কুমিল্লা কোতয়ালি থানায় কর্মরত এএসআই মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছেন। ভাইরাল হওয়া অডিও প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।
এএসআই মঞ্জুরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি সততা ও ন্যায়নীতির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সাইফুল ইসলামের মোবাইল হারানোর জিডি তার নামে হাওলা হলে তিনি আইএমইআই নম্বরের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে জানা যায়, নগরীর শুভপুর এলাকার সঞ্জয় নামের এক ব্যক্তি মোবাইলটি ব্যবহার করছেন।
তিনি সঞ্জয়কে মোবাইল জমা দিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু সঞ্জয় কালক্ষেপণ করলে কয়েকদিন ধরে এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেন। এ সময় জানতে পারেন, সঞ্জয় প্রতিবন্ধীতাকে পুঁজি করে প্রতারণা ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। থানায় ফিরে এসে তার পূর্ব অপরাধের রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখেন, মাদক ও মারামারিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, মোবাইল ফেরত দেওয়ার জন্য সঞ্জয়কে ফোন করলে তিনি বাজে ব্যবহার করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি গালি দেন। তার অভিযোগ, অডিওর খণ্ডিত অংশ সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সাংবাদিকদের ফোনের প্রেক্ষিতে এসপি তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন “অপরাধী ধরতে গিয়ে আজ আমি নিজেই অপরাধী হয়ে গেলাম।” বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে তার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :