চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ সব সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের সম্মেলন শেষ করতে হবে বলে জানান দলীয় হাইকমান্ডে নেতারা। তারই ধারাবাহিকতায় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।ইতিমধ্যে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে নেতৃত্ব শ্রেণির লোকজন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থীর নাম শুনা গেলেও, জনপ্রিয়তায় তাজউদ্দীন বাবর এগিয়ে আছে বলে দাবি করেন দলের অন্যন্যা নেতারা।
জবাবদিহি কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তাজউদ্দীন বাবর বলেন আমি ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামিলীগ’ করেছি তবে কখনো পদের জন্য পদপ্রার্থী ছিলাম না। ছাত্রজীবনে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত মহাজোট সরকারের জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের হাজার হাজার কর্মী নিয়ে সর্বদা রাজপথ কাঁপিয়ে ছিলাম। ১৯৯৩ সালে তখনকার উপজেলা ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ আমাকে চরবাটা খাসের হাট উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন। ১৯৯৫ সালে সৈকত সরকারি কলেজের নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য নির্বাচিত হয়। ১৯৯৮ সালে নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক করা হয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ খালেদা জিয়ার ক্ষমতার সময় ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে নানা ধরনের অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়, যা বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের কারো অজানা নয়।তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সালের নির্বাচনে নৌকার জন্য হাজারো কর্মী নিয়ে উপজেলা ব্যপি আন্দোলন গড়ে তুলি যার ফলস্বরূপ সুবর্ণচরে নৌকা প্রথমবারের মতো বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। ২০১১ সালে আমাকে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য করা হয়। পরবর্তী 2011 সালে আমাকে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য নির্বাচিত করে।
বর্তমানে দল ক্ষমতায় থাকায় অনেক অনুপ্রবেশকারী ভোর পাল্টে দলের হাইকমান্ডের নেতাদের ভুলবুজিয়ে বিভিন্ন পদ দখল করে নিয়েছে।আসছে কমিটি সচ্চ হবে বলেই সংগঠনের লোকজন আমাকে সম্পাদক পদে চাচ্ছে। ব্যক্তিজীবনে আমি ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ করেছি তবে কখনো পদের জন্য প্রার্থী ছিলাম না। এখন জেলা আওয়ামী লীগ যদি ত্যাগিদের মূল্যায়ন করে। আমাকে সম্পাদক পদে রাখে। আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠন সহ এক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করতে কাজ করে যাব।

অনলাইন ডেস্ক :