সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে কৃষকদের অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন কৃষি কর্মকর্তা জোবায়ের আহমেদ, আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইনের পাশাপাশি অফিসে লাগিয়েছেন এসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৪:২৩ পিএম
চৌদ্দগ্রামে কৃষকদের অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন কৃষি কর্মকর্তা জোবায়ের আহমেদ, আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইনের পাশাপাশি অফিসে লাগিয়েছেন এসি
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: সরকার মাঠ পর্যায়ে সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদেরকে পারিবারিক পুষ্টি বাগান গড়ে তুলতে এবং কৃষির প্রতি মানুষকে আগ্রহী করে তুলতে বিপুল পরিমান অর্থ বরাদ্দ করেছে। অথচ সেই পুষ্টি বাগানের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: জোবায়ের আহমেদ। পুষ্টি বাগানগুলো তৈরি না করে বরাদ্দের সিংহ ভাগ অর্থই তিনি আত্মসাৎ করেছেন। এ সংক্রান্ত উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ সাংবাদিকদের হাতে এসেছে। এছাড়াও চলতি অর্থ বছরের মাঠে চাষযোগ্য বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন হাইব্রিড জাতের বীজের নগদ অর্থ ও সারের টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, গত বছরের (২০২৪ সালের) ভয়াবহ বন্যা পরবর্তী কৃষকের প্রণোদনার ১২ হাজার কেজি সার ও হাইব্রিড জাতের ধানের কয়েক লাখ টাকাও আত্মসাৎ করেছেন এই কর্মকর্তা। কৃষকের টাকা আত্মসাৎ করে তিনি কয়েক লাখ টাকা ব্যয়ে নিজ অফিসে আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও সজ্জিত করেন এবং শীতল হাওয়ার জন্য লাগিয়েছেন দামি এয়ার কন্ডিশন (এসি)।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ে সবজির দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে চলতি অর্থ বছরে কৃষি মন্ত্রণালয় পারিবারিক পুষ্টি বাগানের জন্য উপজেলা পর্যায়ে বিপুল পরিমান অর্থ বরাদ্দ দেন। এর মধ্যে এবার নতুন ২৪১টি পুষ্টি বাগানের জন্য প্রতিটি ৭ হাজার করে সর্বমোট ১৬ লাখ ৮৭ হাজার টাকা বরাদ্দ করে। অথচ এই কর্মকর্তা ২৪১টি পুষ্টি বাগানের ৫ হাজার ৭শ টাকা করে বিভিন্ন ধরনের বীজ ও সার প্রদান করে বাকী ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়াও পুরাতন ৩৫০টি পুষ্টি বাগান সংস্কারের জন্য সরকার কৃষক প্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থ বরাদ্দ দেয়। কৃষি কর্মকর্তা জোবায়ের আহমেদ ৩৫০ জন কৃষককে মাত্র নগদ ৫শ টাকা করে দিয়ে ১৫ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

কৃষি অফিস সুত্রে আরও জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ৬ অক্টোবর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামার বাড়ী, কুমিল্লা স্মারক নং- ১২.১৭.১৯০০.০৪১.৩৮.১৭০.২৪-১৯৩২(৪৫) এর মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে মাঠে চাষযোগ্য বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের শীতকালীন সবজির বীজ, সার ও নগদ অর্থ সহায়তা বাবদ ১৫শ কৃষকের জন্য ৪৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদান করেন। এতে করে প্রতি কৃষকের জন্য ৩ হাজার ২শত ১০ টাকা করে বরাদ্দ করা হয়। যার মধ্যে ২৭ লাখ টাকার বীজ ক্রয়ের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আর অনলাইনের মাধ্যমে প্রতি কৃষককে ১ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। মরিচ, টমেটো, লাউ, ব্রæকলি, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি ও বাঁধাকপি বীজের জন্য জন প্রতি ১৮শ টাকা বরাদ্দ করেন। ফলন ভালো হওয়ার জন্য কৃষক প্রতি ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বরাদ্দ করেন। পরিপত্রে ২৭ লাখ টাকার বীজ ক্রয়ের জন্য একটি ক্রয় কমিটি গঠনের বিধান থাকলেও এই কর্মকর্তা কোন ক্রয় কমিটি গঠন করেননি। এছাড়াও বিএডিসি কর্তৃক প্রয়োজনীয় সার ব্যবস্থা করতে না পারলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অনুমোদন নিয়ে বিএডিসির ডিলারদের থেকে বীজ ক্রয়ের নির্দেশনা থাকলেও এই কর্মকর্তা উপজেলার ১৮টি বিএডিসির বীজের ডিলার থেকে বীজ ক্রয় না করে খোলা বাজার থেকে নিম্ন মানের বীজ ক্রয় করে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিজের পকেটে রেখে দেন। যার কারণে বিগত শীতকালীন মৌসুমে প্রণোদনার এ সবজি চাষ আশানুরুপ ফলেনি। এছাড়াও গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় এর উপ-পরিচালক (বীজ), কুমিল্লা কার্যালয়ের স্মারক নং- ১২.০৬.১৯০০.২৭৫.৯৯.০০১.২৪-২১৮, তারিখ ০৫/০৯/২০২৪ মূলে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের মৌসুমে বাস্তবায়িত রোপা আমন ধানের উফশী জাতের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৬ হাজার কৃষকের ধানের বীজ ক্রয়ের জন্য ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদান করেন। এতে করে প্রতিজন কৃষককে ৫ কেজি করে ব্রি-ধান ৭৫, ব্রি-ধান ১৭ এবং বিনা ধান-১৭ জাতের ধানের বীজ ক্রয় করে বিতরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সরকারি হিসেবে প্রতিকেজি ধানের জন্য ৫৫ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু তিনি খোলা বাজার থেকে নিম্নমানের এই সকল ধানের বীজ ৪০ টাকা করে ক্রয় করেছেন। এছাড়াও উপ-পরিচালকের কার্যলায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর স্মারক নং- ১২.১৭.১৯০০.০৪১.৩৮.১৬৬.২৪-১৭০৭, তারিখ: ০৩/০৯/২০২৪ইং মূলে চলতি অর্থ বছরের সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের খরিপ-২ মৌসুমে রোপা আমন ধানের উফশী জাতের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে বন্যায় ফসলের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া এবং আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৬ হাজার কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ১০ কেজি ডিএডি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়ার জন্য নির্দেশনা থাকলেও তিনি সেখানে ৫ ে কেজি করে সার দিয়ে বাকী সারগুলো আত্মসাৎ করেন। যার অর্থের পরিমান ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

নাম গোপন রাখার শর্তে একাধিক কৃষক বলেন, আমাদেরকে মাঝে-মধ্যে কৃষি অফিস থেকে কিছু সার ও বীজ প্রদান করা হয়। তবে প্রতি জনের কি বরাদ্দ আসে তা আমরা জানতে পারি না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শীতকালীন সবজি চাষি জানান, এই বছরে শীতকালের জন্য বিভিন্ন জাতের যে বীজ আমাদেরকে প্রদান করা হয়েছে তা অত্যান্ত নিম্ন মানের, ফলনও ভালো হয়নি।

সরেজমিনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: জোবায়ের আহমেদের অফিসে গিয়ে দেখা যায়, কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে তিনি আধুনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন করিয়েছেন। লাগিয়েছেন ২ টন ওজনের একটি এসি। কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই বিলাসিতার জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কোন অর্থ বরাদ্দ করেননি। স্থানীয় সূত্রের দাবী কৃষকের জন্য বরাদ্দের টাকা দিয়ে তিনি বিলাসিতা করছেন।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: জোবায়ের আহমেদের বক্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রত্যেকটা ক্রয় এবং বরাদ্দ ইউএনও’র অনুমতি নিয়ে করেছি। আমি কোন দুর্নীতি বা অনিয়ম করিনি। নিজের অফিসের ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও এসির জন্য কোন বরাদ্দ এসেছে কিনা জানতে চাইলে এবিষয়ে তিনি কোন জবাব না দিয়ে মোবাইল সংযোগটি কেটে দেন।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×