সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

একটি দল দেশ শাসনের জন্যে বাংলাদেশকে বিক্রি করে দিতে চায় : ডা. তাহের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৮ পিএম
একটি দল দেশ শাসনের জন্যে বাংলাদেশকে বিক্রি করে দিতে চায় : ডা. তাহের
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আজ দেশ দুইভাগে বিভক্ত হয়ে আছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নির্ধারণ করবে, জুলাই বিপ্লবের যে চেতনা, স্বাধীন বাংলাদেশের সে চেতনা, সেটি টিকে থাকবে, নাকি আবার আমরা পেছনে, অন্ধকারে, স্বৈরাচার-ফ্যাসিবাদের দিকে চলে যাব। এটি নির্ধারণের জন্য মোক্ষম সময় হচ্ছে আগামী নির্বাচন। আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই। একটি দল নতুন করে ভারতের সাথে আপোস করে আবার দেশ শাসনের জন্যে বাংলাদেশকে বিক্রি করে দিতে চায়। এদেশের মানুষ, চার কোটি যুবক, এটি হতে দিবে না ইনশাআল্লাহ।

ডা. তাহের বলেন, আপনারা জানেন, আমরা একটি বৃহৎ রাজনৈতিক জোটের মাধ্যমে নির্বাচন করছি। এ জোটে দেশের সমস্ত ইসলামী দলগুলো আছে। ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্ণেল অলি আহমেদ বীর বিক্রম, তিনি আমাদের জোটে আছেন। আর জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনানী যারা ছিল, সে বিপ্লবীরা আমাদের জোটের সাথে আছে। ইনশাআল্লাহ, ১২ ফেব্রæয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা সরকার গঠন করবো। আমাদের সরকার হবে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। এক পক্ষ ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে আমরা যারা লড়াই করছি। আর অপর পক্ষ হচ্ছে যারা এসকল অপরাধকে পুনর্বাসনে মরিয়া হয়ে কাজ করছে। এবার কোনো দুর্নীতিবাজ দেশের শাসন ক্ষমতায় থাকবে না। এদেশের মানুষ, চাঁদাবাজদেরকে আর ভোট দেবে না। দুর্নীতিবাজদেরকে আর ভোট দেবে না।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারের পতনের পর গত দুই বছরে চাঁদাবাজির জায়গাগুলো দখল করেছে আরেকটি দল। আপনারা জানেন সে দলটির নাম। আমাকে অনেক ব্যবসায়ী বলে, আগে যদি ১০ টাকা চাঁদা দিতাম, এখন আমাদেরকে ২০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। চাঁদার শিকার হচ্ছে, এদেশের রিকশাওয়ালা, ছোট দোকানদার, বাসস্ট্যান্ড, বালুর ব্যবসায়ীরা। সকল মানুষ এ চাঁদাবাজিতে পিষ্ট হয়ে আছে।

দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার করে ডা, তাহের আরও বলেন, আমরা এমন এক দেশ গড়বো। যে দেশে চাঁদাবাজি থাকবে না। দুর্নীতি থাকবে না। উচ্চ শিক্ষা থাকবে। সকল নাগরিকের সম্মান-মর্যাদা থাকবে। বাংলাদেশ স্বাধীনভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ। দেখুন, তারা নাকি ভোটারদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছে। এগুলো ভুয়া। আমি এ কার্ডের ব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনের সাথে কথা বলেছিলাম। তিনি বলেছেন, এটি বেআইনী। এটি নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘণ। আজ চৌদ্দগ্রামের সকল মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে মুখিয়ে আছে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ আমাদের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছেন। আমরা তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। এ চৌদ্দগ্রামে আমি ম্যাজোরিটি ভোটে পাস করতে চাই না। আমি আশা করি, এ চৌদ্দগ্রামে মানুষ একশত ভাগ ভোট দিয়ে আমাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী করবে ইনআল্লাহ।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চিওড়া ইউনিয়নের ধোড়করা হাইস্কুল মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে একটি নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসবায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি’র) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্ধার) আসনের ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গত ১৭ বছর আমাদের টুটি চেপে ধরা হয়েছিল। যারা ভিন্নমত পোষণ করতো, তাদের সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া হতো। বাংলাদেশ তখন একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছিল। ভিন্নমতাবলম্বীদের গুম করা হতো, আয়না ঘরে নেওয়া হতো, ক্রসফায়ারে দেওয়া হতো। ভিন্ন মত ও চিন্তার মানুষগুলোকে বলা হতো পিন্ডি বা দিল্লি চলে যেতে। এই ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে তা আর হবে না, ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে আমরাই বাংলাদেশ। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যে বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, তেমনভাবে ভিন্নমত প্রকাশেরও স্বাধীনতা থাকবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবো, যে বাংলাদেশে আপনি হিন্দু হোন বা মুসলমান হন, পাহাড়ী হোন কিংবা সমতলের মানুষ হোন, খ্রিস্টান হোন বা সাঁওতাল হোন। আপনার এমন কোন পৃথক পরিচয় থাকবে না বরং আপনি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সমমর্যাদা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের যে জোট রয়েছে, সে জোটের অধীনে কে বাংলাদেশী বা কে বাঙালি, এই ধরনের কটু তর্কের মধ্য দিয়ে বিভাজনের রাজনীতি আর জিইয়ে রাখা হবে না। বরং একতা ও সমতার রাজনীতির মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনে আমরা একটি ফরওয়ার্ড লুকিং বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের চিওড়া ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি মহিউদ্দিন আহমদ ভূঁইয়া নঈমের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইউসুফের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কুমিল্লা জেলা উত্তরের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম শহীদ, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমীর ভিপি মু. সাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক মো. আবু সুফিয়ান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের শুরা সদস্য আইয়ুব আলী ফরায়েজী, চৌদ্দগ্রাম পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহিম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, খেলাফত মজলিশের উপজেলা আমীর মাওলানা শাহজালাল, চিওড়া ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক শাহনেওয়াজ কাজল, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মেশকাত উদ্দিন সেলিম, বরুড়া উপজেলার আড্ডা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর হারুনুর রশীদ, চৌদ্দগ্রাম সদর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম, জগন্নাথদীঘি ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, কালিকাপুর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন, বাতিসা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক মজুমদার খোকন, কনকাপৈত ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম সদর ইউপির সাবেক (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, চিওড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর শাহজালাল টিপু, সেক্রেটারি হুমায়ুন কবির সুজন, জামায়াত নেতা শাহনেওয়াজ কাজল প্রমুখ। এ সময় উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি সহ চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×