নাটোরে প্রতিবেশী নাতি বউকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইসমাইল হোসেনের (৫৫) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। শনিবার (১৫ নভেম্বর) আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে আটটার দিকে নিজের স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে প্রতিবেশী নাতি বউকে তার স্বামীর মাধ্যমে বাড়িতে আনেন। বাড়িতে পৌঁছানোর পর গৃহবধূ বুঝতে পারেন, তার দাদী শাশুড়ি সেখানে নেই। এরপর ইসমাইল মুখ বেঁধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং ইসমাইলকে ঘটনাস্থলেই গণপিটুনি দিয়ে হাসপাতালে পাঠান। তবে মামলা দায়েরের খবর পেয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান।
শনিবার ভোরে গ্রামের একটি বাড়িতে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় বাইরে বের হলে আবারও এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন ইসমাইল। এরপর তাকে জুতার মালা পরিয়ে গ্রামজুড়ে ঘোরানো হয় এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরে পুলিশে খবর দিলে নাটোর থানা পুলিশ এসে তাকে আটক করে।
ভুক্তভোগীর স্বামী কাওসার মজুমদার নাটোর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অনলাইন ডেস্ক :