বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্নার আগমন উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮:০০ ঘটিকায় কোটবাড়ি বিশ্বরোড রাস্তায় সকলকে যার যার ইউনিট নিয়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো। যথাসময়ে উপস্থিত থাকবেন।
অভিযোগ রয়েছে যে পুলিশের প্রভাবশালী কর্মকর্তা মো: ফারুক হোসেন (বিপি: ৭৮০৮১২১৫৬৯) ছাত্র-জনতার হত্যার ঘটনায় জড়িত। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিকেশন্স)র দায়িত্ব পালন করছিলেন।
**ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ:**
ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ খোর, দুর্নীতিবাজ ও বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক)র একাধিক মামলার প্রস্তাব থাকলেও এখনও পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
**বেপরোয়া আচরণ:**
ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি ছাত্র-জনতা হত্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে তার হাতে রক্তের দাগ লেগেছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
**উচ্চ পদস্থ জায়গায় পোস্টিং:**
হাসিনা উৎখাত হওয়ার পরও ফারুক হোসেন কুমিল্লার পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার-পিটিসি তে পোস্টিং নিয়ে দিব্যি চাকরি করছেন। তার কেশাগ্রও স্পর্শ করেনি কেউ। বরং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং নিয়ে প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করছেন তিনি।
**রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা:**
ফারুক হোসেনের ‘ওস্তাদ’ স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)র সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামকে পলাতক ঘোষণা করা হয়েছে। মনিরুলের বিরুদ্ধে ৩টি হত্যাসহ বেশ কিছু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে এবং দুদকের একটি টিম অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
**অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচার:**
মনিরুলের অনুসন্ধানে জানা যায়, ফারুক হোসেন মনিরুলের বিশ্বস্ত ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তিনি দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। কুষ্টিয়ার কুমারখালি এবং কুলশীবাসায় ৬০ বিঘা জমি কিনেছেন এবং ঢাকায় ২ হাজার স্কয়ার ফিটের বিশাল ফ্ল্যাট রয়েছে।
**সাম্প্রতিক পরিস্থিতি:**
প্রকাশ্যে হাসিনাকে গালাগাল দিলেও বিভিন্নভাবে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ নেতা এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ রাখছেন ফারুক হোসেন। তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক মাধ্যমে গোপন তথ্য সরবরাহ করছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :