সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয় হবে শোষিত জাতির জাগরণ: অধ্যাপক নকিবুল হুদা

মো: আলাউদ্দীন সাদী- বাঞ্ছারামপুর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫, ৬:২০ এএম
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয় হবে শোষিত জাতির জাগরণ: অধ্যাপক নকিবুল হুদা
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

অধ্যাপক দেওয়ান মো. নকিবুল হুদা বলেন “আজ বাংলাদেশ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে জনগণ পরিবর্তনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশে ন্যায়বিচার নেই, শাসনের নামে চলছে দুর্বৃত্তায়ন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও দমননীতি। আমরা এই অন্ধকার থেকে জাতিকে আলোর পথে নিতে চাই।
আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট—এমন একটি সমাজ গঠন, যেখানে বৈষম্য থাকবে না, অন্যায়ের জায়গা থাকবে না। ইসলামি মূল্যবোধ হবে রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি, আর প্রতিটি নাগরিক পাবে তার ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক আমাদের আদর্শের প্রতীক—এটি ইনসাফ, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার প্রতীক। এই প্রতীকের বিজয় মানে শুধু একটি দলের জয় নয়, বরং একটি শোষিত জাতির জাগরণ। ইনশাআল্লাহ, জনগণই এবার ইতিহাস সৃষ্টি করবে। আমরা শাসক নয়—আমরা সেবক হতে চাই। ভোট দিয়ে জনগণ এই আন্দোলনে সঙ্গী হলে আমরা প্রমাণ করবো, কীভাবে ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।”
দাড়ি পাল্লা কে যদি আপনারা ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, আল্লাহর আইন সৎ লোকের শাসন কায়েম হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছলিমাবাদ ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে গণসংযোগ ও পথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শুক্রবার (০৪ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছলিমাবাদ ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে উপজেলা মডেল মসজিদ মোড় থেকে ছলিমাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ ও দাওয়াতী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মুফতি আলাউদ্দিন সাদীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক দেওয়ান মো. নকিবুল হুদা।
প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমির কাজী মো. আবুল বাশার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মো. মহসিন, উপজেলা সেক্রেটারি মো. শামীম নূর খিলগাঁও উত্তরের থানার তারবিয়াত সেক্রেটারি সেক্রেটারী মো ইমতিয়াজ উদ্দিন
বাঞ্ছারামপুর কল্যাণ পরিষদের সহসভাপতি
ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন জিসান

বাঞ্ছারামপুর পৌর সভার সাবেক সভাপতি
মাসুদুর রহমান
বাঞ্ছারামপুর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি
মো এনামুল হক
বাঞ্ছারামপুর পৌর সভার সাবেক সভাপতি
মাওলানা হাবিবুর রহমান বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর সভার সভাপতি, জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

মো. মহসিন বলেন “আমরা রাজনীতি করি ক্ষমতার জন্য নয়, আদর্শের জন্য। এই আদর্শের পথ কতটা কণ্টকাকীর্ণ—তা আপনাদের সামনেই প্রমাণ। আমি ১৪ বার কারাগারে গেয়েছি, শুধু সত্য বলার এবং ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে থাকার অপরাধে। গত ১২ তারিখ এই বাজার থেকেই আমাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও আমি ভাঙিনি। আমি ফিরে এসেছি, কারণ আমি জানি—এই জাতিকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করার সংগ্রাম এখনই সবচেয়ে জরুরি। ইতিহাসের চাকা ঘুরছে, এবং এই জনগণই শিগগিরই তাদের রায় দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে আসিনি—আমরা জীবন দিয়ে প্রমাণ করতে এসেছি, যে ইসলামী সমাজ গঠনের সংগ্রাম থেমে থাকবে না।”

উপজেলা আমির কাজী মো. আবুল বাশার বলেন “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি আদর্শিক বিপ্লবের নাম—যাকে ধ্বংস করতে বারবার ষড়যন্ত্র করেছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। হাসিনা জানে, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এদেশে লুটপাট থেমে যাবে, ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ হবে, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও দুঃশাসনের অবসান ঘটবে। তাই আমাদের হাজারো নেতা-কর্মীর ওপর চালানো হয়েছে অমানবিক নির্যাতন। মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম, পুলিশি হামলা এমনকি আমাদের নেতা-কর্মী ফাঁসিও দিয়েছে। আমরা জানি, এই পথ সহজ নয়। কিন্তু আমরা আদর্শের লড়াইয়ে পিছপা হইনি। তারা ভয় পায় জামায়াতকে, কারণ তারা জানে—জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি করে হাত ঘষে খাওয়া যাবে না, চাইলেই মদের আসর বসানো যাবে না, রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ করা যাবে না। এ কারণেই তারা আঁতকে ওঠে জামায়াতের নাম শুনলেই।
আমরা এসেছি সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বদলে দিতে। ইনশাআল্লাহ, জনগণের রায়েই এই পরিবর্তন নিশ্চিত হবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×