ঢাকার রায়েরবাজারে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা ১১৪ জনের মরদেহ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন বিভাগ (সিআইডি)। ৭ জানুয়ারি বুধবার, এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নিজ দেশের নাগরিকদের হত্যা করে গণকবর দেওয়ার মতো ঘটনা কোনো সভ্য রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না। আওয়ামী লীগ সরকার যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে, তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।”
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই পরিচয় শনাক্ত কার্যক্রমে স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করেছে। গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজ চলে। এ সময় ৯টি পরিবার তাদের নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে ডিএনএ নমুনা প্রদান করে। পরীক্ষার মাধ্যমে আটজন শহীদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সিআইডি নিশ্চিত করেছে, প্রত্যেকেই বুলেটবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
শনাক্ত হওয়া শহীদরা হলেন সোহেল রানা, রফিকুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ, মাহিন মিয়া, ফয়সাল সরকার, পারভেজ বেপারী, কাবিল হোসেন এবং রফিকুল ইসলাম।
সিআইডি জানিয়েছে, কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে ফরেনসিক বিজ্ঞানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ড. মরিস টিডবাল বিনজ সহায়তা করেছেন। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সিআইডির হটলাইন ০১৩২০০১৯৯৯৯-এ যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক :