বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

থানায় মাদকের হাট!

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১:২৩ পিএম
থানায় মাদকের হাট!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

 

 

গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকে ডানপাশ দিয়ে কিছুদূর গেলেই থানার মূল ভবনের পেছনে মালখানা। সেখানে বস্তাভর্তি গাঁজা। পাশে সাজানো ফেনসিডিলের বোতলও। সেখান থেকেই এ প্রতিবেদকের কাছে গাঁজা বিক্রি করলেন সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। সঙ্গে ফ্রি হিসেবে দিলেন এক বোতল ফেনসিডিল। এমন চিত্র কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার ভেতরে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রধানের কঠোর হুশিয়ারির মধ্যেই আমাদের সময়ের অনুসন্ধানে থানার ভেতরে মাদক বিক্রির এমন চিত্র উঠে এসেছে। থানা কম্পাউন্ডের ভেতরে পুলিশের এমন ভূমিকাকে দুঃখজনক বলছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কোতোয়ালি থানার ওসির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চলছে মাদকের এমন বিকিকিনি। এই টাকার ভাগ জেলা পুলিশের ওপরের কর্তারাও পাচ্ছেন। সালাউদ্দিন নিজেকে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিলেও তিনি পুলিশের কেউ নন। তবে অলিখিতভাবে থানার অনেক কাজেরই হর্তাকর্তা তিনি। মাদক বিক্রি থেকে শুরু করে অনেক অবৈধ কাজেই তার হাত রয়েছে। পুলিশের আটক করা মাদক থানার ভেতরে বিক্রির অলিখিত দায়িত্বও সালাউদ্দিনের ওপর ন্যস্ত।

প্রতিবেদকের কাছে আগেই তথ্য ছিল সীমান্তবর্তী জেলা কুমিল্লার কয়েকটি থানার ভেতরে মাদক বিক্রি হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অবৈধ চালান আটকের পর তার একটি বড় অংশই পুলিশ বিক্রি করে দিচ্ছে। তবে শোনা কথা কান না দিয়ে প্রতিবেদক নিজেই সরেজমিন দেখতে চাইলেন থানায় মাদক বিক্রির চিত্র। স্থানীয় কয়েকজন সোর্সের সহায়তায় সালাউদ্দিনের সঙ্গে মাদক কেনার চুক্তি হল। কথা অনুযায়ী থানার গেটে পৌঁছলে প্রতিবেদককে ভেতরে নিয়ে যান সেই সালাউদ্দিন।

গাঁজা ‘পাতা’ ও ফেনসিডিল ‘মিষ্টি’ ছদ্মনামে পরিচিত কুমিল্লায়। থানার মালখানার ভেতরেই কথা হয় সালাউদ্দিনের সঙ্গে। কত কেজি গাঁজা দিতে পারবেন জানতে চাইলে সালাউদ্দিন উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, আপনার কত কেজি লাগবে? ৫০ কেজি পর্যন্ত দিতে পারব। প্রতি কেজির দাম পড়বে তিন হাজার টাকা। থানার বাইরে এনে ডেলিভারি দিতে পারবেন বলে জানালেন তিনি। পরে প্রমাণ রাখতে সালাউদ্দিনের কাছ থেকে নমুনা হিসেবে এক হাজার টাকার গাঁজা কেনেন এই প্রতিবেদক। এ সময় কয়েকদিন পর ইয়াবাও দিতে পারবেন বলে জানান সালাউদ্দিন।

নমুনা গাঁজা নিয়ে এই প্রতিবেদক চলে আসেন থানা থেকে। পরদিন সালাউদ্দিন গাঁজার বড় চালান কখন নিতে চাই তা জানতে আবারও ফোন করেন এই প্রতিবেদককে। কিছু সময় পর জানানোর কথা বলে আপাতত তাকে আশ্বস্ত করেন প্রতিবেদক।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কোতোয়ালি থানায় মাদক বিক্রি চলে নিয়মিত। বেশ কয়েকটি চক্র নিয়মিত সেখান থেকে মাদক কিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করছে। খুচরা ক্রেতার কাছেও বিক্রি করা হচ্ছে এসব মাদকদ্রব্য। এ ছাড়া নীরিহ লোকজন ধরে এনে নিয়মিত টাকা আদায়ও এ থানার নিয়মিত চিত্র।

তবে থানার ভেতরে মাদক বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আবু সালাম মিয়া ক্ষেপে যান। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, কুমিল্লায় এত সাংবাদিক থাকতে আপনি কেন ঢাকা থেকে অনুসন্ধানের জন্য এলেন? আর থানার ভেতরে এত পুলিশ কর্মকর্তা থাকতে সেখানে মাদক বিক্রি করা সম্ভব কিনা এমন প্রশ্ন প্রতিবেদকের দিকে ছুড়ে দেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকে থানার ভেতরে মাদক বিক্রির কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, থানার ভেতরে মাদক বিক্রি অসম্ভব মনে হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

থানায় মাদক ব্যবসার এমন চিত্র নিয়ে কথা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিক্টিমোলজি অ্যান্ড রেসটোরেটিভ জাস্টিস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হকের সঙ্গে। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা। যারা এটি নিয়ন্ত্রণ করবেন সেই পুলিশেরই কেউ কেউ মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন। এখন তো সেটি প্রমাণও হচ্ছে। নতুন আইজিপি পুলিশ সদস্যদের মাদক ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। কিন্তু এখন দেখার বিষয় হল, সেটি তিনি কতটা বাস্তবায়ন করতে পারেন।

গত রবিবার পুলিশ সদর দপ্তরে ত্রৈমাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা মাদক বাণিজ্যে পুলিশের কোনো কোনো কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য তুলে ধরে সমালোচনা করেন। এসপি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, কতিপয় রেঞ্জ ডিআইজিরা ওসি পদায়নে ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেন। আবার কোনো কোনো পুলিশ সুপার এসআই, এএসআই ও কনস্টেবল পদায়নে ঘুষ নেন। এ ঘুষের টাকা উঠাতে গিয়ে ওসি থেকে শুরু করে নিচের পদের সদস্যরা মাদক বাণিজ্যসহ নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। এতে মাদক বাণিজ্য বন্ধ করা যায় না।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, মাদক বাণিজ্য বন্ধ করতে হলে ওসি থেকে নিম্নপদে কর্মরতদের পদায়নে ঘুষ লেনদেন বন্ধ করতে হবে। পরে সভায় নতুন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী মাদক ব্যবসায় পুলিশ সদস্যরা যুক্ত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি দেন।

সূত্র : দৈনিক আমাদের সময়

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×