সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

“মৌসুমী সাংবাদিকদের” দাপটে কুমিল্লার মানুষ অনেকটাই অসহায়

শান্তনু হাসান খান : প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুন, ২০২২, ৩:০৭ পিএম
“মৌসুমী সাংবাদিকদের” দাপটে কুমিল্লার মানুষ অনেকটাই অসহায়
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুসিক নির্বাচনকে পুঁজি করে এখন কুমিল্লার নির্বাচনী মাঠে ‘মৌসুমী রিপোর্টার’দের পদচারনায় সাধারণ মানুষ আর সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রতিনিয়ত ধোকায় পড়ছেন আর সম্মানি বাবদ টাকা পয়সাও হারাচ্ছেন।
এদিকে মনোনয় জমা দেয়ার প্রথম দিবস থেকে আজ অব্দি ওই সকল তথাকথিত ‘মৌসুমী সাংবাদিকরা বেশ বহাল তবিয়তে নির্বাচনী মাঠকে উত্তপ্ত করে রেখেছেন। এদের কোনো শিক্ষা বা সাংবাদিক প্রশিক্ষণ নেই বললেই চলে। কালে ভদ্রে প্রেস ক্লাবের সহযোগিতায় কিংবা অন্য কোন মাধ্যমে দু’চারটি ওয়ার্কসপে প্রশিক্ষণের সার্টিফেকেট তারা সংগ্রহ করেছে। এর চেয়ে বেশি নয়। তাদের নেই কোনো জানা পিআইবি থেকে সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ। এরা শুধু মক্কেল পাকড়াও করার ধান্দাবাজী টা বেশ পারদর্শী। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভাড়া করা ক্যামেরা আর একটি ‘বোম্ব’ (মাইক্রোফোন) যোগাড় করে লগো সেঁটিয়ে পাবলিকের কাছে হাজির হতে দেখা যায়। অনেক সময় সরকারি-বেসরকারী অনুষ্ঠানে এদের দাপট এমনভাবে পরিদর্শন করে মনে হয়-এরা ন্যাশনাল চ্যানেলের একেক জন মহারথি। মিডিয়াতে তাদের প্রচন্ড সুনাম আছে। অথচ বিন্দুমাত্র এ সবের ধারে কাছেও নেই তারা। কুমিল্লায় ইদানিং কয়েকটা মেয়ে সাংবাদকর্মীর দেখা মিলে। এদের নিয়ে মুখোরোচক অনেক শব্দ কানে ভেসে আসে। রাতে বেরাতে দিনে দুপুরে সার্বক্ষণিক মোবাইল ফোনে লাইভ প্রোগামের নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিজনেসটা বেশ ভালোভাবে রপ্ত করেছে। সাথে থাকে একটা অখ্যাত চ্যানেলের বোম্ব। যা দেখে মানুষ খুব সহজেই বিশ্বাস করে ধোকা খায়। ওই সকল উঠতি নব্য সাংবাদিকর্মীর নামে যারা মাঠ গরম করে রাখছে তাদের কোনো বৈধতা নেই। একটা ‘ডিমিন’ কেউ কেউ যোগার করতে পারলেও অনেকের ওয়েবসাইড অস্থায়ী ভাবে ফেস বুক পেইজ ব্যবহার করে আসছে-যা সরকারি নীতিমালার বাইরে। যে-যেভাবে পাড়ছেন চুটিয়ে সাংবাদিকতার নামে হাল্কা ব্যবসা করে যাচেছ এই নির্বাচনকে সামনে রেখে। এই মওসুমটা হয়তো জুন পর্যন্ত চলবে। কেননা নির্বাচনের শেষে এদের আর দেখা মিলবে না। মিশে যাবে আগে যেমন ছিলো- তেমনই, সেই কাতারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ওই সকল নারী পুরুষ সাংবাদিকদের তোড় জোড়ে সিনিয়র অনেক সংবাদকর্মী আর ন্যাশনাল চ্যানেলের জেলা প্রতিনিধিরা পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েন। মনে মনে ক্ষোভ প্রচুর তাদের। কি থেকে কি হয়ে গেলো এ শহরে। কুমিল্লার মিডিয়া এমন ছিল না।
নতুন ধান্দায় এসে কাজ করছে-সাংবাদিকার প্লাটফর্ম থেকে। এ জন্য কেউ কিছুই বলছেন না। যাদের বৈধতা আছে তারা চুপচাপ শুধু দেখে যাচ্ছেন- অসহায় তারা। কিছুই করার নেই। কেননা তাদের দল অনেকভারী। অনেকে মনে করছেন-এই সকল মোবাইল ফোন কেন্দ্রীক ধান্দাবাজ সংবাদকর্মী নামধারীদেরকে এখনই ঝেটিয়ে বিদায় করা উচিত। এদের মাঝে কয়েকটা উঠতি বয়সী মেয়ে আছেন – যাদের আচরণ অনেকের কাছে সন্দেহজনক। তারা আবার প্রচন্ড দাপটে অনেক স্বনামধন্য ব্যক্তিদের পাশে দাড়িয়ে নিজেদের ছবি পোস্ট করে বৈধতা আনার বৃথা চেষ্টা করছেন। হর হমেশায় তারা নিজেদেরকে অনেক প্রভাবশালী সংবাদকর্মী জাহির করলেও-যারা ওদেরকে চেনে-তারা ভালোভাবেই জানে ওরা কারা।
তাদের শিক্ষা – দীক্ষা আর মিডিয়াতে কত বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা? তা কিন্তু অনেকেই জানেন না। তাদের লেবাস, গলায় কার্ড ঝুলিয়ে, হাতে বোম্ব নিয়ে সর্বাক্ষণিক এ পাড়া থেকে ও পাড়া। এ অফিস থেকে ওই অফিস-সর্বত্রই তাদের বিচরণ। সবচাইতে মজার বিসয় জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের তালিকায় তাদের নাম না থাকলেও এরা বরাবর হাজির হয়ে যায় ওইসব অনুষ্ঠানে। প্রশাসনের কর্মকর্তারা বুঝলেও তারা কিছুই করেন না। এদের বিষয়ে এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত আর পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ বলে অনেকের মনে করেন।
ভূক্তভোগী অনেকেই বলেন, রূপকথার উপরে থাকা কুমিল্লা প্রেস ক্লাব থেকে যারা শুরু করেছিলেন তাদের মাঝে আজ অনেকেই নেই। নেই নতুন প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল ওহাব, পাশাপাশি রেজাউল করিম শামীম, বাকীন রাব্বি, নজরুল ইসলাম বাবুল, নুরুর রহমান বাবুল, সৈয়দ নুরুর রহমান, নওশাদ কবীরসহ সিনিয়র জার্নালিস্ট গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, ফলকের আফতাব আহমেদ, নিরীক্ষণের মোহাম্মদ উল্লাহ সহ অনেকেই আজ নেই। তাঁরা থাকলে আজ চিৎকার করে বলতেন কুমিল্লার সাংবাদিকদের চরিত্র কি এমনই।
সেই প্রজন্মের সাথে এ প্রজন্মের জিডিটাল সাংবাদিকদের অনেক ব্যবধান। এখানে সিনিয়র আর জুনিয়রদের থোড়াই কেয়ার করা হয়। এসব নিয়ে বাদ প্রতিবাদ করার কেউ নেই, শোনারও কেউ নেই। অনেকেই আশাবাদী কুমিল্লা প্রেসক্লাবকে কেন্দ্র করে এখন যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা আগামীতে গঠনতন্ত্রভাবে যারা নেতৃত্ব দিতে আসবেন, তাদের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মাননীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহারের নেতৃত্বে একটি সফল কমিটির মধ্যদিয়ে কুমিল্লা সাংবাদিকদের মাইলস্টোন নির্ণয় করা হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে চাই।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্ এর শুভ উদ্বোধন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: উন্নত সেবার প্রত্যয় এবং ভোজন রসিকদের জন্য অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে রুচিশীল, সুস্বাদু ও টাটকা খাবার পরিবেশনের অনঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া-মুনাজাত এর মাধ্যমে ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অগ্রীম অর্ডার নিয়ে যেকোনো স্থানে উন্নতমানের সকল খাবার সরবরাহ করা সহ সদ্য উদ্বোধনকৃত এ হোটেলে আধুনিক ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন কমিউনিটি সেন্টার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য হলরুম বুকিং এর সু-ব্যবস্থা রয়েছে। মহাসড়কের পাশেই নয়নাবিরাম পরিবেশে এর অবস্থান হওয়ায় দূর-দুরান্তের ভোজন রসিকরাও এখানে খাবার খেতে ছুটে আসবেন বলে হোটেল কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মিয়াবাজার এলাকায় মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের পশ্চিমপাশে নবনির্মিত ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর শুভ উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি। অনুষ্ঠানে দোয়া-মুনাজাত পরিচালনা করেন কুমিল্লা আলিয়া মাদরাসার সাবেক হেড মুহাদ্দিস হযরত মাওলানা মো. আবদুর রাজ্জাক।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি বলেন, এটি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়। তথাপিও শুনলাম এ প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়ে একটি মহল রাজনীতি করার অপচেষ্টা করেছে। বিষয়টি বেশ দুঃখজনক। এ প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ফলে স্থানীয় অন্তত ২০০ লোকের সুন্দর একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। অবস্থা বুঝে মনে হচ্ছে, কারো কারো এটি সহ্য হচ্ছে না। রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হতে হবে মানুষের কল্যাণ করা। এমপি হবো, চেয়ারম্যান হবো, মাস্তানি করা; এগুলো রাজনীতি নয়। রাজনীতি হচ্ছে সবচেয়ে অভিজাত একটি কাজ। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে অত্যন্ত সুন্দর-মার্জিত। রাজনীতিবিদদের ভাষা হতে হবে মানুষের জন্য শিক্ষনীয়। রাজনীতি আর মাস্তানি একসাথে চলে না। সুতরাং, যে দলই আপনি করুন না কেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করুন। আসুন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা যেন এ চৌদ্দগ্রামকে একটি মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত আধুনিক চৌদ্দগ্রাম হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, সেলক্ষ্যে জনকল্যাণমুখী কাজ করি।

ডা. তাহের আরও বলেন, এখানে এসেই আমি বেশ আনন্দিত হয়েছি। এখানে হযরত ওলামায়ে কেরামদের বিশাল একটা উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এ অনুষ্ঠানের বদৌলতে তাদের সাথে আমার সাক্ষাতও হয়ে গেলো। আমার বাবাও একজন আলেম ছিলেন। সুতরা, জন্মগতভাবেই হযরত ওলামায়ে কেরামদের প্রতি সবসময় আমার একটা দুর্বলতা ও ভালোবাসা কাজ করে। উনাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করায় আমি হোটেল কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। নিঃসন্দেহে এটিও একটি ভালো ও প্রশংসনীয় কাজ।

তিনি উপস্থিত লোকজনের নিকট প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, এ প্রতিষ্ঠানটি কোন দলের? আওয়ামী লীগের? বিএনপির? জামায়াতে ইসলামীর? না। প্রতিষ্ঠান কোনো দলের হয়না। এটি এলাকার সকল মানুষের। এখানে মানুষ অর্থের বিনিময়ে সেবা গ্রহণ করবে। এটি সার্বজনিন প্রতিষ্ঠান। যারাই উদ্যোগ নেন, তারা সমাজসেবার মানসিকতায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান খোলেন। শুধু ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কখনো এমন প্রতিষ্ঠান চালু করে না। মূলত সেবার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের প্রতিষ্ঠান করা হয়। সুতরাং, আমরা এমন কোনো কাজ করবো না যাতে এ প্রতিষ্ঠান তথা এলাকার মানুষের ক্ষতির কারণ হয়। আমি এ হোটেলের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম-নাঙ্গলকোট সার্কেল) আরিফ মুহাম্মদ শাকুর, চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা জামায়াতের আমীর মুহা. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহিম, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো. আলী আজ্জম, মো. হুমায়ুন কবির, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা আবদুল মতিন, মাওলানা খাজা আহমেদ, টিআই মোহাম্মদ ফারুক, চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক জিএস খলিলুর রহমান মজুমদার, উজিরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হাশেম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল হাশেম, জামায়াত নেতা শাহ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. আমির হোসাইন, ‘গ্রীণ ভিউ-২ হোটেল,রেস্টুরেন্ট এন্ড সুইটস্’ এর সত্ত্বাধিকারী মো. আলী আশ্বব এর সুযোগ্য সন্তান ইকবাল মাহমুদ, ইকরাম মাহমুদ, ইমরান মাহমুদ সহ এলাকার বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

×