সুন্দর ও সৎ হোক।
একজন ভুক্তভোগীর ফেসবুক টাইমলাইন থেকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :