রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বৈষম্যের বিরুদ্ধে ম্যাটস শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৩ মার্চ, ২০২৫, ১১:৪১ এএম
বৈষম্যের বিরুদ্ধে ম্যাটস শিক্ষার্থীদের ন্যায়বিচারের আন্দোলন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ নিয়ন্ত্রিত এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমএন্ডডিসি) স্বীকৃত ম্যাটস (মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল) শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এ প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়।

বর্তমানে সারাদেশে ১৬টি সরকারি ম্যাটস ও প্রায় ২০০টি বেসরকারি ম্যাটস এই কোর্সটি পরিচালনা করছে। বিএমডিসি স্বীকৃত ডিএমএফ (ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি) ডিগ্রিধারীগণ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার’ পদে নিয়োজিত থাকেন।

বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২২ এবং বিএমডিসি এর সর্বশেষ তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ডিপ্লোমা মেডিকেল শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৬০,০০০ এবং বিএমডিসি নিবন্ধিত ডিএমএফ এর সংখ্যা প্রায় ৩০,০০০। শূন্য পদ থাকার পরেও গত একযুগের বেশি সময় ধরে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এতে করে একদিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং অন্যদিকে ম্যাটস থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীরা বেকার হয়ে পড়ছে।

ম্যাটস শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
– শূন্য পদে নিয়োগ এবং কমিউনিটি ক্লিনিকসহ সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে নতুন পদ সৃজন করা।
– প্রতিষ্ঠান ও কোর্সের নাম পরিবর্তন করে অসংগতিপূর্ণ কোর্স কারিকুলাম সংশোধন করা।
– বিএমডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চশিক্ষার অধিকার প্রদান করা।
– প্রস্তাবিত এলাইড হেলথ প্রফেশনাল বোর্ড খসড়া আইনের নাম পরিবর্তন করে ‘মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ’ নামকরণ করা।

ম্যাটস শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন এবং আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রেজুয়েট চিকিৎসকদের উসকানিতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।

ম্যাটস শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন এবং তারা আশা করছেন যে ন্যায়বিচার পেয়ে শীঘ্রই তাদের দাবি পূরণ হবে।

আজম মেম্বারের গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিএনপির নির্বাচিত এমপির কাছে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির আবেদন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৫ পিএম
আজম মেম্বারের গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিএনপির নির্বাচিত এমপির কাছে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির আবেদন

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত নির্বাচিত এমপিআবুল কালামের কাছে সাহাব উদ্দিন আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও তাঁর মুক্তির দাবিতে আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সাহাব উদ্দিন আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেফতারের প্রতিবাদে ২ নম্বর সরসপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রুদ্রপুর গ্রামে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাহাব উদ্দিন আজম মেম্বার ২ নম্বর সরসপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রুদ্রপুর গ্রামের সন্তান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। রাজনৈতিক কারণে তাঁকে বিভিন্ন সময় নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। বক্তাদের দাবি, রাজনৈতিক হয়রানির কারণে আজম মেম্বার ও তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতেও পারেননি।

বক্তারা আরও বলেন, কালাম ভাইয়ের নেতৃত্বে রাজনীতি করতে গিয়ে আজম মেম্বারকে বহু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এমনকি রাজনৈতিক কারণে তাঁকে নিজের বাড়িতেও নিয়মিত থাকতে পারেননি বলে দাবি করেন তারা। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিকেও তারা ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করছেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের বিএনপির নির্বাচিত এমপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আজম মেম্বারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় বক্তারা অবিলম্বে আজম মেম্বারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, হয়রানি বন্ধ এবং তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হলে দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

মানববন্ধন শেষে স্থানীয় নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এমপির কাছে লিখিত আবেদন জানান এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেন।

রাত আড়াইটায় হোটেল নুরজাহানের সামনে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

কুমিল্লায় স্লিপার কোচে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৯ পিএম
কুমিল্লায় স্লিপার কোচে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা

Oplus_131072

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একটি স্লিপার নাইট কোচে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো যাত্রী হতাহত হননি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার হোটেল নুরজাহানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কক্সবাজার থেকে নওগাঁগামী ‘শাহ ফাতিহা স্লিপার কোচ’ বাসটি রাত আড়াইটার দিকে পদুয়ার বাজার এলাকার হোটেল নুরজাহানের সামনে যাত্রাবিরতি দেয়। বাসটি থামার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠে।

মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার ফাইটাররা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় কোনো যাত্রী হতাহত হননি।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা খতিয়ে দেখছেন।

দেবীদ্বারে হানিট্র‍্যাপ খ‍্যাত লাইলি ইয়াবাসহ গ্রেফতার

মো. বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ এএম
দেবীদ্বারে হানিট্র‍্যাপ খ‍্যাত লাইলি ইয়াবাসহ গ্রেফতার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আত্মসাৎ চক্রের কথিত মূলহোতা এবং এলাকায় ‘হানি ট্র‍্যাপ’ খ‍্যাত ও ‘লেডি ডন’ হিসেবে পরিচিত লাইলি আক্তার(৩৫)কে ফের আটক করেছে পুলিশ। তবে এবার ব্ল্যাকমেইল বা চাঁদাবাজির অভিযোগে নয়, ইয়াবা বিক্রয়কালে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ২ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক সাগর বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেবীদ্বার নিউমার্কেট (রহমানিয়া সুপার মার্কেটের পেছনে) ভাড়া বাসা “আহসান মঞ্জিল” থেকে ইয়াবাসহ লাইলিকে আটক করা হয়।

আটককৃত লাইলি আক্তার(৩৫) উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ঘোষঘর গ্রামের আব্দুর রশিদ মিয়ার মেয়ে। সে দির্ঘদিন যাবৎ আহসান মঞ্জিলে ভাড়া থেকে এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্রের সহযোগীতায় নারী ও মাদক ব্যাবসার আড়ালে কৌশলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল এই লাইলী চক্রের প্রধান কাজ।

এর আগে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল ওই একই বাসায় (‘আহসান মঞ্জিল’) অবস্থান করাকালে পর্নোগ্রাফি মামলায় হানিট্রাপ খ্যাত লাইলি আক্তারকে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেলেও জামিনে এসে একই বাসায় মাদক ব‍্যবসায় জড়িয়ে পরে।

কয়েক মাস পূর্বে উপজেলার জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ‍্যালয়ের শিক্ষক মুকবল হোসেন মাষ্টারের উপর নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে, প্রশাসনের টনক নড়ে। পুলিশ ওই বাসায় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে টাকার জন‍্য বেঁধে রেখে বেধরক মারধর করা অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেন। এবং এই ঘটনায় গত ৭ই এপ্রিল মুকবল মাস্টার বাদী হয়ে অভিযুক্ত লাইলি আক্তারকে এজাহারভূক্ত করে এবং অজ্ঞাত ৩ নারী ও ৫ পুরুষের নামে পর্ণোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাইলি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে দেবীদ্বারসহ আশেপাশের এলাকায় একটি শক্তিশালী অপরাধ চক্র পরিচালনা করে আসছিলেন। তার মূল কৌশল ছিল প্রভাবশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী পরিবারগুলোকে টার্গেট করা। চক্রের তরুণীদের ব্যবহার করে প্রথমে প্রেমের অভিনয় বা ‘হানি ট্র্যাপ’-এর ফাঁদ পাতা হতো।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক প্রতিবেশী এক ব্যক্তি জানান, লাইলি সে প্রায় ডজনখানেক মামলার বাদী। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ নারী দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এবং দেহ ব্যবসার আড়ালে গোপন ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বিত্তশালীদের টার্গেট করতেন সে। একই সাথে মাদক চোরা কারবারিতেও বেশ প্রভাব বিস্তার করে। ওই চক্রটি নানা কৌশলে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। এঘটনায় বাসার মালিকের ছেলে এবং লাইলির এক নিকট আত্মীয়ের সেল্টারে প্রকাশ্য অপরাধ সংঘটিত করে আসছে।
লাইলি আক্তার বলেন, আমি ভালো হয়ে গেছি। আমার ছেলে মাদক ব‍্যবসা করে। ছেলে রাতে ঘুমিয়েছিল, তখন তার বন্ধুরা এসে ইয়াবা চাইলে আমি জানালা দিয়ে ইয়াবা দেয়ার সময় কেউ পুলিশ দিয়ে আমাকে ধরিয়ে দেয়।

ইয়াবাসহ হানিট্র‍্যাপ খ‍্যাত লাইলি আক্তার গ্রেফতার’র সংগৃহীত ছবি।

এ ব‍্যপারে এসআই সাগর বড়ুয়া জানান, অভিযানকালে লাইলি আক্তারের দখলে থাকা ১৫ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রয়ের টাকা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদীসহ তাকে আটক করি।

এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, এ নারী খুবই ধুরন্দর চালাক ও প্রতারক, সে জামিনে এসে আবারো মাদক ব‍্যাবসায় জড়িয়ে পড়ে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। পূর্বের পর্ণোগ্রাফির মামলাটিও চলমান রয়েছে। এখন এ মামলার সূত্র ধরে তার সহযোগীদের আটকের চেষ্টা করব।

×