বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

জয় পরাজয় থাকবেই, তবে এবার খেলা হবে (কুমিল্লা-৫ (২৫৩) আসন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া আসন)

মাহফুজ বাবু : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩, ২:১৯ পিএম
জয় পরাজয় থাকবেই, তবে এবার খেলা হবে (কুমিল্লা-৫ (২৫৩) আসন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া আসন)
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এমনটাই দাবি দুই উপজেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার মানুষ সহ সাধারণ জনগণের। রাজনৈতিক মহল ও পাড়ার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্র আলোচনা কে হচ্ছেন পরবর্তী সংসদ সদস্য। দলীয় রাজনীতি, স্বতন্ত্র প্রার্থী, নির্বাচনী মাঠের পরিস্থিতি, ভোটের হিসেব সব মিলিয়ে চলছে বিশ্লেষণ উঠছে চায়ের কাপে ঝড়। নির্দলীয় সরকারের একদফা দাবিতে অটল প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচন অংশ গ্রহণ না করে হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে জাতীয় পার্টি ইতিমধ্যেই কুমিল্লা ৫ সহ ১১টি আসনেই নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এছাড়াও এই আসনেটিতে বিএনপির সিনিয়র সাবেক (বহিস্কৃত) ও হেভিওয়েট এক নেতা থাকছেন ভোটের মাঠে। ফলেই সকলের ধারনা জমে উঠেতে যাচ্ছে কুমিল্লা ৫ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

তবে রাজনৈতিক কৌশলগত কারনে ভোটের মাঠ প্রতিদ্বন্দ্বীতামুলক, উৎসব মুখর ও নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে, দলীয় বিধিনিষেধ শিথিল করেছে দলটি। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস, মনোনীত ও দলীয় নেতাকর্মীদের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতি আন্তরিক হওয়ার নির্দেশনায় বদলে গেছে ভেটের মাঠের হিসেব নিকেশ। বিগ কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনটিতে ভোটের মাঠের w w@পুরোপুরি ভিন্ন। স্বাধীনতার পর থেকেই বেশির ভাগ সময় আওয়ামী লীগের দখলেই ছিলো আসনটি। দেশের রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অংশ গ্রহণ না করলেও, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় কেউই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার কোন সম্ভবনা এবার যেমন নেই। তেমনি নিজ দলীয় হেভীওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিভিন্ন দলের শক্তিশালী প্রার্থীদের সাথে হাড্ডা হাড্ডি ভোটের লড়াই করেই জয়ী হতে হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ বিশ্লেষকগণ সহ সকলেই। সবকিছু ঠিক থাকলে কুমিল্লা ৫ আসনে এবারের নির্বাচনে বহুমুখী লড়াইয়ে প্রার্থীরা তাদের জনপ্রিয়তা গ্রহণযোগ্যতা এবং সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েই ভোটে জয়ী হবে ধারনা সকলের।
ক্ষমতাসীন দলের প্রতীক বরাদ্দের পরপরই কুমিল্লা ৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র, তরুণ, জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন ভোটের মাঠে।
পুনরায় নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান এমপি প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান আছেন শক্তিশালী অবস্থানে। দলের সিনিয়র নেতাদের অধিকাংশই রয়েছেন তার সাথে।

#সাজ্জাদ হেসেন
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পূর্ব থেকে বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সাথে স্বার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্নয়। নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিতি ধরে রাখার পাশাপাশি, বিরোধীদের মোকাবেলায় রাজপথে সরব অবস্থানে থাকা নেতাদের মাঝে ক্ষমতাসীন দলটির যে ক’জন নেতা রয়েছেন তাদের মাঝে অন্যতম একজন সাজ্জাদ হোসেন। রাজনীতি ও ভোটের মাঠে অভিজ্ঞ খেলোয়ার তিনি। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশের পর নেতৃত্বে নিজের বলিষ্ঠ ভুমিকার করানে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত এমপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু’র আস্থাভাজন সহচর হিসেবে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে তরুণ বয়সেই দু’বার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে বিশেষ ভুমিকা রেখে দুই উপজেলাতেই গড়ে তুলেছেন বিশাল কর্মী বাহিনী। জেলা ও উপজেলার রাজনীতিতে সরব এই আওয়ামী লীগ নেতা বুড়িচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উপজেলায় শিক্ষার প্রসার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক উপজেলা পরিষদ, জনসেবার পরিধি বৃদ্ধির মাধ্যমে সফল উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে খ্যতি অর্জন করেন। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে স্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বীকৃতিস্বরুপ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরস্কৃতও হন। একাধিক স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলমতের উর্ধে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত ও প্রিয়মুখ হয়ে উঠেছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হলেও দলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন সবসময়। দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির শতভাগ প্রত্যাশা ছিলোয় ছিলেন তিনি তার নেতাকর্মীরা। দলের মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে অংশ নিতে আগে থেকেই নেতাকর্মীদের অনুরোধ ছিলো। নিজস্ব ও দলীয় নেতাকর্মীদের বিশাল একটি অংশ রয়েছে তার সাথে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ২৭ নভেম্বর সোমবার (নিজ বাড়ি) বাকশীমুল এলাকায়। নির্বাচনী প্রচারণার প্রাথমিক সূচনা সভাটি নেতাকর্মীদের উপস্থিততে বিশাল জনসভায় পরিনত হয়। আর এ থেকে অনেকেরই ধারণা, আটঘাট বেঁধেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন ভোটের মাঠে পুরোনো ও অভিজ্ঞ আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হেসেন। পছন্দের নেতাকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীরাও কোমরে গামছা বেঁধে নামার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছেন বলেই জানা যায় তাদের সাথে কথা বলে।

#শওকত মাহমুদ
ক্ষমতাসীন দলের আন্তকোন্দল, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হেভিওয়েট একাধিক প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নিজ পুরোনো ও প্রধাণ বিরোধী দলের প্রার্থী না থাকা। এই তিন ট্রামকার্ডই নির্বাচনে সফলতা আনতে পারে এমন ধারনা অনেকেরই। এছাড়াও পরিবর্তন প্রত্যাশী ভোটারদের বিষয়টি যুক্ত হচ্ছে সাথে। এসব মিলিয়েই শিকে ছিড়ে পরতে পারে বিএনপির সিনিয়র সাবেক (বহিস্কৃত) ও হেভিওয়েট নেতা শওকত মাহমুদের হাতে। জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে নির্বাচনী প্রচারণাও চালাচ্ছেন। সবকিছুর হিসেব মিলিয়েই মাঠে নামছেন অভিজ্ঞ এই নেতা ও তার কর্মীরা। তৃণমূল বিএনপি বা কোন রাজনৈতিক দলের নয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করবেন তিনি। দেখে বুঝে ভোটের মাঠে ❝লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড❞ ঠিক থাকলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও বিজয়ী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি ও তার সমর্থকরা।

#এহতেশামুল হাসান ভূইয়া রুমী
অপর দিকে ভোটের মাঠে নতুন হলেও আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক মহল ও স্থানীয় নির্বাচনী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে জানান দিয়ে কাজ করছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সহ-সম্পাদক। নির্বাচনী এলাকা বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি ও তার কর্মী সমর্থকগণ । দীর্ঘদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা পাশাপাশি রাজনৈতিক সাংগঠনিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন । দলীয় মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনের মাঠে লড়াইয়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলেই জানন তিনি। বিশেষ করে এই আসনের তরুণ ও নবীদের মাঝে ভালোই জনপ্রিয়তা রয়েছে তার। এছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু অংশের সমর্থন তো রয়েছেই।

#জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী
প্রথমে ইউপি চেয়ারম্যান পরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান তিনি। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি মরহুম মতিন খসরু নিকটতমদের অন্যতম একজন তিনি। বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা মসজিদ নির্মাণ সহ ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় অবকাঠামোগত উন্নয়নে যথেষ্ট ভুমিকা রয়েছে তার। সুদীর্ঘ ৫৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে নিজের এবং জাতীয় নির্বাচনে দলীয় ভাবে নির্বাচন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। আওয়ামীলীগের একটি অংশ সেই সাথে স্থানীয় ও নিজস্ব নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে তাদের অনুরোধেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তিনিও। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রবীণ নেতা বীর মুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর খান চৌধুরীর স্থানীয় নিজস্ব একটি ভোট ব্যাংক যেমন আছে তেমনি ভোটের মাঠে নির্বাচনী অভিজ্ঞতা এবং জনপ্রিয়তাও রয়েছে। রাজনীতির মাঠে পুরোনো এই প্লেয়ারও ভোটের খেলায় জয়ী হবেন বলেই আশা তার অনুসারীদের।

#আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু জাহের
কুমিল্লা দঃ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমান ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তিনি। বড় ভাই মরহুম (সাবেক) উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহেরের মৃত্যুর পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ্ব আবু জাহের। আওয়ামিলীগের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং নির্বাচনে প্রার্থীতার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও আরো কয়েকজন নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত এই আসনে যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে মাঠে ময়দানে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন ভোটের আসল লড়াইটা হবে তাদের মধ্যেই। নির্বাচনে অংশ গ্রহনের ঘোষণা দেয়া প্রার্থীদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা গেছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ, প্রার্থী ও সমর্থক নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা, এবং ভোটের মাঠে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত ও আশ্বস্ত হওয়া গেলে জয় পরাজয় যাই হোক ভোট গ্রহণ, গননা ও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত উল্লেখিত সকলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে থাকবেন।

#জাহাঙ্গীর আলম
জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত প্রার্থী তিনি। এলাকায় খুব বেশী পরিচিতি না থাকলেও দলীয় মনোনয়নে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে থাকছেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৯টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি। সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসন থেকে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন (লাঙ্গল) পেয়েছেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।

জেলা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন নং- ২৫৩ কুমিল্লা – ৫ (বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া) আসনটিতে দুটি উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭৫১ জন, এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৩৭৬ জন এবং নারী ২ লাখ ১০ হাজার ১০৭ জন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর।

অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২২ পিএম
অস্তিত্ব সংকটে ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের বিরবাগ গোয়ালী ও দুর্গাপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খিড়াই নদী কচুরিপানা ও আবর্জনায় প্রায় সম্পূর্ণ ঢেকে গেছে। নদীর বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে কচুরিপানা ও বর্জ্য জমে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে স্থানীয় পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। নদীটি দূষণমুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন ও পরিবেশকর্মীদের সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাপা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান তালুকদার খিড়াই নদীর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। নদী ও জলাধারকে কচুরিপানা ও বর্জ্যমুক্ত করে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ ও আলোচনা সভা আয়োজনের স্থান নির্ধারণ করতেই এ পরিদর্শন করা হয়।

বাপা কেন্দ্রীয় কমিটির আজীবন সদস্য, কুমিল্লা জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও দাউদকান্দি উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা পরিবেশবিদ অধ্যাপক মতিন সৈকত এবং উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম স্বপনের পরামর্শক্রমে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দা, নৈয়াইর সাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক এবং বাপা দাউদকান্দি শাখার উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন সিকদারের সঙ্গে বাপা নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেন। এ সময় নদীর বর্তমান অবস্থা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দ্রুত কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাপা দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, নদী শুধু জলপ্রবাহ নয়; এটি প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। খিড়াই নদীকে বাঁচাতে নিয়মিত পরিচর্যা, নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ এবং দ্রুত কচুরিপানা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ও নির্মল পরিবেশ গড়ে তুলতে দল-মতনির্বিশেষে স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীরা আশা করছেন, প্রশাসনিক সহায়তা ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে খিড়াই নদী থেকে কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ করে এর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম
পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়ির টিনের বেড়া ও জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর, ভবনের পাশে মাটি কেটে ঝুঁকি তৈরি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন। উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের জগমোহনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শীতলিয়া মৌজায় আব্দুল কুদ্দুছের বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগ-বণ্টনের পর তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ অংশ ভোগদখল করে আসছেন। তবে সম্পত্তির একটি অংশ নিয়ে তাঁর সৎ ভাই আব্দুল ওয়াদুদের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে আব্দুল ওয়াদুদসহ কয়েকজন ব্যক্তি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জন বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে গিয়ে আব্দুল কুদ্দুছের বসতবাড়ির চারপাশের টিনের বেড়া ও জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর করেন। এ সময় পাকা বসতঘরের পূর্ব পাশে মাটি কেটে নেওয়া হয়। এতে দোতলা ভবনটি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিযোগকারী। বাধা দিতে গেলে তাঁকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তি সুষ্ঠুভাবে ভাগ-বণ্টন করে যার যার অংশ বুঝে নেওয়ার জন্য তিনি একাধিকবার অনুরোধ করেছেন। তাঁর দাবি, সৎ ভাই নিজের অংশ অন্য মৌজায় নিয়ে প্রায় ২০ বছর আগে বিক্রি করেছেন। অন্যদিকে, তিনি প্রায় ৪০ বছর ধরে এই জমি ভোগদখল করে আসছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, তিনি তাঁর বাবার প্রথম সংসানের ছেলে। তাঁর দাদা মারা যাওয়ার আগেই বাবা মারা যান। এরপর সৎ ভাই-বোনসহ ১০ জনের সংসারের খরচ তিনি কষ্ট করে চালিয়েছেন। বণ্টন অনুযায়ী ওই জমিতে তাঁর অংশ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ভাইয়েরা নিজেদের অংশে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। ২০২৩ সালে আর্থিক সংকটের কারণে নিজের অংশের জমি খারিজ খতিয়ান করে বিক্রি করেছেন। জমি নিয়ে তাঁর ভাইয়েরাই ঝামেলা করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ভেকু দিয়ে মাটি কাটার বিষয়ে ফারুক বলেন, নিজের পৈতৃক সম্পত্তিতে বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি কেটে ভরাট করছেন তিনি। কুদ্দুছের ঘরের পেছনে প্রায় ১০ ফুট জায়গা রেখে মাটি কাটা হচ্ছে। ভবনের ক্ষতি করার কোনো অসৎ উদ্দেশ্য তাঁর নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, উজিরপুর ইউনিয়নের শীতলিয়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেবীদ্বারে ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন; ওসি ও এসআই অজয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

মো: বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ এএম
দেবীদ্বারে ন্যায় বিচারের দাবীতে মানববন্ধন; ওসি ও এসআই অজয়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

আমি আমার স্ত্রী হত্যার বিচার চাই। পুলিশি হয়রানির আতঙ্কে আমার স্ত্রী হাসনা বেগম (৫৬) হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। অর্থের অভাবে আমার স্ত্রীর উন্নত চিকিৎসা করাতে পারি নাই। প্রতিপক্ষের টাকার গরমে থানা পুলিশ আমাদের মামলা নেয় নাই। আসামীরা সহজে জামিন পেতে এবং মামলা থেকে খালাস পেতে নিলাফুলা-জখম দেখিয়ে নিজ মনগড়া এজাহার লিখে আমার ছেলের স্বাক্ষর নিয়ে মামলা রুজু করে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার নিউমার্কেট মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের স্বাধীনতা স্তম্ভের সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত মানববন্ধন চলাকালে নিহত হাসনা বেগমের স্বামী আব্দুল আজিজ এসব কথা বলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে মাছ ধরার সময় তর্কাতর্কি কেন্দ্র করে দেবীদ্বার পৌরসভার ভোষণা গ্রামের আব্দুল আজিজের বাড়িতে ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নবী নেওয়াজ সহ বহিরাগত সন্ত্রাসী হামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারপূর্বক বিচারের দাবিতে এবং একই ঘটনায় থানা পুলিশের যোগসাজশে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসীর আয়োজনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে আব্দুল আজিজ আরো বলেন, প্রতিপক্ষের মামলা গ্রহণ করে আমাদের হয়রানি করে। ওই মামলার তদন্তে ৬ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্রী অজয় চক্রবর্তী বাড়িতে এসে আমার ছেলে (মামলার বাদী) আল আমিন ভ্যান চালিয়ে মামলা চালাতে পারবে না বলে, মামলা তুলে নিয়ে মিমাংসায় চলে যেতে চাপ দিতে থাকেন, বয়স হলে দাত এমনিতেই পড়ে যাবে, তাদের কথা-বার্তায় আমার স্ত্রী সন্তানদের গ্রেফতার আতঙ্কে হার্ট এটাকে ৩ দিন চিকিৎসাধীন থেকে ৯ অক্টোবর কু.মে.ক হাসপাতালে মারা যান।

মো. শাহজালাল বলেন, আক্তার হোসেনের ছেলে শুভ বাড়ির পাশে আমাদের একটি গর্ত সিচে মাছ ধরছিল, ঐসময় একই বাড়ির মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ট্রাক্টর চালক নবী নেওয়াজ (৩৮) শুভর মাছগুলো ফেলে দেয়। এ নিয়ে শুভ ও নবী নেওয়াজের মধ‍্যে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় ২০ অক্টোবর বিকেলে নবী নেওয়াজ ৬টি সিএনজি যোগে বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসী প্রায় ৫০/৬০ জন নিয়ে তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা, ভাংচুর, লুটপাট চালায়।
আবদুল আজিজের ছেলে গুরুতর আহত আক্তার হোসেনের স্ত্রী শাহিনা বেগম বলেন, আমার স্বামী তাদের কাছে হাত জোর করে-আব্বা ডেকেও রক্ষা পায়নি, আমার ছেলে শুভ তার বাবাকে আর না মারতে প্রাণ ভিক্ষা চায়, তাকেও কুপিয়ে গুরতর আহত করে, আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকেও মারে, আমি আমার স্বামী ও সন্তানের প্রাণ ভিক্ষা চাইতে গেলে ওরা আমাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আমার স্বামী তাদের মারধরে ঘরে পয়খানা- প্রশ্রাব করে দেয়। তারা আমার স্বামীর নিচের চোয়ালের তিনটি দাত ভেঙ্গে ফেলে, কুপিয়ে গুরুতর জখম করে মৃত ভেবে ফেলে যায়। আমার স্বামীর পায়ের অংশে কাটায় ৩৮ টি সেলাই দিতে হয়, ৩টি দাত ফেলে দিলেও এসব কথা মামলায় উল্লেখ করেনি। মামলায় ফুলা জখম দেখিয়েছে। অর্থাভাবে স্বামীর চিকিৎসা করতে পারছিনা, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম অসুস্থ‍ স্বামী কাজে যেতে পারছেনা, তাই আজ প্রায় একমাস আমরা মানুষের সহায়তায় অর্ধাহার অনাহারে আছি। ভবিষ‍্যৎ কি হবে জানিনা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কাজী লোকমান হোসাইন, মোঃ আউয়াল খাঁন, মোঃ শাহজালাল, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ভুক্তভোগী পরিবার থেকে আব্দুল আজিজ, শাহিনা বেগম, কামরুল হাসান প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, মাছ ধরা নিয়ে হাতাহাতি ও বাকবিতন্ডায় বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে একটি দরিদ্র পরিবারকে মারধর, হামলা ও ঘরবাড়ি ভাংচুর এবং লুটপাট করে নিঃস্ব করে দিয়েছে নবী নেওয়াজ, আব্দুল কাদের,দুলাল মিয়া, রাকিব@সাগর ও মো: ওমরসহ তার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা। অতি দ্রুত আসামী পক্ষের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান। তাদের দাবী না মানা হলে পরবর্তীতে বৃহৎ আন্দোলনের হুশিয়ার দেন।

এবিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, মামলার এজাহার ওনারা লিখে এনেছেন। আমরা মামলা রেকর্ড পূর্বক আসামী আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছি, বিজ্ঞ আদালত যদি আসামীকে জামিন দেয় সেক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার নেই। মামলার এজাহারে যদি দাঁত পরার বিষয় বা অন্য কোন গুরুতর জখমের কথা বাদ পরে থাকে তদন্তে এড করে দেওয়া যাবে সমস্যা নেই। তাছাড়া মারামারির ঘটনায় কাউন্টার মামলা হয়, যা অপর পক্ষ করেছে।

×