মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সিরিজ ধর্ষক, মাদক ব্যবসায়ী ও নারী সাপ্লাইয়ার সেলিম এখন মহিলা মাদ্রাসার পৃষ্ঠপোষক!

ফয়সাল হাওলাদার, ঢাকা : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২, ৪:৩৬ এএম
সিরিজ ধর্ষক, মাদক ব্যবসায়ী ও নারী সাপ্লাইয়ার সেলিম এখন মহিলা মাদ্রাসার পৃষ্ঠপোষক!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাংলা ভাষায় একটি প্রবাদ আছে, টাকা হলে নাকি বাঘের চোখ মিলে! সেটাই প্রমাণ করে দিলেন কামরাঙ্গীচর থানার বাসিন্দা সেলিম! তিন-তিনটি ধর্ষণ এর রফাদফা করার পরে সেলিমের ধর্ষণ এর বিষয়টি এখন মামুলি ব্যাপার মাত্র! তবে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সেলিম নাম বললে চিনতে একটু কষ্ট হলেও আলুর দোষ সেলিম বললেই সবাই এক নামে চিনেন কারণ তার ধর্ষণ এর সিরিজের বিষয়ে কামরাঙ্গীরচরে সবাই অবগত। তাকে আলুর দোষ কেন বলা হয়! মানে বুঝতে পারেন-নি? তবে না বোঝারি কথা, এক দেশের গালি আর অন্য দেশের বলি; এটাই স্বাভাবিক মানে লুইচ্চা সেলিম নামে পরিচিত রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে সেটাকে আলুর দোষ নামেই মানুষের মাঝে অবহিত।

তবে এই সেলিম কৌশলে কামরাঙ্গীরচর থানার কয়েকজন পুলিশকে নিজের বাড়ীতে ভাড়াটিয়া হিসেবে রেখেছেন এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য কেনা-বেচা ও মাদকদ্রব্য ফ্রি সাপ্লাই দেন সেলিম। আর বর্তমানে সেলিম অপরাধ করলে সেগুলোকে রফাদফা করান তার বাসায় ভাড়া থাকা ভাড়াটিয়া পুলিশের মাধ্যমে।

পুরো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ২০০৮ সালে রংপুর থেকে স্বপ্ন নিয়ে ঢাকার কামরাঙ্গীচরের আসেন শারমিন, মা ফার্মেসীর এখানে ভাড়া থাকতেন তিনি। শারমিন এর বাবা রিকশা চালিয়ে দুটি পয়সা রোজগার করে ছেলে ও মেয়ে শারমিনকে মানুষের মতোন মানুষ করার জন্যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কিন্তু শারমিন এর বাবার স্বপ্ন ধ্বংস করেদিলেন হায়না সেলিম। তন্মধ্যে শারমিন এর প্রতি সেলিমের কু-নজর পড়ে যায়, সেলিম প্রায়ই শারমিনকে উত্যক্ত করতেন, শারমিন সেলিমের কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়াতে সেলিম তার সাঙ্গপাঙ্গ দিয়ে শারমিন এর বাবার সাথে ঝামেলা বাধায়। ২০০৮ সালের সেই সময়ে সেলিম এলাকার বিচার আচার করতেন, সেই সুবাধে তার সাঙ্গপাঙ্গরা সেলিমকে দিয়ে বিচারে বসায়; সেলিম সেই সময়ে শারমিন এর বাবাকে বিচারে ফাঁসিয়ে শারমিনকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। শারমিন এর বাবা কামরাঙ্গীরচর থেকে দুঃখ ভরা বেদনা নিয়ে ধর্ষিতা মেয়েকে নিয়ে কামরাঙ্গীরচর ছেড়ে চলে যায়।

সাল ২০১২, কামরাঙ্গীরচর থানার পাশে বাজারের সাথে সেলিমদের একটি বাড়ি আছে। সেই বাড়িতে তারিন নামের এক মেয়ে পরিবারসহ ভাড়া থাকতো, কারেন্ট চলে গেলে মেয়েটি ছাদে যায়। সেই সময়ে তারিনকে একা পেয়ে ছাদের গেট আটকে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে লক্ষাধিক টাকা দিয়ে রফাদফা করেন ধর্ষক সেলিম।

২০১৭ সালে সেলিমের কামরাঙ্গীচরের খালপাড় রোড, ১ নং আউয়াল কলেজের গেইটে সাথে ৫ তলা বিল্ডিংটি তখন দুই তলা ভবন ছিলো। ১৪ বছর বয়সী বর্ষা নামের এক মেয়ে পরিবারসহ ভাড়া থাকতো। সেই মেয়েটিকে দিনে-দুপুরে বাসায় একা পেয়ে ধর্ষণ করেছিলেন ধর্ষক সেলিম। সেটিও দিনের মধ্যে সেলিমের মা-বাবা ৬০ হাজার টাকা দিয়ে রফাদফা করে ফেলেন। সেই থেকে সেলিম এর লাগামহীন দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়, যখন তখন ধর্ষণ এর জন্যে ধর্ষক সেলিমের শিকার করা কোন বিষয়ই না।

সেলিম সমাজে ভাল সাজার জন্য বিভিন্ন খেলা-ধুলার অনুষ্ঠান ও ধর্মকে পুঁজি করে মাদক ব্যবসা ও নারী শিকার করার জন্যে বিভিন্ন ইসলামী মাদ্রাসায় টাকা-পয়সা দিয়ে কখনো অতিথি কখন উপদেষ্টার পদ নিয়ে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে; যাতে করে সেলিমকে ভালো মানুষ বলে সবাই। তার নামের টাইটেলও সে পাল্টিয়েছে, সেলিম থেকে হয়েছেন আহম্মেদ হাজী সেলিম; যাতে করে সবাই সংসদ সদস্য হাজী মোঃ সেলিম মনে করেন। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে সিরিজ ধর্ষক, মাদক ব্যবসায়ী ও নারী সাপ্লাইয়ার সেলিম এখন মহিলা মাদ্রাসার পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টা! কামরাঙ্গীরচরের মধ্য আলীনগরে অবস্থিত তারাবিয়াতুল উম্মাহ মহিলা মাদ্রাসার পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টা এখন এই মাদক ব্যবসায়ী। এতে করে বুঝারও বাকি নেই যে, প্রতিষ্ঠান গুলিতে মহিলা ছাত্রীরা কতটুকু নিরাপদ আর যারা এইসব প্রতিষ্ঠান মালিক কিংবা পরিচালক এরা কিসের ভিত্তিতে সেলিমকে প্রতিষ্ঠানের পদ-পদবী দিয়েছেন! এইসব বিষয়ে প্রশাসনের নজরে আনা উচিৎ বলে মনে করে সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও সেলিমের নিজ বাড়িতে দেহ ব্যবসা করার জন্য কয়েকটি ফ্ল্যাট ব্যবহার করছেন এমনকি ছাদের চিলে-কোঠায় সেলিম বানিয়েছেন মাদকের আখড়া। সারা রাতভর চলে এই রুমে মাদকের আসর ও বিএনপি-জামায়াতের লোকদের বৈঠক। সরকারের বিপাকে ফেলার জন্যে এখান থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার হামলার পরিকল্পনাও করা হয়ে থাকে বলে জানা যায়। সেলিম নিজে মাদক কিনেন না বরং প্রশাসনের পরিচয়ে কয়েকজন কর্মকর্তা মাদক বহন করে তাকে সাপ্লাই দেয় বলে জানা গেছে।

ইতিমধ্যে সেলিমের মাদক বানানোর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছে, তবে সেলিম আইনের ধরা-ছোয়ার বাহিরে! কেননা সেলিম শুধু বিশ্বস্ত লোক ছাড়া অন্য কারো কাছে মাদক বিক্রি করেন না, তবে সাপ্লাই দেওয়ার জন্যে সেলিমের নিজস্ব লোকও আছে। গত ১৫/০৩/২০২২ তারিখে সিকশন ফাঁড়ীর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেলিমের এক ঘনিষ্ঠ মাদক সাপ্লাইয়ারকে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ আটক করেন। যেহেতু সেলিমের বাসায় দু’একজন পুলিশ ভাড়া থাকেন তাদের মধ্যে পুলিশের গাড়ির ড্রাইভার (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) সেলিম তাকে নিয়ে সুপারিশ করলে অল্প মাদক দিয়ে চালান করলে কয়েকদিন পরেই সেলিমের সহযোগী কোর্ট থেকে জামিনে আসেন।

প্রিয় পাঠক, সিরিজ রিপোর্ট-২ শীঘ্রই পাবেন।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

×