সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

চর্থায় প্রেমের জয় : ইউক্রেনীয় নারী নাদিয়ার প্রেমিকের কাছে ছুটে আসা

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: রবিবার, ২ মার্চ, ২০২৫, ৪:২১ এএম
চর্থায় প্রেমের জয় : ইউক্রেনীয় নারী নাদিয়ার প্রেমিকের কাছে ছুটে আসা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

প্রেমের ইতিহাসে আরও একটি মধুর অধ্যায় যুক্ত হলো। প্রেমের টানে চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগ শহর থেকে কুমিল্লায় ছুটে এসেছেন ইউক্রেনীয় নারী সালো নাদিয়া। ৫০ বছর বয়সী সালো নাদিয়া পেশায় একজন সাইকোলজিস্ট। তিনি ১৫ বছর ধরে চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগ শহরে বাস করছেন এবং সেখানকার একটি সাইকোলোজিস্ট হাসপাতালে মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন।

প্রেমিক মোতাসিন বিল্লাহ, ৬৩ বছর বয়সী একজন ব্যবসায়ী, কুমিল্লা নগরীর চর্থা বড় পুকুর পাড় এলাকার মৃত আব্দুল হালিম চৌধুরীর ছোট ছেলে। ফেসবুকে ২০১৯ সালে প্রথম পরিচয় ঘটে সালো নাদিয়া ও মোতাসিন বিল্লাহর। চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে সম্পর্ক গভীর হয়, এবং এক পর্যায়ে মোতাসিন বিল্লাহ প্রথম প্রেম নিবেদন করেন, যাতে সাড়া দেন নাদিয়া।

প্রেমের টানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসেন সালো নাদিয়া। ২৫ ফেব্রুয়ারি, নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে মোতাসিন বিল্লাহকে বিয়ে করেন তিনি। বর্তমানে নাদিয়া কুমিল্লায় মোতাসিনের ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন।

### নতুন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে

সালোর মতে, বাংলাদেশের জলবায়ু এবং জনসংখ্যা কিছুটা সংকটপূর্ণ হলেও তিনি বাংলাদেশকে খুব পছন্দ করেন। বিশেষ করে কুমিল্লার রসমলাই তার প্রিয়। তবে অতিরিক্ত ঝাল দিয়ে রান্না তার পছন্দ না। তিনি বাংলা ভাষা শিখার চেষ্টা করছেন এবং ইংরেজিতে মোতাসিনের সাথে কথা বলেন।

মোতাসিন বিল্লাহ বলেন, “নাদিয়া খুবই ভালো একজন বড় মনের মানুষ। সে বাংলাদেশকে অনেক ভালোবাসে। আমাদের দাম্পত্য জীবন সুখ-সমৃদ্ধির জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।”

এদিকে কুমিল্লার ব্যবসায়ী মোতাসিনের সাথে ইউক্রেনীয় নারী নাদিয়ার বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে কুমিল্লাজুড়ে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়। মানুষের মধ্যে এই প্রেমকাহিনী নিয়ে প্রচুর আগ্রহ ও মুগ্ধতা লক্ষ করা গেছে। নাদিয়া কিছুদিন বাংলাদেশে থেকে আবার চেক প্রজাতন্ত্রে ফিরে যাবেন এবং মোতাসিনের ভিসার জন্য চেষ্টা করবেন। উভয়েই বাংলাদেশ ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে যাতায়াত করে সম্পর্ক বজায় রাখার পরিকল্পনা করছেন।

সালো নাদিয়া জানান, “বাংলাদেশের গোমতীনদী ও ধর্মসাগর খুব ভালো লেগেছে। তবে বায়ু দূষণ ও অতিরিক্ত জনসংখ্যা কিছুটা সমস্যাজনক।”

এই ব্যতিক্রমি প্রেমকাহিনী কুমিল্লার মানুষদের মুগ্ধ করেছে এবং প্রমাণ করেছে যে প্রেমের টানে দূরত্ব বা দেশ কোনো বাধা নয়।

প্রেমের টানে চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগ শহর থেকে কুমিল্লার চর্থায় ছুটে এসেছেন ইউক্রেনীয় নারী সালো নাদিয়া। ৫০ বছর বয়সী এই নারীর অনন্য প্রেমকাহিনী কুমিল্লায় নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে। 😊

এই শিরোনাম এবং খবরটি পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে এবং তাদের মধ্যে রোমাঞ্চ সৃষ্টি করবে।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার : তিনজনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার (জিআর ওয়ারেন্ট) ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আজিজুল মোঃ সম্রাট (২০) চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি জিআর ওয়ারেন্ট থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার মোঃ আনিসুজ্জামান তুহিন (২২) চান্দিনা উপজেলার লেবাস এলাকার মোঃ কামাল হোসেনের ছেলে। মোবাইল কোর্ট তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গমরাহদহ এলাকার রাজেন্দ্র দাসের ছেলে দিলীপ দাস (১৯) এবং রুহিয়া থানার কানীকশানগাঁও এলাকার সুশীল বর্মনের ছেলে অরূন কুমার বর্মন (১৯)-কে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। মোবাইল কোর্ট তাঁদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত অরূন কুমার বর্মনকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

আহসানুজ্জামান সোহেল : প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ঘরের সিলিংয়ে পিস্তল-বুলেট, ৫ লাখ টাকায় আসামি ছাড়ার অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৩ নম্বর কালিকাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর বদরপুর গ্রামের একটি বসতঘরের সিলিং থেকে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুটি বুলেট উদ্ধারের দাবি উঠেছে। গত ২২ আগস্ট রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার এএসআই জামালের নেতৃত্বে এ অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযানের সময় একই এলাকার শরীফ, আব্দুল খালেক, রহিমা, সোহেল রানা, বাবু ও তার মা এবং প্রতিবেশী আনিস উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের ঘটনায় শরীফ ও বাবুকে সাক্ষী করে পুলিশ মামলা লিপিবদ্ধ করলেও পরবর্তীতে পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে সাদেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সময় উপস্থিত রহিমা বেগম জানান, ঘর থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধারের পর বাইরে এসে ছবি তোলার সময় উপস্থিত উৎসুক প্রতিবেশীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অনেককে নিজ নিজ ঘরে পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করতে বলা হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফ হোসাইনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সাদেকের ঘরের সিলিং থেকে অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এমন তথ্য জানানো হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সময় তিনি প্রতিবেদকের কাছেই তথ্যের উৎস জানতে চান।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (চৌদ্দগ্রাম সার্কেল) জানান, গত ২২ আগস্ট রাতে একটি দেশীয় পিস্তল ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেও পাঁচ লাখ টাকার বিনিময়ে কাউকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চান্দিনায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার চার

কুমিল্লার চান্দিনায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এ অভিযানে চুরি মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর তিনজনকে মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চান্দিনা থানা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযানে চুরি মামলায় মো. নাঈম (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চান্দিনা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেলাশ্বর এলাকার মোস্তফা ও জাহানারা বেগমের ছেলে। তিনি রহিম নেতার বাড়ির পাশে বসবাস করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে শান্ত চন্দ্র দাস (২০), মো. সাকিবুল হাসান (২০) ও মো. জুনাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শান্ত চন্দ্র দাস চান্দিনা উপজেলার কংগাই মোহনপুর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র দাসের ছেলে। মো. সাকিবুল হাসান একই এলাকার মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। আর মো. জুনাঈদ উপজেলার কেশরা গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চান্দিনা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

×