সামাজিক মাধ্যম আজ আমাদের জীবনের অংশ। এটি আমাদের কথা বলার, শোনার, দেখার এবং অনুভব করার মাধ্যম। কিন্তু যখন এই মাধ্যম হয়ে ওঠে সহিংসতার প্রদর্শনী, তখন তা আমাদের সমাজের জন্য এক বিষাদগ্রস্ত চিত্র। দাউদকান্দির ঘটনা আমাদের সামনে এনেছে এমনই এক করুণ দৃশ্য, যেখানে এক তরুণকে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়েছে এবং তা ভিডিও করে ফেইসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনা আমাদের সামাজিক দায়িত্বের প্রশ্ন তোলে। আমরা কি শুধু দর্শক হয়ে থাকব, নাকি অপরাধের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলব? আমাদের উচিত সহিংসতা দেখেও চুপ না থাকা, বরং তা প্রতিহত করা। আমাদের উচিত সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতন হওয়া এবং সেই সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।
আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা উচিত। কেউ আইন হাতে নিতে পারে না। আইনের হাতে বিচারের জন্য আমাদের আইনজীবী, পুলিশ এবং বিচার বিভাগ রয়েছে। আমাদের উচিত তাদের উপর আস্থা রাখা এবং সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা।
আমাদের উচিত সামাজিক মাধ্যমকে সহিংসতা ছড়ানোর মাধ্যম না বানিয়ে শিক্ষা ও সচেতনতার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা। আমাদের উচিত সহিংসতার বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলে একটি শান্তিপূর্ণ এবং সহনশীল সমাজ গড়ে তোলা। দাউদকান্দির ঘটনা আমাদের জন্য একটি শিক্ষা, যেখানে আমরা শিখতে পারি কিভাবে আমাদের সমাজকে আরও ভালো করে তুলতে হয়।

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী :