শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

যারা ফ্যামিলি কার্ড দেখাবে এদেশের মানুষ তাদেরকে লাল কার্ড দেখিয়ে প্রত্যাখান করবে : জামায়াত সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
যারা ফ্যামিলি কার্ড দেখাবে এদেশের মানুষ তাদেরকে লাল কার্ড দেখিয়ে প্রত্যাখান করবে : জামায়াত সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসেন বলেন, ‘আমরা শুনছি চৌদ্দগ্রামে কিছু লোক বিভিন্ন জায়গায় কার্ড বিতরণ করছে। কার্ড যারা দেখাবে, তাদেরকে আজকের এ প্রোগ্রাম থেকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে গেলাম। ফুটবল খেলায় যখন কোনো খেলোয়ার অন্যায় করে রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেখায়। একই খেলোয়ার যখন বারবার একই অন্যায় করে তখন রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাহিরে বের করে দেন। ফ্যামিলি কার্ডের নামে যারা এখন চৌদ্দগ্রামের মানুষের সাথে প্রতারণা করছে আপনারা তাদেরকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে দিবেন। আগামী ১২ ফ্রেব্রæয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত শুধু এ চৌদ্দগ্রাম নয়, সারা বাংলাদেশের মানুষ এ কার্ড বিতরণকারীদের লাল কার্ড দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করবে। সুতরাং মানুষকে বোকা বানানোর অপচেষ্টা করবেন না। কার্ড বিতরণকারীদের বলবো, সাবধান হয়ে যান। মানুষের সাথে এসব প্রতারণা বন্ধ করুন। আপনারাও এলাকাবাসী ও সাধারণ ভোটারদের সাথে নিয়ে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ভাইকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে গোন্ডেন এ প্লাসে পাশ (বিজয়ী) করাবো ইনশাআল্লাহ। আমরা সে লক্ষ্যে লড়াই-সংগ্রাম করে যাবো। আপোাষহীনভাবে চলা সে লড়াইয়ে আপনারা সহযাত্রী হিসেবে থাকবেন।’

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ড ছাতিয়ানী দক্ষিণপাড়া এলাকায় ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে একটি নির্বাচনী উঠোন বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত উঠোন বৈঠকে স্থানীয় শত শত তরুন-যুবক, বয়োবৃদ্ধ পুরুষ ও নারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ড ছাতিয়ানী কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সভাপতি, জামায়াত নেতা মো. ওমর ফারুক পন্ডিতের সভাপতিত্বে ও ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাস্টার মো. মাসুম বিল্লাহ এবং জামায়াত নেতা মো. আহসান উল্লাহর যৌথ সঞ্চালনায় উঠোন বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ০৩নং ওয়ার্ড ছাতিয়ানী কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব, জামায়াত নেতা মো. কপিল উদ্দিন মোল্লা, ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি মো. নাছিরউদ্দিন পন্ডিত, জামায়াত নেতা মো. ইউছুফ পন্ডিত, ছাতিয়ানী গ্রাম ইউনিট জামায়াতের সভাপতি মো. মাহবুবুল হক মোল্লা, ওয়ার্ড যুব বিভাগের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মো. মহিন উদ্দিন মোল্লা, ওয়ার্ড জামায়াত নেতা মো. ওমর ফারুক মোল্লা শামীম, মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. কামাল উদ্দিন, মো. সাইফ উদ্দিন, মো. ওবায়েদুল্লাহ, সাইফুল ইসলাম আরিফ, ছাতিয়ানী গ্রাম ইউনিট ছাত্রশিবির সভাপতি মো. মারুফ মোল্লা, সবুজ মোল্লা, সোহাগ মোল্লা সহ স্থানীয় যুববিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মনোহরগঞ্জে নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানের সাথে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুমিল্লা মনোহরগন্জ, প্রতিনিধি ইমরান প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
মনোহরগঞ্জে নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানের সাথে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাত জাহানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ ইউএনও কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

সাক্ষাৎকালে বিএনপি নেতৃবৃন্দ নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মনোহরগঞ্জে স্বাগতম ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। একই সাথে তাঁরা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তি সুনিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে সার্বিক সহযোগিতা ও একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানও উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

×