সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নগরীর সড়ক যানজটমুক্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি : মেয়র মনিরুল হক সাক্কু

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২২, ৫:২৬ পিএম
নগরীর সড়ক যানজটমুক্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি : মেয়র মনিরুল হক সাক্কু

ছবি অনলাইন থেকে সংগৃহিত।

google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

যানজটে নাকাল পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহর কুমিল্লা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যেন যানজট লেগেই থাকে এই নগরীর সড়কে। যত্রতত্র ছোট-বড় গাড়ির পার্কিং ও প্রধান সড়কের দুই পাশে ভ্রাম্যমাণ দোকান, ফুটপাত দখল করে দোকানপাট এবং সড়কের পাশে অ্যাম্বুলেন্স ও মোড়ে মোড়ে সিএনজি-অটোরিকশার অস্হায়ী স্ট্যান্ডের কারণে নগরীতে যানজট স্হায়ী রূপ নিয়েছে। দিনের অধিকাংশ সময় যানজটের কারণে থমকে যায় স্বাভাবিক জীবন। নগরীর সবকটি পথে অন্তত অর্ধলক্ষাধিক ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোবাইক, সিএনজি, মাইক্রো ও বাসের দাপট বেশি।

কুমিল্লা নগরীর কেন্দ্রস্থল কান্দিরপাড়। এখান থেকে দক্ষিণে টমছমব্রিজ হয়ে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড যেতে হয়। এক লেনের এ সড়ক বিভিন্ন পরিবহনের বাস ছাড়াও স্কুল-কলেজসহ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-স্টাফ ও ছাত্রদের বহনকারী বাস, মিনিবাস, সারি সারি অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি, অটোবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে। মাঝে-মধ্যে এসব ছোট-বড় গাড়িগুলো আড়াআড়ি করে রাখা হয়। এতে সড়ক দিয়ে অন্য গাড়ি যেতে পারে না। যানজটের সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র চোখে পড়ে নগরীর নজরুল এভিনিউ, কান্দিরপাড়, রামঘাট, মনোহরপুর, টমছমব্রিজ চারমুখী সড়কের মোড়, শাসনগাছা, রাজগঞ্জ ও চকবাজার এলাকার। এসব এলাকায় অস্হায়ীভাবে সিএনজি, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোবাইক থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন বলেন, ‘নগরীর সড়কের মোড়ে মোড়ে অবৈধ অটোরিকশা ও ইজিবাইক থেকে রসিদ দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয় বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট। রাজনৈতিক ছত্রছায়ার এসব সিন্ডিকেট যেন সড়কে অবৈধ এসব যানবাহন চালানোর নিয়ামক শক্তি। ফলে অদক্ষ চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালনার কারণে যানজটের পাশাপাশি প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা, পঙ্গুত্ববরণ করছে অনেকে।

সিএনজি অটোরিকশার চালক মনির হোসেনসহ অন্তত ১২ জন বলেন, ‘আমরা কী করবো। সড়কের ওপরই স্ট্যান্ড। তাই গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠাচ্ছি-নামাচ্ছি।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক মাইনুদ্দিন বলেন, ‘আমরা বেকার ও গরিব মানুষ, গাড়ি চালনার প্রশিক্ষণ নেই, শিখে নিয়েছি। গাড়ি বৈধ-অবৈধ বুঝি না। টাকা দিয়ে রশিদ নেই, তা দেখিয়ে আমরা রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে পরিবার চালাই।

নগরীর পৌর বিপণি মার্কেটের ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলামসহ অনেকে বলেন, ‘অটোরিকশা ও অটোবাইকগুলো বেআইনিভাবে শহরের যত্রতত্র স্ট্যান্ড বানিয়ে যাত্রী ওঠানামা করলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হয় না।

কলেজশিক্ষক আবদুর রহিম জানান, ব্যস্ততম এই শহরে এত রিকশা, অটোবাইক চলে যে সড়কের এপাশ থেকে ওপাশে যেতে পারি না।

কুমিল্লা নাগরিক ফোরামের সভাপতি কামরুল আহসান বাবুল বলেন, নিয়ম না মেনে দিনরাত মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান যাতায়াতের কারণে যানজট সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সরকারি ও ব্যক্তিগত যানবাহন রাস্তার পাশে যেখানে সেখানে পার্কিং করার কারণেও যানজট বাড়ছে।

কুমিল্লা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মুরাদ হোসেন বলেন, ‘যানজট নিরসনে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। ব্যস্ততম শহরে মাঝে মধ্যে একটু যানজট লেগে যায়। তবে যানজটের মূল কারণ অবৈধ সিএনজি ও অটোরিকশার আধিক্য। যার কারণেই এই যানজট।

বিআরটিএ কুমিল্লার সহকারী পরিচালক পারকন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘জেলায় চলাচল করা বেশির ভাগ সিএনজিচালিত অটোটেম্পো এবং সব অটোরিকশা ও অটোবাইক অবৈধ। এগুলোর কোনো লাইসেন্স নেই। এই অটোরিকশা ও অটোবাইকগুলোর চালকরাও অদক্ষ। ট্রাফিক আইন বলতে তারা কিছুই জানে না। যে কারণে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনাও বাড়ছে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘নগরীর সড়ক যানজটমুক্ত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। অবৈধ রিকশা-গাড়ি চলাচলের ব্যাপারে শিগ্গিরই একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×