কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে চাঁদা না পেয়ে ‘হোটেল জোনাকি-২’ নামের একটি খাবার হোটেলে হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। রবিবার (১২ এপ্রিল) সকাল নয়টার দিকে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের লালারপুল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় দশ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মালিক মো. আব্দুল মতিন।
ভুক্তভোগি মতিন বিকেলে চৌদ্দগ্রাম থানায় হামলাকারী ছয়জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর গ্রামের মৃত মফিজুর রহমানের দুই ছেলে আব্দুল মতিন ও নূরুর সাফা তাদের পৈতৃক জায়গায় ‘হোটেল জোনাকি-২’ নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। একই ইউনিয়নের বাবুচি বসুন্ডাবাড়ী এলাকার মৃত আছলাম মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন সাদ্দামসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় রবিবার সকালে আনোয়ার হোসেন সাদ্দাম, দেলোয়ার হোসেন দুলাল, বিল্লাল হোসেন, মো. বাবুল, মো. মাসুম ও মো. টুটুলসহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে হোটেলে হামলা চালায়। তারা দেয়াল, দরজা, জানালা, টিন, আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং ক্যাশে থাকা ৭০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। রান্নাঘরের সব আসবাবপত্র ও খাবার নষ্ট করে ফেলে।
শোর-চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা মামলা না করার হুমকি দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন বলেন, “হোটেলটি আমাদের জায়গায় নির্মিত হয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। হামলার বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।”

নিজস্ব প্রতিবেদক :