কুমিল্লায় র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক পৃথক অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও কোতয়ালী মডেল থানার গাজীপুর এলাকায় পৃথক আরেকটি অভিযানে ১৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ আঃ কাদের তপু (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। গ্রেফতারকৃত আঃ কাদের তপু গাজীপুর এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে।
অপরদিকে, কোতয়ালী মডেল থানার রাজমঙ্গলপুর এলাকায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে পলাতক আসামী জসিম খন্দকার (৪৫)-এর বাড়ির পানির ট্যাংকিতে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। জসিম খন্দকার রাজমঙ্গলপুর গ্রামের মৃত হিরু মিয়ার ছেলে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, উদ্ধারকৃত বিদেশি পিস্তলটি ব্যবহার করে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন সন্ত্রাসী ধর্মপুরসহ আশপাশের এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ সংঘটন করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত আঃ কাদের তপু প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি ও খুচরা দামে বিক্রি করে আসছিল।
অপর অভিযানে জব্দকৃত গাঁজার মালিক পলাতক আসামী জসিম খন্দকারের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল বলে জানা গেছে।
র্যাব-১১ এর অস্ত্র, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। অস্ত্র, সন্ত্রাস ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক