ভালুকা হাইওয়ে পুলিশ ফাড়িতে কর্মরত এএসআই হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী গৌরী প্রকাশ হাসনার বিরুদ্ধে বহু বিবাহের অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়াও পুরুষ শিকারী গৌরী ভালোবাসার অভিনয়ে প্রতারনা করে বহু লোকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গৌরী ওরফে হাসনার ফাঁদে হাসানকে ফাঁসিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ গৌরির দিকে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল গেইট এলাকার নাট্যকর্মী শান্তী বলেন, আমি ভালুকা নাটক করতে গিয়েছিলাম, তখন হাসান দুলাভাইয়ের সাথে আমার দেখা হয়। আমি তার সাথে সেলফি নেই। নাট্যকর্মী গৌরীর সাথে বিয়ের সুবাধে আমি হাসান ভাইকে দুলাভাই ডাকি। এছাড়া তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।
মেডিকেল গেইটের নাট্য কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, গৌরী অলিখিত কমবেশি ১৫/১৬টি বিয়ে করেছেন। ময়মনসিংহের বড়েরার জামাল, দাপুনিয়ার সুরুজ, ফুলবাড়িয়ার খোরশেদ, গাজীপুরের সাইফুল, গৗরীপুরের ফিরুজ, ত্রিশালের মোকাম্মেল, বেগুন বাড়ির আশিকুল, নেত্রকোনার সেলিমসহ অনেকের সাথে গৌরী বিয়ে বিয়ে খেলায় মেতেছেন।
তাদের কাছ থেকে গৌরী হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। শুধু গৌরী নয় পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে বহু বিয়ে বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
গৌরীর বড় বোন সালামকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে অর্থকরী হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও জানা যায়। গৌরীদের বৈধ কোনো আয়ের উৎস নেই।
ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা হাইওয়ে পুলিশ ফাড়িতে কর্মরত এএসআই হাসানের দেশের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পুর্বধলা থানায়। এএসআই হাসান নিজ এলাকার জলিকে বিয়ে করে এক সন্তানের জনকও।
এর পর ময়মনসিংহে চাকুরী করার সুবাধে নাট্যকর্মী গৌরীর ফাদেঁ পড়ে তাকে বিয়ে করেন। এখানেও গৌরীর পূর্বের স্বামীর একটি সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি গৌরী বেগুন বাড়ি আশিকুলকে ফাঁদে ফেলে তার বাসার অনেক কাজ হাতিয়ে নিয়েছেন।
ফোনালাপে গৌরী জানান, আশিকুল তার বাড়ির আংশিক কাজ করে দিয়েছে। হাসান না আসায় সে বিকল্প হিসাবে আশিকুলকে বেছে নিয়েছে। পূর্বে একটি সংবাদ প্রকাশের পর হাটে যেন হাড়ি ভেঙ্গে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, ময়মনসিংহ সদরের ঝাউগড়া গ্রামে গৌরীর বাড়িকে মিনি পতিতালয় হিসেবে সবাই চিনে। বখাটে পকৃতির লোকজন ছাড়া এই বাড়িতে কারো যাতায়াত নেই।

বদরুল আমীন, ময়মনসিংহ :