প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

কুমিল্লায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবককে কু’পি’য়ে জ’খ’ম

বাক্বী অনিক

কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ধর্মপুর রেলগেট এলাকায় এই রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটে। আহত যুবকের নাম জামশেদ আলম। তিনি খোরশেদ আলম ও ফরিদা বেগমের ছেলে এবং ধর্মপুর রেলগেট এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল জামশেদ আলমের ভাগ্নে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এ সময় ঝগড়া মীমাংসার জন্য জামশেদের চাচাতো ভাই আব্দুর রহিম এগিয়ে গিয়ে কয়েকটি থাপ্পড় দেন এবং পরদিন বিচার করে বিষয়টি মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে অপরপক্ষ এতে রাজি না হয়ে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এলাকায় কয়েক দফা মহড়া দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জামশেদ আলম, আব্দুর রহিম, পারভেজ, বাবু ও হৃদয় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকাকালে কয়েকজন দুর্বৃত্ত আব্দুর রহিমকে আক্রমণ করতে এগিয়ে আসে। এ সময় তাকে বাঁচাতে গেলে জামশেদ আলমের ওপর হামলা চালানো হয়। দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
আহত জামশেদ আলম জানান, তিনি হামলাকারীদের চিনতে পেরেছেন। অভিযুক্তরা হলেন আলিফ, সামির, মাহিন আব্দুস সালাম, মানিক রায়হান, কাওসারসহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। তার ভাষ্যমতে, আলিফ তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন এবং আলিফের পিতা মানিক হত্যার উদ্দেশ্যে কুড়াল দিয়ে মাথায় কোপ দেন ও গলা চেপে ধরেন। অন্যরাও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। স্থানীয় লোকজন জড়ো হলে হত্যার হুমকি দিয়ে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরে স্থানীয়রা জামশেদ আলমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল-এ নিয়ে যান, সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় জামশেদ আলম বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

প্রিন্ট করুন