সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক  মানিক এখন যুবদলের সভাপতি!

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:১৬ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক  মানিক এখন যুবদলের সভাপতি!
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চৌদ্দগ্রামে ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক  মানিক এখন যুবদলের সভাপতি!

 

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক চিহ্নিত গরু চোর ও মাদক পাচারকারী মানিক মজুমদার এখন একই ওয়ার্ডের জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি। তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও মানিককে যুবদলের সভাপতি ঘোষণা ও তাঁর নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের পূণর্বাসনে বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, চিওড়া ইউনিয়নের চিওড়া প্রকাশ নতুন পাড়া গ্রামের মাদু মিয়ার ছেলে ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মানিকসহ তিন চোরকে কনকাপৈত ইউনিয়নের শাহাজাহানপুরে একটি ঘোয়ালঘর থেকে চুরি করে নেয়ার সময় গরু বোঝাই ট্রাকসহ ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর আটক করে পুলিশ। দীর্ঘদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে আসে গরু চোর মানিক। জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও যুবলীগের ১নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জোরশোরে কার্যক্রম পরিচালনা করে মানিক। আ’লীগের ক্ষমতায় থাকাকালিন গরু চুরি, বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা করেছে মানিক মজুমদারের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী চক্র। চোর মানিকের অত্যাচারে চিওড়া বাজারসহ আশ-পাশের এলাকার সাধারন মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। বিভিন্ন চুরি ডাকাতি মাদক পাচার হতে শুরু করে এমন কোন অপরাধ নাই যে মানিক করেনি। সে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সাধারণ সম্পাদক কাউছার হানিফের ঘনিষ্ট সহযোগি ছিল। সাবেক রেলমন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হককে ফুল দেয়া ও গরু চুরির ঘটনায় মানিকের বিরুদ্ধে মিডিয়ায় ‘ছবি’সহ একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও তাঁর পিতা মাদু মিয়া এক সময় জাতীয় পার্টি করলেও আ’লীগের ক্ষমতাকালিন সময়ে আ’লীগে যোগ দেয়। মুজিবুল হক থেকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ শেষে যোগ দেয় বিএনপিতে।
বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গরু চোর মানিক মজুমদার ২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পতনের পর যুবদলের নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। বর্তমানে সে চিওড়া ইউনিয়ন আ’লীগের চিহ্নিত নেতা রুবেল ও বাবলুর পরামর্শে চলে। রাতে গোপন মিটিং করে আ’লীগের লোকজনের সাথে। এরবার মানিককে ১নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি করে কমিটি ঘোষণা করে চিওড়া ইউনিয়ন যুবদল। মানিক যুবদলের দায়িত্ব গ্রহণের পর আ’লীগের বাবলু ও রুবেল গং প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় সে প্রভাব খাটিয়ে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলেও দীর্ঘদিনের অভিযোগ।
বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন চৌদ্দগ্রামে এখন জনপ্রিয় দল। এ দলে চোর ও সন্ত্রাসীদের পূণর্বাসনের কোন প্রয়োজন নেই। চিওড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি নয়ন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম কর্তৃক অনুমোদিত চিওড়া ১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক চোর মানিককে যুবদল থেকে বহিস্কার করে আইনের হাতে তুলে দেয়া উচিত। কারণ, সে আ’লীগের ক্ষমতাকালে অনেক সাধারণ মানুষ ও জামায়াত-বিএনপির ক্ষতি করেছে। এতদিন সে যুবদলে ঢুকে আত্মগোপনে ছিল। চিওড়াবাসী অপরাধীমুক্ত বিএনপি ও যুবদলের নেতৃত্ব আশা করছেন।
সোমবার দুপুরে অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে মানিক মজুমদার বলেন, এনআইডি কার্ডে আমার নাম ‘আবদুল মালেক’। বাবার নাম আবদুল খালেক। আমি বুঝ হওয়ার পর থেকেই শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী। ভালো কাজের কারণে কতিপয় ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তাহলে আপনি যুবদলের সভাপতি না? এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে তিনি তাঁর ডাক নাম মানিক বলেও স্বীকার করেন।
চিওড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নাজমুল হাসান মনির বলেন, ‘সম্মানের সাথে যুবদল করি। কোন ব্যক্তির অপরাধের দায় সংগঠন নিবে না’।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জামাল উদ্দিন মামুন বলেন, ‘মানিক চিওড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্বে আছে। আগে যুবলীগ করতো কিনা সে বিষয়ে আমার জানা নেই’।

 

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×