কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় পুলিশের চরম ব্যর্থতা ও রহস্যজনক নীরবতা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে আব্দুল মালেক ও তার দুই ছেলে ইয়ামিন ও ইয়াছিন রিমা ও তার শিশু প্রিয়ার উপর নির্মম হামলা চালায়। রিমার পিঠে গভীর আঘাত, শিশুর চোখে অশ্রু, আর ঘরের ভেতর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভাঙা আসবাব—সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ দৃশ্য।
এই ঘটনার আগে গত সপ্তাহেও প্রতিবন্ধী আমির ইসলামের বসতঘরে ভাঙচুর চালায় একই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। সেই ঘটনার ভিডিওসহ থানায় অভিযোগ করা হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
আহত রিমার স্বামী আমির ইসলাম বলেন, “একটা প্রতিবন্ধী পরিবারকে টার্গেট করে বারবার হামলা হচ্ছে, অথচ পুলিশ শুধু বলে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে। অভিযোগ তো আগেই দেওয়া হয়েছে, তাহলে ব্যবস্থা কোথায়?”
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, “পূর্বের অভিযোগ তদন্তাধীন, নতুন অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলছে“পুলিশ কি খাম চায়, না-কি সুবিধা নিয়ে নীরব থাকে?” সন্ত্রাসীরা দিনের আলোয় হামলা চালায়, নারী-শিশুকে রক্তাক্ত করে, ঘরবাড়ি ভাঙে তবু পুলিশের কোনো তৎপরতা নেই।
মনোহরপুরের মানুষ এখন প্রশ্ন করছে, পুলিশের নীরবতা কি ব্যর্থতা, নাকি সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোপন আঁতাত?।

নিজস্ব প্রতিবেদক :