রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কুয়েতে চৌদ্দগ্রামের যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু প্রতিবেশি কর্তৃক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের

মোহাম্মদ সাইদুল হক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৪ পিএম
কুয়েতে চৌদ্দগ্রামের যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু প্রতিবেশি কর্তৃক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুয়েতে মো. শাহজাহান রনি (২৫) নামে কুমিল্লার এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিন এর মাধ্যমে পরিবার রনির মৃত্যুর সংবাদটি জানতে পারে। নিহত রনি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন ২নং ওয়ার্ডের কমলপুর গ্রামের মো. তোফায়েল আহমেদ ও নাছিমা বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে। তবে পরিবারের দাবি, তাদের একমাত্র সন্তানকে তার বাঙালি মালিক মীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। রনির আকষ্মিক এ মৃত্যুর সংবাদে নিহতের পরিবার সহ সমগ্র এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৭ মাস আগে পাশের বাড়ির বাসিন্দা মীর হোসেনের মাধ্যমে কুয়েতে যান শাহজাহান রনি। সেখানে কুয়েতের সাবা আল-নাসের এলাকায় মীর হোসেনের একটি বাকালা (গ্রোসারি) দোকানে মাসিক বেতনে কাজ করতেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রনির সঙ্গে মীর হোসেনের বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দেশে থাকা দুই পরিবারের মধ্যেও প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো।

রনির পরিবারের অভিযোগ, গত ৪ ডিসেম্বরের পর থেকে রনির সঙ্গে তাদের কারোই কোনো যোগাযোগ ছিল না। দীর্ঘ ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রশাসনের মাধ্যমে তারা রনির মৃত্যুর সংবাদ পান। এ সময় অভিযুক্ত মীর হোসেন নানাভাবে রনির পরিবারকে বিভ্রান্ত করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। তিনি রনির পরিবারকে জানিয়েছিলেন, রনি কুয়েতের জেলে আছে এবং শিগগিরই দেশে ফিরে আসবে।
নিহত রনির বাবা তোফায়েল আহাম্মেদ বলেন, ‘২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় করে মীর হোসেনের মাধ্যমে তার একমাত্র ছেলেকে কুয়েতে পাঠানো হয়। সেখানে চাকরির সময় বিভিন্ন অজুহাতে মীর হোসেন রনির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হতো।’

তিনি আরও বলেন, গত ৩ ডিসেম্বর ভোরে রনি তার মা নাছিমা বেগমকে ফোন করে মীর হোসেন কর্তৃক নির্যাতনের কথা জানিয়ে বলেছিল, ‘মা, মীরু আমাকে বাঁচতে দেবে না।’ ওই কথোপকথনই ছিল তার মায়ের সঙ্গে শেষ কথা। এরপর কয়েক দিন যোগাযোগ না পেয়ে কুয়েতে থাকা রনির এক বন্ধু রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরিবার। রাকিব রনির বাসায় গিয়ে খাবার টেবিলে খাবার ও এলোমেলো কাপড়চোপড় দেখতে পেলেও রনির কোনো সন্ধান পায়নি। বিষয়টি রনির পরিবারকে জানায় রাকিব।

তোফায়েল আহাম্মেদ অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ১৩ ডিসেম্বর মীর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, রনি জেলে আছে এবং শিগগির দেশে ফিরবে। পরবর্তীতে আবার যোগাযোগ করলে মীর হোসেন হুমকি দিয়ে বলেন, ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে সমস্যা হবে’, এবং দাবি করেন রনি তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে।

চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শাহজাহান রনির মৃত্যু সংক্রান্ত একটি চিঠি পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিনের সরকারি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়। পরে পৌর নির্বাহীর মাধ্যমে পরিবারের কাছে মৃত্যু সংবাদ পৌঁছে দেওয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ ডিসেম্বর কুয়েতের জাহরা মতলা এলাকায় এক দুর্ঘটনায় শাহজাহান রনির মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ ছিল না এতে।

মৃত্যুর সংবাদ জানাজানি হলে রনির পরিবারে শোকের মাতম শুরু হয়। রনির মা নাছিমা বেগম বলেন, “আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার আগেই বলেছিল তাকে মেরে ফেলা হবে। এটা নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।”

এ বিষয়ে কুয়েতে অবস্থানরত অভিযুক্ত মীর হোসেন মুঠোফোনে বলেন, “আমি আড়াই বছর আগে রনিকে কুয়েতে এনে আমার দোকানে চাকরি দিয়েছিলাম। গত ৪ ডিসেম্বর সে আমাকে কিছু না জানিয়ে অন্যত্র চলে যায়। পরে পরিবারের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর শুনি। আমি কখনো তাকে নির্যাতন করিনি, হত্যা তো দূরের কথা। রনির পরিবারের অভিযোগ সত্য নয়। দূতাবাসের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিন বলেন, “প্রবাসী কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব আমার সরকারি নম্বরে রনির মৃত্যু সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়ে পরিবারকে জানাতে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী পরিবারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। পরিবারের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দেবীদ্বারে হানিট্র‍্যাপ খ‍্যাত লাইলি ইয়াবাসহ গ্রেফতার

মো. বিল্লাল হোসেন: প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ এএম
দেবীদ্বারে হানিট্র‍্যাপ খ‍্যাত লাইলি ইয়াবাসহ গ্রেফতার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আত্মসাৎ চক্রের কথিত মূলহোতা এবং এলাকায় ‘হানি ট্র‍্যাপ’ খ‍্যাত ও ‘লেডি ডন’ হিসেবে পরিচিত লাইলি আক্তার(৩৫)কে ফের আটক করেছে পুলিশ। তবে এবার ব্ল্যাকমেইল বা চাঁদাবাজির অভিযোগে নয়, ইয়াবা বিক্রয়কালে তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ২ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক সাগর বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে দেবীদ্বার নিউমার্কেট (রহমানিয়া সুপার মার্কেটের পেছনে) ভাড়া বাসা “আহসান মঞ্জিল” থেকে ইয়াবাসহ লাইলিকে আটক করা হয়।

আটককৃত লাইলি আক্তার(৩৫) উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ঘোষঘর গ্রামের আব্দুর রশিদ মিয়ার মেয়ে। সে দির্ঘদিন যাবৎ আহসান মঞ্জিলে ভাড়া থেকে এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্রের সহযোগীতায় নারী ও মাদক ব্যাবসার আড়ালে কৌশলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল এই লাইলী চক্রের প্রধান কাজ।

এর আগে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল ওই একই বাসায় (‘আহসান মঞ্জিল’) অবস্থান করাকালে পর্নোগ্রাফি মামলায় হানিট্রাপ খ্যাত লাইলি আক্তারকে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেলেও জামিনে এসে একই বাসায় মাদক ব‍্যবসায় জড়িয়ে পরে।

কয়েক মাস পূর্বে উপজেলার জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ‍্যালয়ের শিক্ষক মুকবল হোসেন মাষ্টারের উপর নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে, প্রশাসনের টনক নড়ে। পুলিশ ওই বাসায় আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে টাকার জন‍্য বেঁধে রেখে বেধরক মারধর করা অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেন। এবং এই ঘটনায় গত ৭ই এপ্রিল মুকবল মাস্টার বাদী হয়ে অভিযুক্ত লাইলি আক্তারকে এজাহারভূক্ত করে এবং অজ্ঞাত ৩ নারী ও ৫ পুরুষের নামে পর্ণোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাইলি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে দেবীদ্বারসহ আশেপাশের এলাকায় একটি শক্তিশালী অপরাধ চক্র পরিচালনা করে আসছিলেন। তার মূল কৌশল ছিল প্রভাবশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী পরিবারগুলোকে টার্গেট করা। চক্রের তরুণীদের ব্যবহার করে প্রথমে প্রেমের অভিনয় বা ‘হানি ট্র্যাপ’-এর ফাঁদ পাতা হতো।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক প্রতিবেশী এক ব্যক্তি জানান, লাইলি সে প্রায় ডজনখানেক মামলার বাদী। সে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ নারী দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এবং দেহ ব্যবসার আড়ালে গোপন ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বিত্তশালীদের টার্গেট করতেন সে। একই সাথে মাদক চোরা কারবারিতেও বেশ প্রভাব বিস্তার করে। ওই চক্রটি নানা কৌশলে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। এঘটনায় বাসার মালিকের ছেলে এবং লাইলির এক নিকট আত্মীয়ের সেল্টারে প্রকাশ্য অপরাধ সংঘটিত করে আসছে।
লাইলি আক্তার বলেন, আমি ভালো হয়ে গেছি। আমার ছেলে মাদক ব‍্যবসা করে। ছেলে রাতে ঘুমিয়েছিল, তখন তার বন্ধুরা এসে ইয়াবা চাইলে আমি জানালা দিয়ে ইয়াবা দেয়ার সময় কেউ পুলিশ দিয়ে আমাকে ধরিয়ে দেয়।

ইয়াবাসহ হানিট্র‍্যাপ খ‍্যাত লাইলি আক্তার গ্রেফতার’র সংগৃহীত ছবি।

এ ব‍্যপারে এসআই সাগর বড়ুয়া জানান, অভিযানকালে লাইলি আক্তারের দখলে থাকা ১৫ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রয়ের টাকা, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদীসহ তাকে আটক করি।

এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, এ নারী খুবই ধুরন্দর চালাক ও প্রতারক, সে জামিনে এসে আবারো মাদক ব‍্যাবসায় জড়িয়ে পড়ে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। পূর্বের পর্ণোগ্রাফির মামলাটিও চলমান রয়েছে। এখন এ মামলার সূত্র ধরে তার সহযোগীদের আটকের চেষ্টা করব।

লাকসামে পোলট্রি ফার্মে অভিযান, ৬৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪০ পিএম
লাকসামে পোলট্রি ফার্মে অভিযান, ৬৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

Oplus_131072

কুমিল্লার লাকসামে পোলট্রি ফার্মের জেনারেটর রুমে অভিযান চালিয়ে ৬৫ পিস ইয়াবাসহ মো. নজরুল ইসলাম (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইদ জাফর ওরফে জনি (৪০) নামে আরও একজন পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর বাকই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কৈত্রা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাকসাম থানার একটি দল কৈত্রা এলাকায় নজরুল ইসলামের পোলট্রি ফার্মের জেনারেটর রুমে অভিযান চালায়। এ সময় নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার হেফাজত থেকে ৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।

পুলিশ আরও জানায়, অভিযান চলাকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাইদ জাফর ওরফে জনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পুলিশের দাবি, গ্রেফতার নজরুল ইসলামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি ও পলাতক জনি ওই স্থানে ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিলেন।

গ্রেফতার নজরুল ইসলাম কৈত্রা মুন্সিবাড়ির মৃত আবদুল মতিন ও মৃত রহিমা বেগমের ছেলে। পলাতক সাইদ জাফর ওরফে জনিও একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাইলি জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে পলাতক ব্যক্তিকে আটকের চেষ্টা চলছে।

মনোহরগঞ্জে দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও যামানা টিভির আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মনোহরগঞ্জে দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও যামানা টিভির আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে উদ্বোধন করা হয়েছে যামানা টিভি (আইপি টিভি) ও দৈনিক কুমিল্লার ডাক পত্রিকার আঞ্চলিক অফিস। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সদরের গাউসিয়া মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এই অফিস উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক জিএম আহসান উল্লাহ, জামায়াত নেতা মাওলানা আবদুল হাই, হেফাজত ইসলামের যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নিজাম উদ্দিন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

×