শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

লালমাই উপজেলায় বিধবাকে ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ

লাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০২৩, ৪:৩৭ এএম
লালমাই উপজেলায় বিধবাকে ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুমিল্লা’র লালমাই উপজেলার বেলঘর উত্তর ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামের এক বিধবা গৃহবধুর ঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ভুশ্চি বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও লালমাই থানায় একাধিক সালিশ দরবার হলেও কোন সমাধান এখনো হয়নি।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত ইসরাফিল মিয়ার বিধবা স্ত্রী কোহিনুর বেগম স্বামী সন্তান নিয়ে যুগ যুগ ধরে যেখানে বসবাস করে আসছিলেন , সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে ওই জায়গা কোহিনুর বেগমের নয় । এসূত্রে ওই জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি এবং জিডি করে জায়গার মালিক আব্দুল আজিজের ছেলে জয়নাল আবদীন। বাড়ির পাশে পৌনে দুই শতক কবরস্থান ছাড়া কোহিনুর বেগমের আর কোন জায়গা না থাকায় উপায়ান্তর না দেখে কবর থেকে স্বামীর লাশ উত্তোলন করে অন্যত্র দাফন করে কবরস্থানে ঘর করার চেষ্টা করলে বাধা দেয় ওই জয়নাল আবদিন। এ নিয়ে ভুশ্চি বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও লালমাই থানায় একাধিক সালিশ হইলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি । কোহিনুর বেগম ঘর করতে না পারার কারণে রোদ-বৃষ্টিতেই বসবাস করতে হচ্ছে জরাজীর্ণ ঘরে।

এ ব্যাপারে কোহিনুর বেগম বলেন, তিন বছর আগে আমার স্বামী মারা গিয়েছে। স্বামীর ক্রয়কৃত পৌনে দুই শতক সম্পত্তি ছিল কবরস্থানে ওখানেই স্বামীকে দাফন করেছি। এখন থাকার মত জায়গা না থাকার কারণে কবরস্থান থেকে আমার স্বামীর লাশ উত্তোলন করে অন্যত্র দাফন করে ওই কবরস্থানেই ঘর করে থাকার চেষ্টা করছি , কিন্তু জয়নালদের বাধার কারণে এখানেও ঘর নির্মাণ করতে পারছি না । তিনি বলেন, মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করতে চাইলে তাদেরকে হামলা মামলার হুমকি দেওয়ার কারণে ইছাপুরা গ্রাম সহ আশপাশের কোন মিস্ত্রি এখানে কাজ করতে আসে না। ঘর করতে না পারার কারণে ঝড় বৃষ্টিতে মানবেতর জীবন যাপন করছে বলেও তিনি এ প্রতিবেদককে জানান।

বেলঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক বলেন, আমি নিজে ইছাপুরা গ্রামে গিয়ে ওই অসহায় পরিবারটি ঘর করে থাকার জন্য যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতা না আসে সেজন্য জয়নালকে অনুরোধ করেছিলাম । কিন্তু জয়নাল ওই অনুরোধটি রাখেনি। বারবার বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এই অসহায় পরিবারটির উপর নির্যাতন করে আসছে জয়নাল । অসহায় পরিবারটি ঘর করে থাকার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করার পরেও জয়নাল আমার অনুরোধটি রক্ষা করেনি এতে করে জয়নালদের মানবতা আছে বলেও আমি মনে করি না। গ্রাম সরদার মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, কোহিনুর বেগমকে ঘর করে দেওয়ার জন্য গ্রামবাসী বহু চেষ্টা করেছে কিন্তু জয়নালদের অপকৌশলের কারণে কোহিনুর বেগমকে কোথাও প্রতিস্থাপিত করা যাচ্ছে না । কোহিনুর বেগম একজন অসহায় মানুষ, তার একমাত্র ছেলে প্রায়ই অসুস্থ থাকে। দুই মেয়ে বিয়ে দিয়েছে। জামাই গুলো শ্বশুরবাড়িতে এসে বেড়ানোর জায়গাটুকু নেই। কোহিনূর স্থায়ী ঠিকানা করবে সেটাও পারছেনা । সমাজের কিছু দুষ্ট চক্রের লোক কোহিনুর কে হয়রানি ও নাজেহাল করছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক ও আমি সহ এলাকাবাসী বহু চেষ্টা করেও কোহিনুরকে প্রতিস্থাপিত করা যাচ্ছে না । তিনি বলেন, জয়নালের ছেলে পুলিশে চাকুরি করার সুবাদে কোহিনুরকে প্রতিনিয়ত অত্যাচার নির্যাতন করে আসছে । কোহিনূরের পক্ষে কেউ কথা বললে তাদেরকে হামলা মামলার হুমকি দেওয়া হয়। কোহিনূরের নির্যাতনের বিচার তিনিও দাবি করেন।

এ বিষয়ে জয়নাল আবদীন বলেন, আমার জায়গায় কোহিনূর বসবাস করছে বিধায় উচ্ছেদ করার জন্য আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। অন্যত্র তারা ঘর করলে আমার সমস্যা নাই এবং আমি বাধা দিব না।

মনোহরগঞ্জে নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানের সাথে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুমিল্লা মনোহরগন্জ, প্রতিনিধি ইমরান প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
মনোহরগঞ্জে নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানের সাথে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রিফাত জাহানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ ইউএনও কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

সাক্ষাৎকালে বিএনপি নেতৃবৃন্দ নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মনোহরগঞ্জে স্বাগতম ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। একই সাথে তাঁরা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তি সুনিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের সাথে সার্বিক সহযোগিতা ও একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নবাগত ইউএনও রিফাত জাহানও উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা কামনা করেন।

সাক্ষাৎকালে উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

×