ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম নবী, যিনি স্থানীয়ভাবে “গাছ নজরুল” নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু ব্যারিস্টার কাউন্সিলের সভাপতি এই আইনজীবী এবার গণফ্রন্টের ব্যানারে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন।
সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও জমা দেন তিনি। যাচাই-বাছাই শেষে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বৈধ ১০ প্রার্থীর মধ্যে তিনি একজন।
তবে প্রার্থীতার বৈধতা ঘোষণার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। নিজের ফেসবুক আইডিতে ব্যারিস্টার নজরুল লেখেন—
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আমার নমিনেশনখানি যাচাই-বাছাইয়ে আল্লাহ তাআলার রহমতে বৈধ বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে। সবাই আমার জন্য দোয়া করিবেন যেন নির্বাচিত হয়ে আপনাদের সেবা করিতে পারি।”
এই পোস্টের পরই তার পরিচয় নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়। জানা যায়, তিনি নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের গুড়িগ্রামের বাসিন্দা। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন স্থানে ফেস্টুন-ব্যানার টানিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। তখন থেকেই স্থানীয়রা তাকে “গাছ নজরুল” নামে ডাকেন।
তার ফেসবুক পোস্টে এখন চলছে নানা মন্তব্যের ঝড়। কেউ বলছেন, “আওয়ামী লীগের লোক হয়ে গণফ্রন্টে কেন?”—আবার কেউ বলছেন, “নজরুল ভাই তো সবসময় আলোচনায় থাকেন।” তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তার প্রার্থিতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ একে কৌশল বলছেন, কেউবা বিভ্রান্তি।

সঞ্জয় শীল :