প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

শিক্ষার্থী থেকে শিক্ষক হওয়ার অনুভূতি

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লা ইন্সটিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি(আইএইচটি) এন্ড মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) এর সঙ্গে পথচলার শুরু হয় ছাত্র হিসেবে। দিনে দিনে এই জায়গার সাথে সম্পর্কটা গভীর হলো। ভালোলাগার শুরু, তারপর ধীরে ধীরে ভালোবেসে ফেললাম। হয়তো শুরু থেকেই ভেবেছি কীভাবে এই সম্পর্কটা দীর্ঘায়িত করা যায়! দেখতে দেখতেই সম্পর্কটা আরও মজবুত এবং দীর্ঘ হলো।

পিতামাতা-সন্তানের সম্পর্কের মতো ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্ক এক অবিচ্ছেদ্য অনিন্দ্য সুন্দর সম্পর্ক। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্ক হওয়া উচিত অভিভাবকতুল্য ও বন্ধুসুলভ।
ফলে অভিভাবক ও বন্ধুত্বের একটি মিশ্রণ থাকবে শিক্ষকের আচরণের মাঝে। আসলে ছাত্র-শিক্ষকের সম্পর্ক একটি চমৎকার পরিপূরক সম্পর্ক। শিক্ষক-ছাত্র সম্পর্ক হতে হবে পাত্র ও পানির মতো।

শিক্ষার্থী থেকে শিক্ষক হয়ে যাওয়া, এখানে খুব বেশি তফাৎ নেই আমার জন্য। ঘুরে ফিরে আমি সেই চেনা মুখগুলোর মাঝেই ফিরে এসেছি। সবকিছুই আমার আপন। চেষ্টা থাকবে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো বুঝার এবং সমাধানের। আমরা খেলাধুলার সময় খুব কম পাই। ক্লাসের চাপ খুব বেশি থাকে। যদি সম্ভব হয়, চেষ্টা থাকবে ক্লাসের চাপ কমিয়ে স্টুডেন্টদের খেলাধুলার জন্য সময় করে দেওয়া।

ইন্সটিটিউটে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি আমার চেষ্টা ও অধ্যক্ষ স্যারের সহযোগিতায়।এই চাকুরী অর্জন করার জন্য অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব ডাঃ এ কে এম আব্দুস সেলিম স্যারের নিকট আমি চির কৃতজ্ঞ। এই প্রতিষ্ঠান আমাকে যে সম্মান দান করেছে, অন্য কোথাও চাকুরী করলে তা আমি পেতাম না। কাজের ক্ষেত্রে আমার সিনিয়র শিক্ষকরা আমাকে খুব সহযোগিতা করেছেন। আমি শিক্ষকমণ্ডলী ও অফিস কর্মকর্তা কর্মচারী সকলের কাছে চির কৃতজ্ঞ।

অনেকেরই অনেক বড় বড় চিন্তাজগত থাকে। আমি ছোট ছোট প্ল্যান করি। হয়তো, আজকে আমি দুইবছর পরের প্ল্যান করবো না। আজ আমি সামনের এক সপ্তাহে কী করবো, সেই প্ল্যান করবো। পরেরটা না হয় পরেই দেখা যাবে!

আমার মনে হয়, স্বপ্নের দিকে ধীর পায়ে এগুনোই ভালো। স্বপ্ন দেখা থেমে গেলে জীবনে আর কিইবা থাকে!

মোঃ আবদুল আউয়াল সরকার।
শিক্ষক,কুমিল্লা আইএইচটি এন্ড ম্যাটস,কুমিল্লা।

প্রিন্ট করুন