তথ্য পাচার-পলাতক নেতাদের তদবিরে জড়িত কথিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান
সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনৈতিক অপতৎপরতায় লিপ্ত একটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই কথিত সাংবাদিকরা পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের হয়ে তদবির চালানো, তথ্য পাচার এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দলীয় কার্যক্রমে সমন্বয়ের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত।
বিশ্লেষকদের মতে, এই গোষ্ঠীর সদস্যরা অতীতে রাজনৈতিক নেতাদের চাটুকারিতার মাধ্যমে সুবিধা আদায় করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমানে তাদের কেউ কেউ মামলার আসামি হয়ে আত্মগোপনে থাকলেও, বাকিরা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিক পরিচয়ে ঘুরে বেড়িয়ে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, এই গোষ্ঠীর কয়েকজন সদস্য পলাতক নেতাদের অবস্থান ও পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য পাচার করছেন। এমনকি তারা গোপনে ঝটিকা মিছিল ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সমন্বয় করছেন। এসব তথাকথিত সাংবাদিকদের কাছ থেকে সংকেত পেয়ে মাঠে নামে দলীয় ক্যাডাররা, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, “এই গোষ্ঠীটি শুধু সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনৈতিক কাজ করছে না, বরং তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে দলীয় স্বার্থে নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। এদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় না আনলে হাদির ঘটনার মতো আরও সহিংসতা ও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।”
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, প্রকৃত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে এই ভুয়া সাংবাদিকদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা জরুরি। অন্যথায়, সাংবাদিকতা পেশার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও ক্ষুণ্ণ হবে এবং রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়তে পারে।





















