রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

পিরোজপুরে সাংবাদিক সোহেল সরদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ক্ষুব্ধ সাংবাদিক সমাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:২২ পিএম
পিরোজপুরে সাংবাদিক সোহেল সরদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, ক্ষুব্ধ সাংবাদিক সমাজ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

দৈনিক স্বাধীন বাংলা পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার, পিরোজপুর জেলা জার্নালিষ্ট ক্লাবের সহ সভাপতি, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের নির্বাহি সদস্য সোহেল সর্দার সহ ৩ সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে পিরোজপুরের সিনিয়র চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে হয়রানীরমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানহানী মামলা দায়েরে ক্ষুব্ধ হয়েছেন পিরোজপুরের সাংবাদিক সমাজ। মামলাটি করেছেন ভান্ডারিয়ার মিনু আক্তার নামে এক মহিলা। মামলা দায়েরের পর সাংবাদিক সংগঠনের মাঝে নিন্দা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামের মিনু আক্তার গত ২৯ আগস্ট চিকিৎসাসেবা নেওয়ার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। যথারীতি টোকেন সংগ্রহ করে চিকিৎসককে দেখিয়ে ঔষুধ নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় হাসপাতালের নার্স আরিফা আক্তার তার ভিডিও করে সাংবাদিকদের দেন এবং সাংবাদিক সোহেল সরদার সহ আরও ২ সাংবাদিক প্রশাসনের কাছে খরর দিলে প্রশাসনের লোক তার ব্যাগ তল্লাশি করে টোকেন ব্যতিত অন্য কোনো ঔষধ না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেন। এতে মিনু আক্তারের মান-সন্মান ক্ষুন্ন হয়েছে বলে নার্স আরিফা আক্তার, দৈনিক কলমের কন্ঠের লোকমান হোসেন, দৈনিক আমাদের বরিশাল ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি শাহজাহান হোসেন, সোহেল সরদারকে বিবাদী করে পিরোজপুর আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রকৃত ঘটনা হলো- নার্স মনি আক্তারের সহযোগিতায় মিনু আক্তার হাসপাতালের ইনডোরে স্টোরে প্রবেশ করে করলে ইনডোরের ভেতরের একটি ভিডিও তাৎক্ষণিক সাংবাদিকদের কাছে চলে আসে। তখন সংবাদিক সোহেল সরদার সহ অন্যান্য সংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যান এবং ভিডিওটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা নারী ধরকে ভিডিওটি ফরোয়ার্ড করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিদের্শে থানা পুলিশের একটি টিম এসে সাংবাদিকদের সামনে মিনু আক্তারকে কোন রকম তল্লাশি না করে তার কাছে সরকারী ওষুধ আছে কি না জানতে চেয়েছেন। তখন মিনু আক্তার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, টোকেনে মাধ্যমে আউটডোর থেকে কিছু ওষুধ নিজের জন্য নিয়েছি।

সাংবাদিক সোহেল সরদার জানান, ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম, এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের অনিয়ম নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করায় গুটিকয়েক অসাধু কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে মিনু আক্তারকে দিয়ে হয়রানীমুলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। যে ভিডিও ফুটেজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছেন তাতে স্পষ্ট দেখা যায় ইনডোরের মেডিসিন স্টোর রুমে নার্স মনি আক্তার মিনু আক্তারকে মেডিসিন স্টোর রুমে প্রবেশ করেন যেটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ম বহির্ভূত। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টি এইচ ও মোঃ মুফতি কামাল হোসেন, আর এম ও কামাল হোসেনকে বলেন- ইনডোরে মেডিসিন স্টোর রুমে সাধারণের প্রবেশ নিষেধ। এখানে প্রশ্ন থেকে যায় তাহলে মিনু আক্তার নার্স স্টোর ইনচার্জ কেন ওই মহিলাকে নিয়ে মেডিসিন স্টোর রুমে গিয়েছিলেন?
এবং মামলায় যে দোকানে তল্লাশি করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেই দোকানের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায় মিনু আক্তারের ব্যাগ কেউ তল্লাশি করেনি। অতএব এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং হয়রানিমূলক।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম(বিএমএসএফ) কেন্দ্রীয় সভাপতি শহিদুল ইসলাম পাইলট, সিনিয়র সহ সভাপতি ও দেশ বাংলার সম্পাদক সাইদুর রহমান রিমন, সাধারণ সম্পাদক জসিম মাহমুদ, সার্ক জার্নালিষ্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপাটারের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সম্পাদক নাজমা সুলতানা নীলা সহ পিরোজপুর জেলা ও ভান্ডারিয়া উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মিথ্যা ও হয়রানী মুলক মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন।

 

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: উন্নত সেবার প্রত্যয় এবং ভোজন রসিকদের জন্য অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে রুচিশীল, সুস্বাদু ও টাটকা খাবার পরিবেশনের অনঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া-মুনাজাত এর মাধ্যমে ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অগ্রীম অর্ডার নিয়ে যেকোনো স্থানে উন্নতমানের সকল খাবার সরবরাহ করা সহ সদ্য উদ্বোধনকৃত এ হোটেলে আধুনিক ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন কমিউনিটি সেন্টার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য হলরুম বুকিং এর সু-ব্যবস্থা রয়েছে। মহাসড়কের পাশেই নয়নাবিরাম পরিবেশে এর অবস্থান হওয়ায় দূর-দুরান্তের ভোজন রসিকরাও এখানে খাবার খেতে ছুটে আসবেন বলে হোটেল কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মিয়াবাজার এলাকায় মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের পশ্চিমপাশে নবনির্মিত ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি। অনুষ্ঠানে দোয়া-মুনাজাত পরিচালনা করেন কুমিল্লা আলিয়া মাদরাসার সাবেক হেড মুহাদ্দিস হযরত মাওলানা মো. আবদুর রাজ্জাক।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি বলেন, এটি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়। তথাপিও শুনলাম এ প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে একটি মহল রাজনীতি করার অপচেষ্টা করেছে। বিষয়টি বেশ দুঃখজনক। এ প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ফলে স্থানীয় অন্তত ২০০ লোকের সুন্দর একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। অবস্থা বুঝে মনে হচ্ছে, কারো কারো এটি সহ্য হচ্ছে না। রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হতে হবে মানুষের কল্যাণ করা। এমপি হবো, চেয়ারম্যান হবো, মাস্তানি করা; এগুলো রাজনীতি নয়। রাজনীতি হচ্ছে সবচেয়ে অভিজাত একটি কাজ। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে অত্যন্ত সুন্দর-মার্জিত। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে মানুষের জন্য শিক্ষনীয়। রাজনীতি আর মাস্তানি একসাথে চলে না। সুতরাং, যে দলই আপনি করুন না কেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করুন। আসুন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা যেন এ চৌদ্দগ্রামকে একটি মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত আধুনিক চৌদ্দগ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, সেলক্ষ্যে জনকল্যাণমুখী কাজ করি।

ডা. তাহের আরও বলেন, এখানে এসেই আমি বেশ আনন্দিত হয়েছি। এখানে হযরত ওলামায়ে কেরামদের বিশাল একটা উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ অনুষ্ঠানের বদৌলতে তাদের সাথে আমার সাক্ষাতও হয়ে গেলো। আমার বাবাও একজন আলেম ছিলেন। সুতরা, জন্মগতভাবেই হযরত ওলামায়ে কেরামদের প্রতি সবসময় আমার একটা দুর্বলতা ও ভালোবাসা কাজ করে। উনাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করায় আমি হোটেল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। নিঃসন্দেহে এটিও একটি ভালো ও প্রশংসনীয় কাজ।

তিনি উপস্থিত লোকজনের নিকট প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, এ প্রতিষ্ঠানটি কোন দলের? আওয়ামী লীগের? বিএনপির? জামায়াতে ইসলামীর? না। প্রতিষ্ঠান কোনো দলের হয়না। এটি এলাকার সকল মানুষের। এখানে মানুষ অর্থের বিনিময়ে সেবা গ্রহণ করবে। এটি সার্বজনিন প্রতিষ্ঠান। যারাই উদ্যোগ নেন, তারা সমাজসেবার মানসিকতায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান খোলেন। শুধু ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কখনো এমন প্রতিষ্ঠান চালু করে না। মূলত সেবার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের প্রতিষ্ঠান করা হয়। সুতরাং, আমরা এমন কোনো কাজ করবো না যাতে এ প্রতিষ্ঠান তথা এলাকার মানুষের ক্ষতির কারণ হয়। আমি এ হোটেলের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম-নাঙ্গলকোট সার্কেল) আরিফ মুহাম্মদ শাকুর, চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা জামায়াতের আমীর মুহা. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহিম, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. আলী আজ্জম, মো. হুমায়ুন কবির, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আবদুল মতিন, মাওলানা খাজা আহমেদ, টিআই মোহাম্মদ ফারুক, চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক জিএস খলিলুর রহমান মজুমদার, উজিরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হাশেম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল হাশেম, জামায়াত নেতা শাহ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. আমির হোসাইন, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব এর সুযোগ্য সন্তান ইকবাল মাহমুদ, ইকরাম মাহমুদ, ইমরান মাহমুদ সহ এলাকার বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিপদে মানুষের ভরসা -নেতৃত্বে আলোচনায় দানবীর জুনাব আলীর উত্তরসূরি গোলাম সারোয়ার

কুমিল্লার ডাক ডেস্ক।। প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৭ এএম
বিপদে মানুষের ভরসা -নেতৃত্বে আলোচনায় দানবীর জুনাব আলীর উত্তরসূরি গোলাম সারোয়ার

 

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার ও আশপাশের এলাকায় বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক কর্মকাণ্ডে পরিচিতি পেয়েছেন মো. গোলাম সারোয়ার। শিক্ষা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী দানবীর হাজী জুনাব আলী পরিবারের উত্তরসূরি হিসেবে তিনি সেই সেবার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে গোলাম সারোয়ারের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান স্থানীয় সাধারণ মানুষের একটি অংশ।

বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. গোলাম সারোয়ার কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি এবং মহানগর দোকান মালিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ফাইন টাওয়ারের চেয়ারম্যান। এছাড়া কয়েকটি কমপ্লেক্সের পরিচালকের দায়িত্বেও রয়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গোলাম সারোয়ার সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর আলাদা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে গোলাম সারোয়ার নিজেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এলাকার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সচেতনতা কার্যক্রম, খেলাধুলার প্রসারে সহযোগিতা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসায় সহায়তা এবং শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়মিত অনুদান দেওয়ার কথাও জানান স্থানীয়রা।

করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন সংকটময় সময়ে নিজ উদ্যোগে সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কথাও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। তাঁদের মতে, মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার মানসিকতাই গোলাম সারোয়ারকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
স্থানীয় ভোটার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতে, এলাকার উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, গোলাম সারোয়ারের সততা, নম্রতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তাঁকে স্থানীয়দের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

নিমসার ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, গোলাম সারোয়ার আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে এলাকার উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটবে।
এদিকে স্থানীয়দের প্রত্যাশাকে ঘিরে গোলাম সারোয়ারের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে নিমসার ও আশপাশের এলাকায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিপদে মানুষের পাশে থাকার যে পরিচয় তিনি গড়ে তুলেছেন, সেটিই এখন সম্ভাব্য নেতৃত্বের দৌড়ে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

×