মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

“আনারসের জোয়ারে উত্তাল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ : ইঞ্জিনিয়ার রিপনের বিজয়ের প্রত্যয়ে মুখরিত জনতা”

মনোয়ার হোসেন : প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪, ৪:৩৩ পিএম
“আনারসের জোয়ারে উত্তাল কুমিল্লা সদর দক্ষিণ : ইঞ্জিনিয়ার রিপনের বিজয়ের প্রত্যয়ে মুখরিত জনতা”
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

আসন্ন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান (রিপন) এর শনিবার  (১৮ মে) বিকেলে বারপাড়া ইউনিয়নে বিজয়পুর এলাকায়  নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হয়।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ জুড়ে আনারস মার্কার গণজোয়ার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিটি পাড়া মহল্লায় উৎসবের আমেজ বয়ে যাচ্ছে। বিজয়পুরে মানুষে মানুষে কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল জনসভা স্থল । আবাল বৃদ্ধা বনিতা সবাই আনারস প্রতীকের জনসভায় উপস্থিতি ব্যাপক লক্ষ্যনীয় ছিলো।

জনসভায় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান (রিপন) বলেন, আজ চারদিকে আনারসের গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, মানুষ আর আপনাদের চায় না। আপনাদের বিদায়ের ঘন্টা বেজে গিয়েছে। মহানগরের ভয় কোনো কাজ হবে না। ২১ তারিখ আনারসে ভোটের মাধ্যমে সকল অপশাসনের জবাব দিবে। মানুষ এখন মুখিয়ে আছে আনারস মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য। জয়ের বিষয়ের শতভাগ আশাবাদী। আ যারা  ক্ষমতায় ছিলো তারা সদর দক্ষিণে কোন উন্নয়ন  করে নাই, দুজন মিলে সদর দক্ষিণ উপজেলা খন্ড খন্ড করে লালমাই নামে উপজেলা করছেন। এই এলাকার মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন।

আমি  নির্বাচিত হলে আমার ঘোষিত ২৩ দফা ইশতেহার আপনাদেরকে সাথে নিয়ে একটি একটি করে  বাস্তবায়ন করবো।  আগামী ২১ তারিখ আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে, বিগত ১৫ বছরের সকল অপশাসনের জবাব দিবেন। তারই সাথে  সদর দক্ষিণের সকল স্কুল,  কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদের সকল পকেট কমিটি বিলুপ্ত করবো এবং  সকল প্রকার চাঁদাবাজী  বন্ধ করবো। মাদক এবং সন্ত্রাসমুক্ত করবো, ইপিজেডের বর্জ্য আসা বন্ধ করবো, এলাকার ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্মুন্নত রেখে শেখ হাসিনা সরকারের স্মার্ট ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা সাথে শামিল করবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরো বলেন, গত ১৫ বছর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান ক্ষমতায় ছিলো, কিন্তু তারা গত ১৫ বছরে তারা কোনো উন্নয়ন করে নাই। তাদের আমলে এলাকায় একফোটা উন্নয়নও হয়নি, হয়নি কোনো  সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হয়নি কোনো নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,অদূরদর্শী, অপরিপক্ক  নেতৃত্বের কারণের এই এলাকার কৃষ্টি কালচার আজ বিলুপ্তির পথে।

তিনি  হুশিয়ারি করে বলেন, নির্বাচনী এলাকায় যারা হোন্ডা এবং ভাড়া করা গুন্ডা নিয়ে মহরা দিচ্ছো, মহানগর থেকে  আমার নেতাকর্মীদের হুমকি দিচ্ছো, তোমরা ইতিমধ্যে টের পেয়েছো প্রশাসনের ভূমিকা। কয়েকজন গুন্ডা এখন এলাকা ছাড়া। প্রশাসন কঠোর অবস্থানে, এখন থেকে বহিরাগতরা নির্বাচনী এলাকায় ডুকলেই জেল দেওয়া হবে বলে দিয়েছে প্রশাসন।  কুমিল্লা উঠার ভয় দেখাইয়ো না, মনে রাখবা কুমিল্লার পর ঢাকা আছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি আব্দুর রব মজুমদার  তুহিন বলেন , রিপন একজন সৎ এবং যোগ্য ব্যাক্তি। দীর্ঘ ১২ বছর সদর দক্ষিণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,  ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে কাজ করে যাচ্ছে।  সদর দক্ষিণের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপবৃত্তি দিয়ে যাচ্ছে।  তাই আসুন সকল  ২১ তারিখ আনারস মার্কায় ভোট দিয়ে সুশাসনের সুযোগ করে দিবেন সবাই।

অনুষ্ঠানে মনির হোসেন বলেন, আমরা এতোদিন দুঃশাসনের কবলে আছি। আমরা এর থেকে মুক্তি চাই। রিপন ভাই এই সদর দক্ষিণকে সকল প্রকার দুঃশাসন দূর করবে। আসুন ২১ তারিখ আক্তারুজ্জামান রিপন ভাইকে আনারসে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আখতারুজ্জামান রিপন আওয়ামী লীগের সমর্থক হলেও গোলাম সারওয়ার ও আব্দুল হাই বাবলুর রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে আওয়ামী লীগের অনেক ভোটই রিপনের পক্ষে যাবে। এছাড়া আওয়ামী লীগ ছাড়াও অন্য দল গুলোর সমর্থনের ভোটাররাও রিপনকে বেছে নিতে পারেন।

আখতারুজ্জামান রিপন বলেন, আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোথাও কোনদিন আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করিনি। সামাজিকভাবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছে।  তাই আশা করছি দল-মত নির্বিশেষে সবাই আমাকে ভোট দিবে।

উপজেলার ৫৫ টি কেন্দ্রে আগামী ২১ শে মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৮৬৮ জন ভোটার এই উপজেলায়। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৯ হাজার ৭০৬ জন ৬৪ হাজার ১৬০ জন। হিজড়া ভোটার আছে দুজন।

এসময় নির্বাচনী সভা গুলোতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার (জিআর ওয়ারেন্ট) ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজিজুল মোঃ সম্রাট (২০) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি জিআর ওয়ারেন্ট থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার মোঃ আনিসুজ্জামান তুহিন (২২) চান্দিনা উপজেলার লেবাস এলাকার মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোবাইল কোর্ট তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গমরাহদহ এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে দিলীপ দাস (১৯) এবং রুহিয়া থানার কানীকশানগাঁও এলাকার সুশীল বর্মনের ছেলে অরূন কুমার বর্মন (১৯)-কে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবাইল কোর্ট তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত অরূন কুমার বর্মনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

×