প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

নির্বাচনের আগে জনগণের সাথে দেওয়া ওয়াদা পালন করে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান নোমান সরকার

আনিস খান, দাউদকান্দি :

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময় জনগণের সাথে ওয়াদা করেছিলেন ১৭ নং গৌরীপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী মোহাম্মদ নোমান সরকার।

কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গৌরীপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাবেক কয়েকবারের বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে সভাপতি।

আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কান্ডারী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশীর্বাদপুষ্ট একনিষ্ঠ কর্মী, দাউদকান্দি মেঘনার গণমানুষের নেতা মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত তিনবার এর সংসদ সদস্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার আশ্রয় স্থল থেকে এবং চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ দাউদকান্দি উপজেলা থেকে দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেজর অবসরপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলী সুমনের অত্যন্ত কাছের ছোট ভাই মোহাম্মদ নোমান সরকার।

নির্বাচনের আগে জনগণের সাথে দেওয়া ওয়াদা অক্ষরে পালন করে চলেছেন নোমান সরকার।

নোমান সরকার বলেছিলেন আমি যদি আপনাদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হই তাহলে গৌরীপুর বাজার কে আধুনিকভাবে ঢেলে সাজাবো। এবং গৌরিপুর বাজারকে উপশহরে রূপান্তরিত করবো।
আরো অন্যান্য গ্রামসহ পাড়া মহল্লার কাঁচা রাস্তাগুলোকে পাকা করবো।

গৌরীপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা মতপ্রকাশ করে বলেন গৌড়িপুর বাজারে এমন উন্নয়ন করেছে নোমান সরকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে। আগে কোন চেয়ারম্যানকে দেখি নাই, নির্বাচনের মাত্র তিন-চার মাসের মাথায় এতগুলো কাজ করতে।

তাহার কাজের উল্লেখযোগ্য অংশ গুলো হল ১৭ নং গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ কে আরো সুন্দর করে সাজিয়ে-গুছিয়ে দৃষ্টিনন্দন আধুনিকায়ন করা হচ্ছে, গৌরিপুর মাছ বাজার থেকে আকবর আলী কলেজ হয়ে গোমতী নদী পর্যন্ত পাকা ড্রেন নির্মান,মাছ বাজার থেকে গৌরিপুর ঈদগাহ পর্যন্ত আর সি সি ডালাই পাকা রাস্তা নির্মান,গৌরিপুর ঈদগায়ের সংস্কার কাজ, গৌরিপুর হোমনা রোডের মাতৃ ভান্ডার মিস্টির দোকান বা ফল বাজারের মসজিদ থেকে হাইস্কুলের খাল পর্যন্ত আর সি সি পাকা ড্রেন নির্মান, ভুলিরপার ব্রীজ থেকে গৌরিপুর হোমনা রোড ঘেঁষে জিয়ারকান্দি গৌরিপুর গোমতী ব্রীজ পর্যন্ত আর সি সি ডালাই পাকা আধুনিকায়ন ড্রেনেজ নির্মান করা, গৌরিপুর হোমনা রোডের ১১ তলা বিল্ডিং এর সামনে থেকে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনের খালি জায়গাটুকু সিএনজি ও গাড়ী পার্কিং করার জন্য বিশাল আকারে আর সি সি ডালাই করে পাকা করা হইয়াছে,গৌরিপুর হোমনা রোড থেকে হোটেল পট্রির বা চাউল বাজারের দুইপাশের রাস্তা আর সি সি ডালাইয়ের মাধ্যমে পাকা করা হয়, গৌরিপুর হোমনা রোডের লক্ষীপুর ২য় রাস্তা কালাডুমুর নদী পর্যন্ত পাকা করন করা হইয়াছে, হরিপুর গ্রামের কাচা রাস্তাকে পাকা করন করা হইয়াছে,ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক থেকে হাড়িয়ালা গ্রামের রাস্তা ও পাকা করন করা হইয়াছে, এমন আরো অসংখ্য গ্রামের পাড়া মহল্লার কাচা আধা পাকা রাস্তাকে পাকা করেন নোমান সরকার।

বড় চমকটি হচ্ছে গৌরিপুর বাজারে বসবাসকারী সাধারন জনগণের দির্ঘদিনের দ্বাবি ছিলো বাজারে যেন সাধারণ মানুষের বিনোদনের জন্য বা অবসর সময় কাটানোর জন্য একটি পার্ক নির্মান করেন। আর জনগণের দাবি পুরনে গৌরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের বড় একটি পুকুরের চারপাশে আর সি সি ডালাই করে গৌরিপুর বাজার আধুনিক পার্ক নির্মান করে সকলের প্রশংসায় ভাসছেন নোমান সরকার।

প্রিন্ট করুন