বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার ও মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:২৬ এএম
চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার ও মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাং লিডার ও স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী আবু বক্করকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছে গ্রামবাসী। উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের বশকরা গ্রামে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এতে গ্রামবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, কিশোর গ্যাং লিডার আবু বক্কর ও তার সহযোগিদের হাতে গুরুতর আহত আনোয়ার হোসেন বাবু।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি একজন প্রবাসী। দীর্ঘদিন যাবৎ প্রবাসে (কাতার) থেকে ব্যবসা-বানিজ্য করি। কিছুদিন পূর্বে ছুটিতে দেশে এসেছি। এরমধ্যে গত ২৫ নভেম্বর বিকালে আমার নিজ গ্রামের চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী আবু বক্কর তাদের একই বাড়ীর তার আপন ফুফাতো ভাই মৃত আতাউর রহমানের বিধবা স্ত্রী মোসা: সালমা আক্তার লাকিকে কু-প্রস্তাব দিয়ে প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে হয়রানি করে আসছে বলে অভিযোগ শুনতে পাই। ঐদিন রাতেই আবু বক্কর তার ফুফাতো ভাইয়ের বউ সালমা আক্তার লাকিকে তুচ্ছ ঘটনার অজুহাতে বেধড়ক মারধর করে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিচার চেয়ে ভুক্তভোগি গৃহবধূ সালমা আক্তার লাকি সমাজের গণ্যমান্য লোকজনকে অবহিত করলে তাদের সিদ্ধান্তে পরদিন ২৬ নভেম্বর বিকালে গ্রামে একটি শালিস-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, শালিস-বৈঠক চলাকালে আবু বক্কর গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে কঠাক্ষ করে অপমানমূলক বিভিন্ন কথাবার্তা বলতে থাকে। একপর্যায়ে আমি বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করি। এ বিষয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আবু বক্কর হঠাৎ করে নিজ কোমরে লুকিয়ে রাখা একটি চাইনিজ কুড়াল বের করে আমার মাথার মধ্যিভাগে কোপ মারে। কুড়ালের কোপে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গেলে আমার ভাই এগিয়ে আসে। এ সময় ক্ষিপ্ত আবু বক্কর চাইনিজ কুড়াল দিয়ে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। একই সময় আবু বক্করের মা এলাকার চিহিৃত মাদক স¤্রাজ্ঞী মনোয়ারা বেগম ও তার মেয়ে পাখি আক্তার এবং মেয়ে জামাতা আব্দুল হান্নানসহ কিশোর গ্যাং সদস্যরা মিলে উপস্থিত সবাইকে মারধর শুরু করে। এতে আমরা দুই ভাইসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হই। পরে শালিসে উপস্থিত অন্যান্য লোকজন এগিয়ে আসলে আবু বক্কর ও তার মা-বোন সহ হামলাকারীরা দ্রæত পালিয়ে যায়।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় গত ১ ডিসেম্বর চৌদ্দগ্রাম থানায় চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী, স্থানীয় কিশোর গ্যাং লিডার ও সন্ত্রাসী আবু বক্করকে প্রধান আসামী করে, তার মা এলাকার চিহিৃত মাদক স¤্রাজ্ঞী মনোয়ার বেগম ও মেয়ে পাখি ও মেয়ে জামাতা আব্দুল হানান সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে বিবাদী করে একটি মামলা দায়ের করি। মামলা করার পর থেকে সন্ত্রাসী আবু বক্কর আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি অব্যাহত রাখায় নিজ বাড়ীতে এখনো আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এর আগ থেকে আবু বক্কর ও তার মা মনোয়ারা বেগম দীর্ঘদিন যাবৎ প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে আসছে। মাদকের এ ভয়াল থাবায় এলাকার যুব সমাজ ধ্বংসের পথে। ইতিমধ্যে আবু বক্কর, তার মা মনোয়ারা বেগম সহ তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য একাধিক মাদক মামলায় বেশ কয়েকবার জেল খেটেছেন। তাদের বিভিন্ন অত্যাচারে গ্রামবাসী আজ অতিষ্ঠ। বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের লক্ষ্যে মাদক স¤্রাজ্ঞী মনোয়ারা বেগম, তার সন্ত্রাসী ছেলে আবু বক্কর সহ অপরাপর আসামীদেরকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা আজ সময়ের অন্যতম দাবি। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অবিলম্বে উল্লেখিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছি। সংবাদ সম্মেলন শেষে এলাকার সর্বস্তরের লোকজন তাদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছে।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×