বুড়িচংয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের ঘটনায় মামলা
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক মো. রেজাউল করিমকে জড়িয়ে বিগত দিনে সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্য তথা ফেসবুকে একটি মহল মিথ্যে অপপ্রচার করার দায়ে চট্টগ্রামের বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইব্যুনাল সাইবা ট্রাইব্যুনালে ২ জনকে অভিযুক্ত করে মো. রেজাউল করিম বাদী হয়ে সাইবার পিটিশন মামলা নং- ৭৩/২০২২ ইং। তারিখ: ১ মার্চ ২০২২ ইং। মামলার বিবরণে জানা যায়- বুড়িচং উপজেলার ৫ নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাদকপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বুড়িচং উপজেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. রেজাউল করিম গত ২০০৩ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। বিএনপি জামাত জোট সরকার তাকে জোর পূর্বক পরাজিত করেছে। এবার অথার্ৎ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ইং সনে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের নিমিত্তে নমিনেশনের জন্য আবেদন করলে আওয়ামীলীগ হতে মনোনীত মো. জাকির হোসেন জাহেরকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়। অভিযোগকারী মো. রেজাউল করিম একনিষ্ঠ একজন আওয়ামীলীগের নেতা এবং বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও
সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে মানবিক মানুষ ও সমাজকর্মী হয়ে ও আওয়ামীলীগ তথা দলের খাতিরে তিনি সঙ্গত কারণে জাকির হোসেন
জাহেরের পক্ষে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন। কিন্তু, তিনি নির্বাচনে প্রচারণা চালাতে শুরু করলে বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকগণ সাদকপুর ঐক্য ফ্রন্ট ও বিভিন্ন ফেইক আইডি খুলে ছবিতে ক্রস রেখা
অংকিত করে ‘ বলুনতো এরা কত টাকা বিক্রি হয়েছেন? আশা করি সবাই কমেন্ট করবেন? ইত্যাদি বেআইনীভাবে কুরুচিপূর্ণ নানা গুজব লেখে অভিযোগকারীর মানহানি করত তার ফেসবুকে ট্যাগ করে ছড়িয়ে দেয়া হয়। লিটন আহমেদ ও জমসের আহম্মেদ তাদের মধ্যে অন্যতম।
তারা গত ২৭ জানুয়ারি হতে ২০ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত সময়ে এসব স্টেটাস প্রদান করেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী গত ২৩ ফেব্রুয়ারী থানায় মামলা দায়ের করিতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণে
অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করায় পরবর্তীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫/২৬/২৯ ধারায় উক্ত মামলা রুজু করা হয়। উল্লেখ্য, মো. রেজাউল করিম
একজন নিবেদিত প্রাণ আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত থেকে করোনাকালীণ সময়ে ও এর পূর্বে বিভিন্ন সমাজ সেবা মূলক কাজে নিয়োজিত থেকে সমাজের উপকার করে আসছেন। তার পিতা ৫ নং
পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।













