বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর উপর হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:২৬ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর উপর হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গ্রাম্য শালিস-বৈঠকে দুবাই প্রবাসী মমিনুল ইসলামের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদ ও অবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

শুক্রবার বিকালে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের পাইকোটা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ মাঠে পাইকোটা এলাকাবাসী ও নবজাগরণ সমাজ কল্যাণ সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিলে গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. শফিকুর রহমান সর্দার, মো. মনির হোসেন সর্দার, ফয়েজ আহমেদ, মো. জাকির হোসেন, শাহাব উদ্দিন।

সামাজিক শালিস-বৈঠকে বিনা কারণে একজন নীরিহ প্রবাসীর উপর অতর্র্কিতভাবে ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শাহআলম মজুমদার গং পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে প্রবাসী মমিনুলের উপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এ মানববন্ধন থেকে হামলাকারী সন্ত্রাসী আলম, তার ছেলে মাইন উদ্দিন, সোহাগ, নাঈম ও কিবরিয়া সহ তাদের সহযোগিদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। হামলাকারীরা সকলে মাদক, সুদ ও জুয়া সহ নানান অপরাধমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। এদের কারণে পাইকোটা গ্রাম সহ আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের যুবসমাজ আজ ধ্বংশের পথে। মাদক-সন্ত্রাস নির্মূলে পাইকোটাবাসী ঐক্যবদ্ধ। পাইকোটা গ্রামে সন্ত্রাসীদের কোন স্থান নেই। এতবড় একটি ঘটনা করার পরও হামলাকারী সন্ত্রাসীরা এখনো গ্রামের প্রবাসী আমান উল্লাহ, আলা উদ্দিন সহ সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছে। এ ব্যাপারে আমরা চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতা চাই। আশা করি, থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙ্গে দিয়ে তাদেরকে আইনের মাধ্যমে সাজা দিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে থানা পুলিশকে যেকোনো ধরণের সহযোগিতা করতে গ্রামবাসী আজ ঐক্যবদ্ধ।

মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ আহমেদ মজুমদার, আব্দুর রশিদ, আবু তাহের, রফিকুল ইসলাম সর্দার, কলিম উদ্দিন, আব্দুল করিম মুহুরী, মমতাজ মিয়া মজুমদার, আলী নোয়াব, আজাদ হোসেন, শাহিন মজুমদার, আফতাব উদ্দিন মজুমদার, মনা মিয়া, ইকবাল হোসেন মজুমদার, প্রবাসী মো.আমান উল্লাহ মজুমদার, মো. খলিলুর রহমান, মো. স্বপন, মো. আলা উদ্দিন মজুমদার, মো. আব্দুস সাত্তার, শরীফ মজুমদার, কাউছার মজুমদার, রুবেল হোসেন মজুমদার, কামরুল হাসান মজুমদার পোটন, আল-আমিন মজুমদার, সাদ্দাম হোসেন মজুমদার, রবিউল ইসলাম মজুমদার, সরফরাজ মজুমদার, আব্দুল কাইয়ুম মজুমদার, ইমাম হোসেন মজুমদার। এ সময় পাইকোটা গ্রামের শত শত সাধারণ মানুষ সহ পাইকোটা নবজাগরণ সমাজ কল্যাণ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত শনিবার পাইকোটা গ্রামের বিভিন্নজনকে দেখে নেওয়া সহ প্রাণনাশের হুমকির বিষয় নিয়ে গ্রামে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ওই গ্রামের অভিযুক্ত শাহআলম মজুমদার গং গ্রামবাসীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়। কিন্তু একপর্যায়ে শাহআলম মজুমদারের হুকুমে তার ছেলেরা বৈঠতে উপস্থিত একই এলাকার দুবাই মো. মমিনুল ইসলাম মজুমদারের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় তারা সন্ত্রাসী কায়দায় মমিনুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে পাশ^বর্তী ডাকাতিয়া নদীর ধারে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ কাদাযুক্ত পানিতে চুবিয়ে রাখে। পরে গ্রামবাসী গিয়ে মমিনুল সহ আরো একজনকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর মমিনুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। দুইদিন পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি প্রবাসী মমিনুলের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করিলে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হামলার ঘটনার অন্যতম আসামী মো. নাঈম মজুমদারকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। অপর আসামীরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ন্যাক্কারজনক এ হামলার সাথে জড়িত সকলকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে প্রশাসনের উদ্যোগে সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে চারাগাছ বিতরণ

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন’ কর্মসূচির আওতায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৌরসভাধিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে চারাগাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা বেশ আনন্দিত। এ সময় তারা এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মু. মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহআলম রাজু, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. খোরশেদ আলম, কবি মো. জসিম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রূপম সেনগুপ্ত, পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল হোসেন।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ এএম
৩০ দিন পেরোলেই শেষ! শেখ হাসিনা-আবুল কালাম আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

Oplus_131072

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো দণ্ডিত ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

৩০ দিনের বিধান সবার জন্য

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। তবে তিনি দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিলও করেননি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১-এর ৩ ধারায় বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এই বিধান সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল দায়ের করতে হবে।

ফলে এই নিয়ম শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য, একইভাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানান তিনি।

আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও গ্রহণ হয়নি

আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। ওই সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনি সংশ্লিষ্ট আইন আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল এখনও আপিল বিভাগ গ্রহণ করেনি। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই।

চিফ প্রসিকিউটরের ধারণা, আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ তারা আর নেননি।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কোনো ব্যক্তি আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও তার আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না।

তার মতে, ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পর ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে গেলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করার সরকারের অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকার চাইলে কারও ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে—এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

রুহুল আমিন চৌধুরী সুমন প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩১ পিএম
কুমিল্লায় WSUP এর উদ্যোগে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ।

নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয় বিষয়ক উদ্যোক্তা দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নগরীর হোটেল এলিট প্যালেসে WSUP-এর আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পানি ও বিদ্যুৎ শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ, প্রশাসকের একান্ত সচিব আসিফ বিল্লাহ্, WSUP-এর ওয়াস ইঞ্জিনিয়ার জিকরুল হক এবং ট্রেনিং অফিসার কেয়া অধিকারী।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রয়, বাজারজাতকরণ, গ্রাহকসেবা ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব ইউসুফ মোল্লা টিপুর ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নারী উদ্যোক্তাদের উপহার প্রদান করা হয়।
আয়োজকরা জানান, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

×