রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

দেবীদ্বারে সাংবাদিক পরিবারের উপর হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ৫:২০ পিএম
দেবীদ্বারে সাংবাদিক পরিবারের উপর হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সাখাওয়াত হোসেন : কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার গ্ৰামে সাংবাদিক পরিবারে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করার পর উল্টো সাংবাদিক বিল্লাল হোসেন তার ভাই আহত জালালসহ চুলাশ, উখারী এবং রাজামেহার গ্রামের নিরীহ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে হয়রানি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়নের চুলাশ বাজারে কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই মানববন্ধন করে। এতে গণমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেন ও তার পরিবার, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোজাম্মেল হক হুমায়ুনসহ সাবেক ইউপি সদস্যসহ ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের লোকজন অংশ নেয়।

মানববন্ধনে রাজামেহার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোজাম্মেল হক হুমায়ুন বলেন, বেতরা গ্রামের বিএনপি নেতা সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে চুলাশ, উখারি, রাজামেহারসহ কয়েকটি গ্রামে কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে।

ওই গ্রামগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কিশোর গ্যাং সদস্যরা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। তারা গত ৪ ঠা ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাতে রামদা, চাইনিজ কুড়াল ও এস এস পাইপ নিয়ে রাজামেহার গ্রামের গণমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে হামলা চালায়, বাড়িতে গণমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেনকে না পেয়ে তার নিরোপরাধ বড় ভাই মোঃ জালালকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ০৭ ই ডিসেম্বর দেবীদ্বার থানায় গণমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানার মামলা নং ০৬/২২ইং জিআর ২৬৭/২২ ইং রুজু হলে সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে তার লালিত পালিত কিশোর গ্যাং বাহিনীর টেগরা আশ্রাফুল বাদী সাজিয়ে কুমিল্লার আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং সিআর-৭২৪/২২ ইং কে মামলায় গনমাধ্যম কর্মী মোঃ বিল্লাল হোসেন কে ১ নং বিবাদী করে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে এবং সন্ত্রাসী আলী আশ্রাফ কে বাদী সাজিয়ে কুমিল্লার আদালতে আরেকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং সিআর-৭৮/২২ ইং অএ মামলায় গনমাধ্যম কর্মী মোঃ বিল্লাল হোসেন কে ৩ নং বিবাদী ও রাজামেহার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোজাম্মেল হক হুমায়ুনকে ৬ নং বিবাদী করে মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা আদালতে ০২ টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন।

মোজাম্মেল হক হুমায়ুন আরও বলেন, ঘটনায় আমাকেও মামলার আসামি করা হয়েছে, অথচ আমি ওইদিন নারায়ণগঞ্জে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলাম। তাছাড়া ও কিশোর গ্যাং বাহিনী লালন পালনকারী সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় ও থানায় জ্বালাও-পোড়াও, জোর পূর্বক জমি দখল, প্রতারনার মামলা ও সরকার বিরোধীসহ প্রায় ৮/১০টি মামলা চলমান রয়েছে। আমরা গ্রামের সাধারণ ও নিরীহ মানুষ এই সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের কিশোর গ্যাং বাহিনীর অত্যাচার,হামলা-মামলা ও অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে চাই।

হামলার শিকার আহত মোঃ জালাল বলেন, ৪ ঠা ডিসেম্বর রাত সাড়ে সাতটায় সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের লালিত পালিত সন্ত্রাসীরা আমার ছোট ভাই গনমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেনকে সুমন মিয়ার চা দোকানের সামনে ও দোকানের ভিতরে মারধর করেছে। সেখান থেকে চলে গিয়ে সন্ত্রাসীরা আবারো রাত আনুমানিক আটটার সময় আমার ছোট ভাই গনমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমার ঘরে এসে আমার ভাইকে না পেয়ে সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা রামদা, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আমাকে অলোপাতারি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে চলে যায়।

গনমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেন বলেন, সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন বাহিনীর নির্দেশে উখারী গ্রামের কিশোর গ্যাং লিগার টেগরা আশ্রাফুলসহ ১১/১২ আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাকে না পেয়ে আমার বড় ভাইকে সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা রামদা, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হাতের লিগামেন্ট রগ বিচ্ছিন্নসহ পিঠের মধ্যে কুপিয়ে মাংস আলাদা করে রক্তাক্ত জখম করে চলে যায়। সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনসহ তার লালিত পালিত সন্ত্রাসীরা প্রতিদিন বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদের হুমকি-ধমকি দেয়। আমাকে এবং আমার পরিবারের সকলকে সুযোগমতো পাইলে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে। আমি এই সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

মানববন্ধনে শামসুল ইসলাম সর্দার বলেন, আমার বয়স প্রায় ৭৫ বছর এই বয়সে ও আমাকে মামলার আসামি করেছে বেতরা গ্রামের বিএনপির শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে। আমাদের উখারী গ্রামের ছোট ছোট ছেলেদের কে গড়ে তুলেছে কিশোর গ্যাং নামক অস্ত্রধারী বাহিনীতে। আমাদের নামে মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার করাসহ এই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি ।

এ বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম কালু বলেন, অমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে হামলার দিন আমি চুলাশ দক্ষিণ বাজারে আমার নিজ দোকানে বসা ছিলাম রাত আনুমানিক আটটার দিকে কিশোর গ্যাং বাহিনীর টেগরা আশ্রাফুল, রাসেল, রাকিব, ইসহাক, ইয়াছিন, আলী আশ্রাফ, শাকিল, নাজমুলসহ আরো কয়েকজন সন্ত্রাসীর হাতে রামদা, চাইনিজ কোরাল, ও এস এস পাইপ নিয়ে হামলা চালানোর জন্য যাচ্ছে। আমার জীবনে আমি কোনদিন এরকম অস্ত্রশস্ত্র কোথাও দেখিনি। ঘটনার কয়দিন পরে শুনেছি কিশোর গ্যাং বাহিনীর সন্ত্রাসীদের দুজন সদস্য ওই দুই মামলায় আমাকে সহ আসামি করে মিথ্যা মামলা করেছে। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

চুলাশ বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী আরিফ বলেন, আমি চুলাশ মধ্য বাজারে আমার নিজ কাপড় দোকানে ছিলাম রাত আনুমানিক আটটার ১/২ মিনিটের সময় কিশোর গ্যাং বাহিনীর টেগরা আশ্রাফুলসহ সন্ত্রাসী বাহিনীরা হাতে রামদা, চাইনিজ কোরাল, ও এস এস পাইপ নিয়ে গণমাধ্যম কর্মী বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালিয়ে তার বড় ভাই জালালকে এলোপাতারী কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে আবার দক্ষিণ দিকে দৌড়ে আসতে দেখেছি। ঘটনার কয়েকদিন পরে শুনি সন্ত্রাসীদের উল্টা দায়ের করা ২ টি মিথ্যা মামলায় আমাকেও আসামি করা হয়েছে আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম কালু, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডাঃ মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম শকু, সাইফুল ইসলামসহ কয়েকটি গ্রামের নারী-পুরুষ।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: উন্নত সেবার প্রত্যয় এবং ভোজন রসিকদের জন্য অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে রুচিশীল, সুস্বাদু ও টাটকা খাবার পরিবেশনের অনঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া-মুনাজাত এর মাধ্যমে ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অগ্রীম অর্ডার নিয়ে যেকোনো স্থানে উন্নতমানের সকল খাবার সরবরাহ করা সহ সদ্য উদ্বোধনকৃত এ হোটেলে আধুনিক ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন কমিউনিটি সেন্টার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য হলরুম বুকিং এর সু-ব্যবস্থা রয়েছে। মহাসড়কের পাশেই নয়নাবিরাম পরিবেশে এর অবস্থান হওয়ায় দূর-দুরান্তের ভোজন রসিকরাও এখানে খাবার খেতে ছুটে আসবেন বলে হোটেল কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মিয়াবাজার এলাকায় মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের পশ্চিমপাশে নবনির্মিত ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি। অনুষ্ঠানে দোয়া-মুনাজাত পরিচালনা করেন কুমিল্লা আলিয়া মাদরাসার সাবেক হেড মুহাদ্দিস হযরত মাওলানা মো. আবদুর রাজ্জাক।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি বলেন, এটি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়। তথাপিও শুনলাম এ প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে একটি মহল রাজনীতি করার অপচেষ্টা করেছে। বিষয়টি বেশ দুঃখজনক। এ প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ফলে স্থানীয় অন্তত ২০০ লোকের সুন্দর একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। অবস্থা বুঝে মনে হচ্ছে, কারো কারো এটি সহ্য হচ্ছে না। রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হতে হবে মানুষের কল্যাণ করা। এমপি হবো, চেয়ারম্যান হবো, মাস্তানি করা; এগুলো রাজনীতি নয়। রাজনীতি হচ্ছে সবচেয়ে অভিজাত একটি কাজ। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে অত্যন্ত সুন্দর-মার্জিত। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে মানুষের জন্য শিক্ষনীয়। রাজনীতি আর মাস্তানি একসাথে চলে না। সুতরাং, যে দলই আপনি করুন না কেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করুন। আসুন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা যেন এ চৌদ্দগ্রামকে একটি মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত আধুনিক চৌদ্দগ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, সেলক্ষ্যে জনকল্যাণমুখী কাজ করি।

ডা. তাহের আরও বলেন, এখানে এসেই আমি বেশ আনন্দিত হয়েছি। এখানে হযরত ওলামায়ে কেরামদের বিশাল একটা উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ অনুষ্ঠানের বদৌলতে তাদের সাথে আমার সাক্ষাতও হয়ে গেলো। আমার বাবাও একজন আলেম ছিলেন। সুতরা, জন্মগতভাবেই হযরত ওলামায়ে কেরামদের প্রতি সবসময় আমার একটা দুর্বলতা ও ভালোবাসা কাজ করে। উনাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করায় আমি হোটেল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। নিঃসন্দেহে এটিও একটি ভালো ও প্রশংসনীয় কাজ।

তিনি উপস্থিত লোকজনের নিকট প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, এ প্রতিষ্ঠানটি কোন দলের? আওয়ামী লীগের? বিএনপির? জামায়াতে ইসলামীর? না। প্রতিষ্ঠান কোনো দলের হয়না। এটি এলাকার সকল মানুষের। এখানে মানুষ অর্থের বিনিময়ে সেবা গ্রহণ করবে। এটি সার্বজনিন প্রতিষ্ঠান। যারাই উদ্যোগ নেন, তারা সমাজসেবার মানসিকতায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান খোলেন। শুধু ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কখনো এমন প্রতিষ্ঠান চালু করে না। মূলত সেবার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের প্রতিষ্ঠান করা হয়। সুতরাং, আমরা এমন কোনো কাজ করবো না যাতে এ প্রতিষ্ঠান তথা এলাকার মানুষের ক্ষতির কারণ হয়। আমি এ হোটেলের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম-নাঙ্গলকোট সার্কেল) আরিফ মুহাম্মদ শাকুর, চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা জামায়াতের আমীর মুহা. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহিম, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. আলী আজ্জম, মো. হুমায়ুন কবির, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আবদুল মতিন, মাওলানা খাজা আহমেদ, টিআই মোহাম্মদ ফারুক, চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক জিএস খলিলুর রহমান মজুমদার, উজিরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হাশেম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল হাশেম, জামায়াত নেতা শাহ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. আমির হোসাইন, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব এর সুযোগ্য সন্তান ইকবাল মাহমুদ, ইকরাম মাহমুদ, ইমরান মাহমুদ সহ এলাকার বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিপদে মানুষের ভরসা -নেতৃত্বে আলোচনায় দানবীর জুনাব আলীর উত্তরসূরি গোলাম সারোয়ার

কুমিল্লার ডাক ডেস্ক।। প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৭ এএম
বিপদে মানুষের ভরসা -নেতৃত্বে আলোচনায় দানবীর জুনাব আলীর উত্তরসূরি গোলাম সারোয়ার

 

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার ও আশপাশের এলাকায় বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে পরিচিতি পেয়েছেন মো. গোলাম সারোয়ার। শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী দানবীর হাজী জুনাব আলী পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে তিনি সেই সেবার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে গোলাম সারোয়ারের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান স্থানীয় সাধারণ মানুষের একটি অংশ।

বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. গোলাম সারোয়ার কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এবং মহানগর দোকান মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ফাইন টাওয়ারের চেয়ারম্যান। এছাড়া কয়েকটি কমপ্লেক্সের পরিচালকের দায়িত্বেও রয়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গোলাম সারোয়ার সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে গোলাম সারোয়ার নিজেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এলাকার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সচেতনতা কার্যক্রম, খেলাধুলার প্রসারে সহযোগিতা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসায় সহায়তা এবং শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়মিত অনুদান দেওয়ার কথাও জানান স্থানীয়রা।

করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন সংকটময় সময়ে নিজ উদ্যোগে সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কথাও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। তাঁদের মতে, মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতাই গোলাম সারোয়ারকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
স্থানীয় ভোটার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতে, এলাকার উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, গোলাম সারোয়ারের সততা, নম্রতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তাঁকে স্থানীয়দের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

নিমসার ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, গোলাম সারোয়ার আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে এলাকার উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে।
এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশাকে ঘিরে গোলাম সারোয়ারের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নিমসার ও আশপাশের এলাকায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিপদে মানুষের পাশে থাকার যে পরিচয় তিনি গড়ে তুলেছেন, সেটিই এখন সম্ভাব্য নেতৃত্বের দৌড়ে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

×