থাইল্যান্ডে আসন্ন বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি নিশ্চিত হলেও তাদের মধ্যে কোনো বৈঠক বা আলোচনা হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
বিমসটেকের (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের) শীর্ষ সম্মেলন আগামী ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে। এর আগের দিন এই সংস্থাটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হবে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে ইউনূস-মোদি বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশের পটপরিবর্তনের পর থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েন বেড়েই চলছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে উদগ্রীব হলেও, ভারত থেকে এখনো কোনো জোরালো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইড লাইনে ইউনূস-মোদি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ভারতের অনাগ্রহের কারণে তা হয়নি।
### বাংলাদেশ বিমসটেকের চেয়ারম্যানশিপ
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ এ সংস্থার চেয়ারম্যানশিপের দায়িত্ব গ্রহণ করবে। ঢাকার কূটনীতিকরা এই শীর্ষ সম্মেলনের সাইড লাইনে ইউনূস-মোদি বৈঠক করানোর জন্য কাজ করছেন।
বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মণি পান্ডে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, সার্ক ও বিমসটেক এ অঞ্চলের আঞ্চলিক সংস্থা এবং এদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। সদস্য দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা সম্মেলনে অংশগ্রহণে সম্মত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম বলেন, ভারতের কৌশলগত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন না হলে উভয় দেশের ক্ষতি হবে। সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. শহীদুল হক বলেন, বিমসটেক এখনও তেমন কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি এবং ভবিষ্যতেও এর কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক :