২০২৫ সালে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের আহ্বান জানানোর পর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচার চলাকালে প্রসিকিউশনের ভেতরে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ঘুষ নেওয়ার কারণে বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক আইনজীবী প্রতিষ্ঠান কিংসলি ন্যাপলি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও প্রমাণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়নি এবং তার পক্ষে কোনো আইনজীবী মামলা লড়ার সুযোগ পাননি। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ফ্রিডম হাউস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে এই বিচার যৌক্তিক ছিল না দাবি করে চিঠিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিক মৃত্যুদণ্ডের সমতুল্য। তাই শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় অবিলম্বে বাতিল করার দাবি জানানো হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ না নেওয়া, ভবিষ্যতে যে কোনো বিচার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালনা করা, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শেখ হাসিনার অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি স্বীকার করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কিংসলি ন্যাপলি ১৪ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানিয়ে জবাব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক :