আসন্ন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৯,২০ এবং ২১নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী নাছরিন আক্তারের জয়জয় রব শোনা যাচ্ছে। এ তিন ওয়ার্ডের ১২টি গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, মহিলা কাউন্সিলর হিসেবে বেশ আলোচনায় ভাসছেন নাছরিন আক্তার। এ তিন ওয়ার্ডের ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীকে নির্বাচন করছেন। প্রতীক পাওয়ার পর ব্যাপক গণসংযোগ করে ভোটার খুব কাছে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
কুমিল্লা উইমেন্স কলেজ থেকে বিএ পাশ করা নাছরিন আক্তার পেশায় একজন শিক্ষক হলেও জনসেবার ব্রত নিয়ে রাজনীতির মাঠে আসেন। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষকতা করে গবেষণা করেছেন মানুষের দুঃখ দুর্দশার বিষয়গুলো। তাই কুসিক নির্বাচনের মাস আটেক আগে থেকেই নির্বাচনে মাঠ গোছানোতে মত্ত হয়ে পৌঁছে যান ১২ গ্রামের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ব্যাপক পরিচিতি লাভের পর যখন তাঁর দিকে ভোটারদের আগ্রহের কথা জানতে পারেন, তখনই জোরেশোরে নেমে পড়েন রাজনীতির মাঠে।
নগরীর উনাইশার এলাকার বাসিন্দা নাছরিন আক্তার খুবই সাদাসিধে জীবনযাপন করেন। তাঁর স্বামী মোঃ মীর হোসেন একজন ক্ষুদে ব্যবসায়ী। নম্র, ভদ্র নাছরিন আক্তারের প্রতি মানুষের আগ্রহ দেখে স্বামী মীর হোসেন উৎসাহ দেন তাকে ভোটের মাঠে আসার। তখনই উনাইশার এলাকার লোকজন নিয়ে সামাজিকভাবে নির্বাচনী বিষয় নিয়ে বসেন। সে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আবুল হাসেম। সে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সমাজের সর্দার মমিনুল হক চৌধুরী সর্দার, আমির হোসেন, পিডিবি কর্মকর্তা মোখলেস, হাজী মফিজুল ইসলাম রতন, আলী নেওয়াজ, এডভোকেট রেয়াজুদ্দিন মজুমদার মান্নান এবং জাহাঙ্গীর আলমসহ আরও সমাজের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সেই বৈঠকে সবার আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় নাছরিন আক্তারকে একক মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী করার। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক নাছরিন আক্তারের পরিবার নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন ব্যাপকভাবে।
সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করার পর এলাকার একটি চক্র নাছরিন আক্তারের বিপক্ষে আরেকজন প্রার্থীকে নির্বাচন করার তাগিদ দেয়। নাছরিন আক্তারের স্বামী মীর হোসেন এর বাড়ির ছাদে সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এবং নাছরিন আক্তারকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন। কিন্তু নাছরিন সরে না দাঁড়ানোয় তাকে অপবাদ দেওয়া হয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর দ্বারা নাকি নাছরিন আক্তারকে ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে, তাই সে আর নির্বাচন করবে না। এমন মিথ্যা রটানোর পর ইগোতে লাগে নাছরিন ও তার পরিবারের লোকদের। সম্মানের কথা ভেবে ঠিক তখন নির্বাচন করার পূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন তিনি। অত্যন্ত সৎ, বিনয়ী এবং মার্জিত ব্যক্তিত্বের এই মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীর বেশ সুনাম রয়েছে এলাকায়।
তবে তিনি জানান, নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের রোষানলে পড়তে হচ্ছে, পোস্টার, ব্যানার ছিড়ে ফেলছে, আমার কর্মী সমর্থকদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আমি শংকিত।
৩ ওয়ার্ডের ভোটারদের ব্যাপক উৎসাহে বেশ ফুরফুরে রয়েছে নির্বাচনের মাঠ। তাই অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করে নাছরিন আক্তার ৩ ওয়ার্ডের ভোটারদের বলেন, আমি কাউন্সিলর

আরিফ আজগর :