কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের বাঙ্গড্ডা পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ফসলী জমি থেকে গত দেড়মাস ধরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে মাটি খেকো সোহাগ, আব্দুল মান্নান ও মোজাম্মেল গং।
জানা যায়, বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের গান্দাচি গ্রামের মাটি খেকো সোহাগ বেপারী, শ্যামপুর গ্রামের মাটি খেকো আব্দুল মান্নান ও পেরিয়া ইউনিয়নের যুগীপুকুরিয়া গ্রামের মোজাম্মেল ৩টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রায় দেড়মাস ধরে তিন ফসলী জমি থেকে বালু উত্তোলন করে আসছে।
স্থানীয়রা বলেন, এই বালু উত্তোলনের কারণে অনেক সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, আশে পাশের ফসলী জমি গুলো নষ্ট হচ্ছে তাই স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি তারা যেন দ্রুত এই ডেজার মেশিন গুলো বন্ধ করে এবং যারা ড্রেজার মেশিন পরিচালনা করছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
ড্রেজার মেশিন পরিচালনাকারি আব্দুল মান্নানকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, (অডিও ক্লিপ্ট)
মাটি খেকো সোহাগ বেপারী বলেন, আপনি ইউএনও ও এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলেন, তাদের অনুমতি ক্রমে আমি ড্রেজার মেশিন চালাইতেছি, কিছু জানার থাকলে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
আরেক ড্রেজার মেশিন পরিচলানকারি মোজাম্মেল বলেন, আমরা পুলিশকে ২৫ হাজার টাকা ও সাংবাদিকদের ৫ হাজার টাকা দিয়েছি, তারা অনুমতি দিয়েছে ড্রেজার মেশিন চালোনোর জন্য।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক হোসেনের কাছে পুলিশ টাকা নিয়েছে বলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, (ভয়েজ) (এটার সাথে পুলিশের কোন সম্পর্ক নেই, আপনার কাছে কোন প্রমাণ থাকলে সন্ধায় নিয়ে আসুন আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।)
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হান মেহবুব ও উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আশরাফুল হককে একাধিকবার ফোন করে পাওয়া যায়নি এবং মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও কোন উত্তর পাওয়া যায় নি।

জামাল উদ্দিন স্বপন :