সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো স্বৈরাচারের ফিরে আসার নজির নেই : চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর যুব সম্মেলনে ডা. তাহের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:০৮ এএম
পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো স্বৈরাচারের ফিরে আসার নজির নেই : চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর যুব সম্মেলনে ডা. তাহের
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, আওয়ামী লীগ চৌদ্দগ্রামে বিগত ১৫ বছর ধরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো। তারা চৌদ্দগ্রামে কী পরিমান অন্যায়-অত্যাচার ও জুলুম করেছে উপস্থিত জনতা তার জ¦লন্ত স্বাক্ষী। এর বেশি কিছু আমি বলবো না। কারো নাম ধরে আমি সমালোচনা করতে চাইনা। আপনারা নিশ্চয়ই সবই বুঝেন-জানেন। আওয়ামী লীগ বিগত ১৫ বছরে শুধু চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নে তাদের দলীয় আটজন নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। এবার বুঝে নিন তারা বিরোধী দল-মতের বিরুদ্ধে কেমন অত্যাচার-নির্যাতন করেছিলো। তবে, জুলুমেরও একটা শেষ আছে। মহান আল্লাহর ধরা বড় এবং প্রকৃত ধরা। ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবের সময় ছাত্র জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকে রুখে দিতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার দেশের মানুষকে লাশের মিছিল উপহার দিয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত মহান আল্লাহর ইচ্ছায় এবং ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো স্বৈরাচারের ফিরে আসার নজির নেই।

চৌদ্দগ্রামের শহীদ শিবির নেতা সাহাব উদ্দিন পাটোয়ারীর স্মৃতির কথা স্মরণ করে এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে অশ্রæসিক্ত নয়নে ডা. তাহের আরও বলেন, আজ শহীদ সাহাব উদ্দিন পাটোয়ারী বেঁচে থাকলে এ বিশাল প্রোগ্রামে স্বেচ্ছাসেবকের ড্রেস পড়ে আমার সামনে হাঁটাহাঁটি করতো। আজ আমি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে এটা মিস করছি। শুধু সাহাব উদ্দিন নয়, চৌদ্দগ্রামের আপামর জনসাধারণের উপর কী অমানবিক অবিচার হয়েছে আপনারা তার স্বাক্ষী। আওয়ামী লীগের আমলে এই চৌদ্দগ্রামের মানুষ সম্মান পেতো না। এখানে আলেম-ওলামা সহ সিনিয়র সিটিজেনদের কোন সম্মান ছিলো না। তাদেরকে সকলের সামনে অপমান করা হতো। আওয়ামী হেলমেট বাহিনী শুধু চৌদ্দগ্রামে চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা এ চৌদ্দগ্রামে মাদকের আখড়া বসিয়েছিলো। যুব সমাজকে ধ্বংশের ধারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলো। আজ সময় এসেছে, সম্মিলিতভাবে সকলে মাদককে না বলুন। মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক চোরাচালানকারীদের সাথে যাদের সম্পৃক্ততা আছে, তাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিকভাবে বয়কট করুন। তাদের বিরুদ্ধে জনমত ও তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। প্রশাসনকে অনুরোধ করে তিনি আরও বলেন, মাদক  কারবারিদের বিরুদ্ধে আপনাদের অভিযান অব্যাহত রাখুন। মাদক কারবারিদের দমনে আমরা আপনাদের পাশে থাকবো সবসময়। তবে, কেউ যদি আমাদের সাথে যোগাযোগ করে ভালো হতে চায়, মাদক থেকে দূরে সরে আসতে চায়, তাদেরকে পুণর্বাসনে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করবো।

তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে পৌরসভা প্রতিষ্ঠা, ৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ, উপজেলায় ৮৫ ভাগ বিদ্যুতায়ন (৩৫০ কিলোওয়াট), বড় বড় রাস্তাগুলো নির্মাণ  অসংখ্য ছোট রাস্তা নির্মাণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ  চৌদ্দগ্রামের কিছু মৌলিক কাজ করেছি। আল্লাহ যদি হায়াত দান করেন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চৌদ্দগ্রামের মানুষের ভোটে আমি আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই, এই চৌদ্দগ্রামে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। চৌদ্দগামে কোনোরূপ অন্যায়-অত্যাচার, খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজি ও কোন প্রকার জুলুম-নির্যাতন থাকবে না। এ চৌদ্দগ্রাম হবে সমতার চৌদ্দগ্রাম। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সহ সকল ধর্মের লোকজন নিরাপদে থাকবে। দলমত নির্বিশেষে সকলকে সাথে নিয়ে আপনাদের সহযোগিতায় এ চৌদ্দগ্রামকে একটি শান্তির জনপদে রূপান্তর করবো ইনশাআল্লাহ।

সম্মেলনে যুবকদের উদ্দেশ্যে জামায়াত নেতা ডা. তাহের বলেন, আমি চৌদ্দগ্রামের কোনো যুবককে বেকার দেখতে চাইনা। তাদের বেকারত্ব দূরীকরণে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। যুবকরা হয়তো চাকুরি করবে, না হয় নিজ উদ্যোগে ছোট, মাঝারি ও বড় মাপের ব্যবসা করবে। এক্ষেত্রে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করবো ইনশাআল্লাহ। আর শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পরে বাহিরে অযথা আড্ডায় সময় না কাটিয়ে পড়ার টেবিলে মনোযোগী হবে। তারা ভালোভাবে পড়ালেখা করে সুশিক্ষিত হয়ে চৌদ্দগ্রাম সহ সারাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে ও দেশ গঠনে অবদান রাখার লক্ষ্যে নিজেদেরকে তৈরী করবে। তাদের হাত ধরেই এ দেশ একটি ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্মরণকালের সেরা যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন, মাওলানা আবুল হাসানাত আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মু. জাহিদুর রহমান, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর আব্দুর সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান।

সম্মেলনে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম আবেগ-আপ্লুত কন্ঠে বলেন, যখনি জুলাই আন্দোলন চলছিলো, আমরা সিদ্ধান্ত নিতে বসতাম। তখন চিন্তিত হয়ে পড়তাম আর ভাবতাম, আমরা কি পিছনে ফিরে যাবো? তখনি শহীদ আবু সাঈদ সহ সকল শহীদের ছবি আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠতো। তখনি মনে হতো, তারা তো জীবন দিয়েছে, আমরা পিছনে ফিরে যাওয়ার জন্য নয়। তখনি আমরা আবারও আন্দোলন-সংগ্রামের স্পীড পেতাম এবং আন্দোলনে ফিরে যেতাম। আমরা শত শহীদের উত্তরসূরী। তাই আমাদের কেউ দমাতে আসবেন না। এ সময় তিনি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্র-যুবক সহ সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মু. বেলাল হোসাইনের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের পুত্র ব্যারিস্টার সৈয়দ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ তাজবীহ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, সেক্রেটারী ড. এ কে এম সরোয়ার উদ্দীন সিদ্দিকী, কুমিল্লা মহানগর সেক্রেটারী মাওলানা মাহবুবুর রহমান, সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ সালেহ আহাম্মেদ, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ভিপি মু. সাহাব উদ্দীন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহীম, কুমিল্লা পূর্ব জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো: নাজমুল হাসান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কর্ম পরিষদের সদস্য আইউব আলী ফরায়েজী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুব বিভাগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন ওপেল, সহকারী সেক্রেটারী আব্দুর রহিম, কাজী ইয়াছিন মজুমদার, কর্মপরিষদ সদস্য জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী। অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা এম কে রহমান। এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, পৌরসভা সহ বিভিন্ন  ইউনিয়ন থেকে আগত জামায়াত, যুববিভাগ ও ইসলামী ছাত্রশিবির সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ২৫ হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×