ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সরকারি কলেজের এইচএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের টেস্ট (নির্বাচনী) পরীক্ষায় ফেল করলেও পাস করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কলেজের অফিস সহায়ক রাজীব আহামেদ ও নৈশ প্রহরী শামিম মিয়ার বিরুদ্ধে।ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করার ভয় দেখিয়ে নৈশ প্রহরী শামিম মিয়ার খপ্পরে পড়ে তারা টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
অভিযুক্ত অফিস সহায়ক রাজীব আহামেদ ঘটনার সত্যতা আংশিক স্বীকার করে বলেন, “নৈশপ্রহরী শামিম ভাই আমাকে বলেছেন কিছু শিক্ষার্থী পাস করানোর জন্য তার কাছে নিয়ে যেতে। পরে আমি প্রায় ১০ জন শিক্ষার্থীকে তার কাছে নিয়ে যাই। তখন তিনি তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন।”নৈশ প্রহরী শামিম মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
নবীনগর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ একেএম রেজাউল করিম বলেন, “আমি ঘটনাটি শুনেছি এবং রসায়ন বিভাগের প্রভাষক সাইদুল ইসলাম খানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখনও সরাসরি আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দেননি। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”এ ঘটনায় স্থানীয় শিক্ষামহলে তীব্র সমালোচনা চলছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সঞ্জয় শীল :