শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

কুয়েতে চৌদ্দগ্রামের যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু প্রতিবেশি কর্তৃক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের

মোহাম্মদ সাইদুল হক প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৪ পিএম
কুয়েতে চৌদ্দগ্রামের যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু প্রতিবেশি কর্তৃক পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ পরিবারের
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কুয়েতে মো. শাহজাহান রনি (২৫) নামে কুমিল্লার এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিন এর মাধ্যমে পরিবার রনির মৃত্যুর সংবাদটি জানতে পারে। নিহত রনি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন ২নং ওয়ার্ডের কমলপুর গ্রামের মো. তোফায়েল আহমেদ ও নাছিমা বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে। তবে পরিবারের দাবি, তাদের একমাত্র সন্তানকে তার বাঙালি মালিক মীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। রনির আকষ্মিক এ মৃত্যুর সংবাদে নিহতের পরিবার সহ সমগ্র এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২৭ মাস আগে পাশের বাড়ির বাসিন্দা মীর হোসেনের মাধ্যমে কুয়েতে যান শাহজাহান রনি। সেখানে কুয়েতের সাবা আল-নাসের এলাকায় মীর হোসেনের একটি বাকালা (গ্রোসারি) দোকানে মাসিক বেতনে কাজ করতেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রনির সঙ্গে মীর হোসেনের বিরোধ চলছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দেশে থাকা দুই পরিবারের মধ্যেও প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো।

রনির পরিবারের অভিযোগ, গত ৪ ডিসেম্বরের পর থেকে রনির সঙ্গে তাদের কারোই কোনো যোগাযোগ ছিল না। দীর্ঘ ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) প্রশাসনের মাধ্যমে তারা রনির মৃত্যুর সংবাদ পান। এ সময় অভিযুক্ত মীর হোসেন নানাভাবে রনির পরিবারকে বিভ্রান্ত করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। তিনি রনির পরিবারকে জানিয়েছিলেন, রনি কুয়েতের জেলে আছে এবং শিগগিরই দেশে ফিরে আসবে।
নিহত রনির বাবা তোফায়েল আহাম্মেদ বলেন, ‘২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় করে মীর হোসেনের মাধ্যমে তার একমাত্র ছেলেকে কুয়েতে পাঠানো হয়। সেখানে চাকরির সময় বিভিন্ন অজুহাতে মীর হোসেন রনির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হতো।’

তিনি আরও বলেন, গত ৩ ডিসেম্বর ভোরে রনি তার মা নাছিমা বেগমকে ফোন করে মীর হোসেন কর্তৃক নির্যাতনের কথা জানিয়ে বলেছিল, ‘মা, মীরু আমাকে বাঁচতে দেবে না।’ ওই কথোপকথনই ছিল তার মায়ের সঙ্গে শেষ কথা। এরপর কয়েক দিন যোগাযোগ না পেয়ে কুয়েতে থাকা রনির এক বন্ধু রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরিবার। রাকিব রনির বাসায় গিয়ে খাবার টেবিলে খাবার ও এলোমেলো কাপড়চোপড় দেখতে পেলেও রনির কোনো সন্ধান পায়নি। বিষয়টি রনির পরিবারকে জানায় রাকিব।

তোফায়েল আহাম্মেদ অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ১৩ ডিসেম্বর মীর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, রনি জেলে আছে এবং শিগগির দেশে ফিরবে। পরবর্তীতে আবার যোগাযোগ করলে মীর হোসেন হুমকি দিয়ে বলেন, ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে সমস্যা হবে’, এবং দাবি করেন রনি তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে।

চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুয়েতে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শাহজাহান রনির মৃত্যু সংক্রান্ত একটি চিঠি পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিনের সরকারি হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো হয়। পরে পৌর নির্বাহীর মাধ্যমে পরিবারের কাছে মৃত্যু সংবাদ পৌঁছে দেওয়া হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ ডিসেম্বর কুয়েতের জাহরা মতলা এলাকায় এক দুর্ঘটনায় শাহজাহান রনির মৃত্যু হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ ছিল না এতে।

মৃত্যুর সংবাদ জানাজানি হলে রনির পরিবারে শোকের মাতম শুরু হয়। রনির মা নাছিমা বেগম বলেন, “আমার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার আগেই বলেছিল তাকে মেরে ফেলা হবে। এটা নিছক কোনো দুর্ঘটনা নয়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।”

এ বিষয়ে কুয়েতে অবস্থানরত অভিযুক্ত মীর হোসেন মুঠোফোনে বলেন, “আমি আড়াই বছর আগে রনিকে কুয়েতে এনে আমার দোকানে চাকরি দিয়েছিলাম। গত ৪ ডিসেম্বর সে আমাকে কিছু না জানিয়ে অন্যত্র চলে যায়। পরে পরিবারের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর শুনি। আমি কখনো তাকে নির্যাতন করিনি, হত্যা তো দূরের কথা। রনির পরিবারের অভিযোগ সত্য নয়। দূতাবাসের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. নূরুল আমিন বলেন, “প্রবাসী কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব আমার সরকারি নম্বরে রনির মৃত্যু সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়ে পরিবারকে জানাতে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী পরিবারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। পরিবারের যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মনোহরগঞ্জে দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও যামানা টিভির আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
মনোহরগঞ্জে দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও যামানা টিভির আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে উদ্বোধন করা হয়েছে যামানা টিভি (আইপি টিভি) ও দৈনিক কুমিল্লার ডাক পত্রিকার আঞ্চলিক অফিস। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সদরের গাউসিয়া মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এই অফিস উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, মনোহরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু ইউসুফ, সাধারণ সম্পাদক জিএম আহসান উল্লাহ, জামায়াত নেতা মাওলানা আবদুল হাই, হেফাজত ইসলামের যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নিজাম উদ্দিন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউপি’র সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের পক্ষে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময়

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৪ পিএম
চৌদ্দগ্রামে কালিকাপুর ইউপি’র সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের পক্ষে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময়

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আসন্ন ৩নং কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, মানবিক প্রবাসী খ্যাত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের কৃতিসন্তান, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রাথী মো. জসিম উদ্দিন এর পক্ষে ইউনিয়নবাসীর সাথে বিশেষ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ‘হোটেল খাদিজা ইন’ এর হলরুমে এ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব মো. কামাল হোসেন মিয়াজীর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. জয়নাল আবেদীন, সাবেক ইউপি সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. বাবুল মিয়া, মো. নাছির আহমেদ, ইকবাল হোসেন হাজারী, মো. মোস্তফা, মো. জাকির হোসেন।

বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. শামসুল হক, মোসলেম মিয়া, মো. সালাহ উদ্দিন, এছাক মিয়াম আব্দুল বারী, মো. জুয়েল, মো. মহিন উদ্দিন, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. হৃদয় হাজারী, মো. সোহরাব হোসেন স্বচ্ছ, সফিউল রানা, মো. সবুজ, ইয়াছিন সবুজ, আরমান হোসেন, মো. বেলাল হোসেন, শরীফ উদ্দিন, মো. রায়হান, মো. শামীম সহ ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের নেতৃস্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, কালিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন দুবাই এর একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। দীর্ঘদিন ধরে মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত প্রবাসী জসিম উদ্দিন ইউনিয়নের অসহায়-দুস্থ মানুষদের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজ করে আসছেন। তার প্রতিটি কার্যক্রমই সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। ইতিমধ্যে তিনি নিজ উদ্যোগে ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি গ্রামের রাস্তাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি সবসময় অসহায় মানুষদের সাহায্য-সহযোগিতা করা, মাহে রমজান, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে অসহায়দেরদের মাঝে উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ, গরীব শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ-শিক্ষা সংক্রান্ত খরচাধি প্রদান, কন্যা দায়গ্রস্ত পিতাকে কন্যা পাত্রস্থ করতে সাহায্য সহযোগিতা করা, গরীব ও অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন শুনে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামেই আনন্দের জোয়ার বইছে। তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করবেন বলেই সকলে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। এ সময় তারা সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের সুস্থতার সাথে দীর্ঘায়ু কামনা করে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে তার জন্য ইউনিয়নবাসীর নিকট দোয়া ও সহযোগিতা প্রার্থনা করেন।

থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ, জুমার পরই জাকিরের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ, জুমার পরই জাকিরের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার সাহেবনগর গ্রামে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর জাকির হোসেন নামে এক ব্যক্তির ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভুক্তভোগী জাকির হোসেনের দায়ের করা লিখিত অভিযোগে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, মারধর, ভয়ভীতি ও হুমকির অভিযোগ এনে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দায়েন করেন।

 

অভিযোগে আব্দুল্লাহ, আজাদ, সোহাগ, লিটন, আব্দুল খালেক, আব্দুল কালাম, ফরহাদ আহমেদ ও নাজমুল হাসান বক্কিসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের খবর পেয়ে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এর জের ধরে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে অভিযোগে নাম থাকা ব্যক্তিদের কয়েকজনসহ আরও কয়েকজন জাকির হোসেনের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পরিবারের অভিযোগ

 

জাকির হোসেনের পরিবারের অভিযোগ, চাঁদা দাবি ও হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে অভিযুক্তরা আরও বেপরোয়া হয়ে হামলা চালিয়েছে।

 

পরিবারটি হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জাকির হোসেন ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

×