শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহসানুল হক মিলনের নাম ব্যবহার করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সিন্ডিকেট সভা আয়োজনে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ’র বিরুদ্ধে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং প্রক্টরকে স্ব স্ব দপ্তরে গিয়ে বাধা দেয় এই নেতা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসের ৭ তারিখে ১০৯তম সিন্ডিকেট সভা হওয়ার কথা ছিল। ছাত্রদলের বাধার কারণে তা পিছিয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারিতে নেয়া হয়। তখনও বাধা দেওয়ায় তা পুনরায় পিছিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারিতে নেয়া হয়। সেখানে আবারও বাধা দিলে তৃতীয় দফায় সভা পিছিয়ে এপ্রিলের ১৫ তারিখে নেয়া হয়।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন, “ছাত্রদলের শুভসহ আরও কয়েকজন এসে বলেছে শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় বলেছেন সবকিছু বন্ধ রাখতে। আমরা কোন প্রকার সিন্ডিকেট সভা করতে পারবো না।” তবে তিনি জানান, এ বিষয়ে কোনো সরকারি চিঠি বা প্রজ্ঞাপন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেনি।
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, “তিনবার সিন্ডিকেট সভার তারিখ দিয়েও তাদের বাধার কারণে করতে পারিনি। এখন ১৫ এপ্রিলের তারিখও বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, “তারা বলেছে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট সভা এবং পদোন্নতি বোর্ড করা যাবে না। এতে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে যাবে বললেও তারা বলেছে সমস্যা নেই।”
অন্যদিকে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা সিন্ডিকেট সভা বন্ধ করার জন্য বলিনি। শহরে আমাদের ছোট ভাইদের ওপর হামলার বিষয়ে আপডেট জানতে গিয়েছিলাম।”

নিজস্ব প্রতিবেদক :