জয় পরাজয় থাকবেই, তবে এবার খেলা হবে (কুমিল্লা-৫ (২৫৩) আসন বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া আসন)
আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এমনটাই দাবি দুই উপজেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার মানুষ সহ সাধারণ জনগণের। রাজনৈতিক মহল ও পাড়ার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্র আলোচনা কে হচ্ছেন পরবর্তী সংসদ সদস্য। দলীয় রাজনীতি, স্বতন্ত্র প্রার্থী, নির্বাচনী মাঠের পরিস্থিতি, ভোটের হিসেব সব মিলিয়ে চলছে বিশ্লেষণ উঠছে চায়ের কাপে ঝড়। নির্দলীয় সরকারের একদফা দাবিতে অটল প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নির্বাচন অংশ গ্রহণ না করে হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে জাতীয় পার্টি ইতিমধ্যেই কুমিল্লা ৫ সহ ১১টি আসনেই নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এছাড়াও এই আসনেটিতে বিএনপির সিনিয়র সাবেক (বহিস্কৃত) ও হেভিওয়েট এক নেতা থাকছেন ভোটের মাঠে। ফলেই সকলের ধারনা জমে উঠেতে যাচ্ছে কুমিল্লা ৫ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
তবে রাজনৈতিক কৌশলগত কারনে ভোটের মাঠ প্রতিদ্বন্দ্বীতামুলক, উৎসব মুখর ও নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে, দলীয় বিধিনিষেধ শিথিল করেছে দলটি। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস, মনোনীত ও দলীয় নেতাকর্মীদের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতি আন্তরিক হওয়ার নির্দেশনায় বদলে গেছে ভেটের মাঠের হিসেব নিকেশ। বিগ কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনটিতে ভোটের মাঠের w w@পুরোপুরি ভিন্ন। স্বাধীনতার পর থেকেই বেশির ভাগ সময় আওয়ামী লীগের দখলেই ছিলো আসনটি। দেশের রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অংশ গ্রহণ না করলেও, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় কেউই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার কোন সম্ভবনা এবার যেমন নেই। তেমনি নিজ দলীয় হেভীওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিভিন্ন দলের শক্তিশালী প্রার্থীদের সাথে হাড্ডা হাড্ডি ভোটের লড়াই করেই জয়ী হতে হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ বিশ্লেষকগণ সহ সকলেই। সবকিছু ঠিক থাকলে কুমিল্লা ৫ আসনে এবারের নির্বাচনে বহুমুখী লড়াইয়ে প্রার্থীরা তাদের জনপ্রিয়তা গ্রহণযোগ্যতা এবং সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েই ভোটে জয়ী হবে ধারনা সকলের।
ক্ষমতাসীন দলের প্রতীক বরাদ্দের পরপরই কুমিল্লা ৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র, তরুণ, জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন ভোটের মাঠে।
পুনরায় নৌকা প্রতীক নিয়ে বর্তমান এমপি প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান আছেন শক্তিশালী অবস্থানে। দলের সিনিয়র নেতাদের অধিকাংশই রয়েছেন তার সাথে।
#সাজ্জাদ হেসেন
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে পূর্ব থেকে বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সাথে স্বার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্নয়। নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিতি ধরে রাখার পাশাপাশি, বিরোধীদের মোকাবেলায় রাজপথে সরব অবস্থানে থাকা নেতাদের মাঝে ক্ষমতাসীন দলটির যে ক’জন নেতা রয়েছেন তাদের মাঝে অন্যতম একজন সাজ্জাদ হোসেন। রাজনীতি ও ভোটের মাঠে অভিজ্ঞ খেলোয়ার তিনি। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশের পর নেতৃত্বে নিজের বলিষ্ঠ ভুমিকার করানে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত এমপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু’র আস্থাভাজন সহচর হিসেবে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে তরুণ বয়সেই দু’বার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে বিশেষ ভুমিকা রেখে দুই উপজেলাতেই গড়ে তুলেছেন বিশাল কর্মী বাহিনী। জেলা ও উপজেলার রাজনীতিতে সরব এই আওয়ামী লীগ নেতা বুড়িচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উপজেলায় শিক্ষার প্রসার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক উপজেলা পরিষদ, জনসেবার পরিধি বৃদ্ধির মাধ্যমে সফল উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে খ্যতি অর্জন করেন। জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে স্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানের স্বীকৃতিস্বরুপ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরস্কৃতও হন। একাধিক স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলমতের উর্ধে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত ও প্রিয়মুখ হয়ে উঠেছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হলেও দলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন সবসময়। দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির শতভাগ প্রত্যাশা ছিলোয় ছিলেন তিনি তার নেতাকর্মীরা। দলের মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে অংশ নিতে আগে থেকেই নেতাকর্মীদের অনুরোধ ছিলো। নিজস্ব ও দলীয় নেতাকর্মীদের বিশাল একটি অংশ রয়েছে তার সাথে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ২৭ নভেম্বর সোমবার (নিজ বাড়ি) বাকশীমুল এলাকায়। নির্বাচনী প্রচারণার প্রাথমিক সূচনা সভাটি নেতাকর্মীদের উপস্থিততে বিশাল জনসভায় পরিনত হয়। আর এ থেকে অনেকেরই ধারণা, আটঘাট বেঁধেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন ভোটের মাঠে পুরোনো ও অভিজ্ঞ আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হেসেন। পছন্দের নেতাকে বিজয়ী করতে নেতাকর্মীরাও কোমরে গামছা বেঁধে নামার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছেন বলেই জানা যায় তাদের সাথে কথা বলে।
#শওকত মাহমুদ
ক্ষমতাসীন দলের আন্তকোন্দল, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হেভিওয়েট একাধিক প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ, নিজ পুরোনো ও প্রধাণ বিরোধী দলের প্রার্থী না থাকা। এই তিন ট্রামকার্ডই নির্বাচনে সফলতা আনতে পারে এমন ধারনা অনেকেরই। এছাড়াও পরিবর্তন প্রত্যাশী ভোটারদের বিষয়টি যুক্ত হচ্ছে সাথে। এসব মিলিয়েই শিকে ছিড়ে পরতে পারে বিএনপির সিনিয়র সাবেক (বহিস্কৃত) ও হেভিওয়েট নেতা শওকত মাহমুদের হাতে। জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে নির্বাচনী প্রচারণাও চালাচ্ছেন। সবকিছুর হিসেব মিলিয়েই মাঠে নামছেন অভিজ্ঞ এই নেতা ও তার কর্মীরা। তৃণমূল বিএনপি বা কোন রাজনৈতিক দলের নয় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচন করবেন তিনি। দেখে বুঝে ভোটের মাঠে ❝লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড❞ ঠিক থাকলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও বিজয়ী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি ও তার সমর্থকরা।
#এহতেশামুল হাসান ভূইয়া রুমী
অপর দিকে ভোটের মাঠে নতুন হলেও আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক মহল ও স্থানীয় নির্বাচনী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে জানান দিয়ে কাজ করছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি। তিনি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সহ-সম্পাদক। নির্বাচনী এলাকা বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি ও তার কর্মী সমর্থকগণ । দীর্ঘদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা পাশাপাশি রাজনৈতিক সাংগঠনিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন । দলীয় মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনের মাঠে লড়াইয়ের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলেই জানন তিনি। বিশেষ করে এই আসনের তরুণ ও নবীদের মাঝে ভালোই জনপ্রিয়তা রয়েছে তার। এছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু অংশের সমর্থন তো রয়েছেই।
#জাহাঙ্গীর খান চৌধুরী
প্রথমে ইউপি চেয়ারম্যান পরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান তিনি। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি মরহুম মতিন খসরু নিকটতমদের অন্যতম একজন তিনি। বিভিন্ন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা মসজিদ নির্মাণ সহ ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় অবকাঠামোগত উন্নয়নে যথেষ্ট ভুমিকা রয়েছে তার। সুদীর্ঘ ৫৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে নিজের এবং জাতীয় নির্বাচনে দলীয় ভাবে নির্বাচন পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। আওয়ামীলীগের একটি অংশ সেই সাথে স্থানীয় ও নিজস্ব নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে তাদের অনুরোধেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তিনিও। দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রবীণ নেতা বীর মুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর খান চৌধুরীর স্থানীয় নিজস্ব একটি ভোট ব্যাংক যেমন আছে তেমনি ভোটের মাঠে নির্বাচনী অভিজ্ঞতা এবং জনপ্রিয়তাও রয়েছে। রাজনীতির মাঠে পুরোনো এই প্লেয়ারও ভোটের খেলায় জয়ী হবেন বলেই আশা তার অনুসারীদের।
#আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু জাহের
কুমিল্লা দঃ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমান ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তিনি। বড় ভাই মরহুম (সাবেক) উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহেরের মৃত্যুর পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ্ব আবু জাহের। আওয়ামিলীগের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন এবং নির্বাচনে প্রার্থীতার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও আরো কয়েকজন নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত এই আসনে যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়ে মাঠে ময়দানে প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন ভোটের আসল লড়াইটা হবে তাদের মধ্যেই। নির্বাচনে অংশ গ্রহনের ঘোষণা দেয়া প্রার্থীদের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা গেছে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ, প্রার্থী ও সমর্থক নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা, এবং ভোটের মাঠে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত ও আশ্বস্ত হওয়া গেলে জয় পরাজয় যাই হোক ভোট গ্রহণ, গননা ও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত উল্লেখিত সকলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে থাকবেন।
#জাহাঙ্গীর আলম
জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত প্রার্থী তিনি। এলাকায় খুব বেশী পরিচিতি না থাকলেও দলীয় মনোনয়নে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে থাকছেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৯টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি। সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসন থেকে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন (লাঙ্গল) পেয়েছেন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।
জেলা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন নং- ২৫৩ কুমিল্লা – ৫ (বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়া) আসনটিতে দুটি উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৭৫১ জন, এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৩৭৬ জন এবং নারী ২ লাখ ১০ হাজার ১০৭ জন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর।
















