প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নাঙ্গলকোট উপজেলা চেয়ারম্যান কালুর বিরুদ্ধে

জামাল উদ্দিন স্বপন :

ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীকে লাঠি পেটা করার অভিযোগ

উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঢোল মার্কা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এহতেশাম হায়দার রুবেলকে লাঠি পেটা করে গুরুতর আহত করেন নাঙ্গলকোট উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রার্থী এহতেশাম রুবেল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দায়ের করে যাবার পথে ঊপজেলা চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন কালু দেখেই রুবেলকে অফিসে ডেকে আনেন এবং কালু প্রার্থী রুবেল চাপ প্রয়োগ করে বিবৃতির মাধ্যমে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের। রুবেল হ্যাঁ বা না কিছু না বলে চলে যাবার চেষ্টা করলে কালু তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীকে মারধরের নির্দেশ দেয়। রুবেল আত্মরক্ষার্থে দৌড় দিলে সন্ত্রাসীরা তাঁকে ধরে কালু’র হাতে তুলে দিলে কালু মোটা রোল দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রুবেলের হাত ভেঙে আধমরা ও বিবস্ত্র করে ফেলেন পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে থাকা রুবেলের আত্মীয় তাঁকে চিকিৎক। সসার জন্য দ্রুত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যায়, উল্লেখ্য, সৈয়দ এহতেশাম রুবেল সেনাবাহিনীর অবঃ সৈনিক ও সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আপন চাচাতো ভাই।

চলতি ইউপি নির্বাচনে দৌলখাঁড় ইউনিয়নে স্বতন্ত্রভাবে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী। সূত্র আরো জানায়, ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন একই গ্রামের সাইফুর রহমান বাবলু। অভিযোগ আছে বাবলু একজন যুদ্ধাপরাধীর সন্তান। উপজেলা চেয়ারম্যান স্থানীয় মনোনয়ন বোর্ডের প্রধান হয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে যুদ্ধাপরাধীর সন্তানকে নৌকার টিকেট পাইয়ে দেন। এখন টাকা জায়েজ করতে রুবেলকে প্রত্যাহারের চাপ প্রয়োগ করেন। ঘটনার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহবুব রায়হান সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, রুবেল আমার কাছে এসেছেন সত্য। কিন্তু ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না এবং এ বিষয়ে আমার কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, তিনি কোন অভিযোগ পাননি।
উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
শতশত প্রত্যক্ষদর্শী দেখলেও কেউ ভয়ে নাম বলছে না।

প্রিন্ট করুন