বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও প্রবাসী সহ আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪, ৬:৩৫ এএম
চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও প্রবাসী সহ আহত ৩
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও প্রবাসী সহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। বর্তমানে গুরুতর আহত দুইজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিপক্ষকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করার লক্ষ্যে ছেলের প্রবাস যাওয়া ঠেকাতে পরিকল্পিতভাবে এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করছে ভুক্তভোগির পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার বিকালে উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ছাতিয়ানী মোল্লা বাড়ীতে। হামলায় আহতরা হলো: একই ইউনিয়নের ছাতিয়ানী গ্রামের মোল্লার বাড়ীর মো: ইউছুফ মোল্লা (৫০), তাঁর ছেলে প্রবাসী মো: ইসমাইল মোল্লা (২৮) ও তাঁর স্ত্রী মোসা: রোকেয়া বেগম (৪৫)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি ইউসুফ মোল্লার স্ত্রী রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার বিকালে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এসডিআর নং-১৯৫৮, তারিখ: ২৪.০৫.২০২৪) দায়ের করেন।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগি ইউসুফ মোল্লার সাথে তারই প্রতিবেশী মো: আবু তাহেরের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিস-বৈঠকের মাধ্যমে বিবাদমান বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হয়। আবু তাহের গং শালিস-বৈঠকের সিদ্ধান্ত না মানায় শেষপর্যন্ত বিরোধটি মীমাংশা হয়নি। এরই জেরে গত বুধবার (২২ মে) বিকাল অনুমান সাড়ে তিনটায় আবু তাহের তার তিন ছেলে দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, রায়হান মোল্লা, ফাহাদ মোল্লা, আবু তাহেরের স্ত্রী পারভীন বেগম ও পুত্রবধু মোসা: ফাহিমা আক্তার সহ বেআইনী জনতায় সংঘবদ্ধ হয়ে ভুক্তভোগি ইউসুফ মোল্লার ছেলে মো: ইসমাইল মোল্লার বিদেশ গমন ঠেকাতে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দা-ছেনী, ছুরি, লোহার রড ও লাঠিসোটা সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ইউসুফ মোল্লার পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় প্রতিপক্ষের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে ইসমাইল মোল্লার ঠোঁট, কপাল, কাঁধ ও গলার ডানপাশ সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাঁটাছেড়া, গভীর ক্ষত ও রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় ইসমাইলের পিতা ইউসুফ মোল্লা এগিয়ে আসলে তারও ডান হাতে ছেনীর কোপ সহ লাঠিসোটার আঘাতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাঁটাছেড়া, রক্তাক্ত ও নীলাফুলা জখম হয়। এছাড়াও এ ঘটনায় ইউসুফ মোল্লার স্ত্রী রোকেয়া বেগম সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা গুরুতর আহত হয়েছে। পরে তাদের শোর-চিৎকারে প্রতিবেশী সহ স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা ইউসুফ মোল্লার পরিবারের লোকজনকে প্রাণনাশের হুমকি সহ বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে আহতদেরকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। সেখানে আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গুরুতর আহত ইউসুফ মোল্লা ও তার ছেলে মো: ইসমাইল মোল্লাকে পরিবারের লোকজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা সেখানে চিকিৎসাধিন রয়েছে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে ভুক্তভোগির পরিবারের পক্ষ থেকে ইউসুফ মোল্লার স্ত্রী মোসা: রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ছয়জনের নাম উল্লেখ করে শুক্রবার বিকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি শান্ত রেখেছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ঘটনার একদিন পরই শুক্রবার (২৪ মে) বিকাল পাঁচটায় ভুক্তভোগি ইউসুফ মোল্লার ছেলে আহত ইসমাইল মোল্লা ছুটি শেষে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে (ফ্লাইট নং-বিএস-৩৪১, টিকেট নং-এ-পিএনআর-০৬২২২এন) করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে যাওয়ার কথা ছিলো। এ ঘটনায় তার ফ্লাইটটি বাতিল হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা, চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক সুজন কুমার চক্রবর্তী জানান, ‘মারামারির সংবাদ পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ থানায় পাল্লাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×