সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে মানহানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগিদের সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪০ পিএম
চৌদ্দগ্রামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে মানহানির প্রতিবাদে ভুক্তভোগিদের সংবাদ সম্মেলন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে রাতের আঁধারে নিজেদের জায়গার সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করে এবং কয়েকটি ছোট বনজ গাছ কেটে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে দেশের প্রচলিত বিভিন্ন গণ্যমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করে প্রতিপক্ষের সম্মানহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা জানাজানি হলে ভুক্তভোগির পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শনিবার (০৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের অলিপুর মধ্যমপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগিরা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগির পরিবারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠের মাধ্যমে অভিযোগ করে আলমগীর হোসেন বলেন, আমরা (আলমগীর হোসেন ও আলী হোসেন) দুই ভাই দেশের আইনের প্রতি সবসময় অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। আমাদের বিরুদ্ধে আইন অমান্য বা ভঙ্গের কোনো নজির নেই। আমাদের পাশের বাড়ীর আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রুহুল আমিনের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি সংক্রান্ত ও পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিলো। এ ঘটনার জেরে গত কিছুদিন পূর্বে রুহুল আমিন আমাদেরকে পরিকল্পিতভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে রাতের আঁধারে তাদের একটি সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে এবং বাড়ীর পাশ^বর্তী তাদের নিজ মালিকীয় জায়গার কিছু বনজ নিজেরাই কেটে ফেলে। এরপর এ ঘটনায় তারা আমাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ, ফৌজদারি মামলা ও আদালতে আরেকটি পৃথক মামলা দায়ের করে। অভিযোগ ও মামলা দায়েরের পর থানা পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টির তদন্তও করে। এতে আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতার সুস্পষ্ট প্রমান পায়নি তদন্তকারী সংস্থার লোকজন। এলাকাবাসী এ ঘটনায় বরং রুহুল আমিন গংকেই পরোক্ষভাবে দোষারোপ করেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রুহুল আমিন গং সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো ওই ঘটনার আলোকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করে। যা পরবর্তীতে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমরা আজকের এ সংবাদ সম্মেলন থেকে উক্ত সাজানো ঘটনা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ, মামলা ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আপনাদের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারাী বাহিনীর কাছে আকুল আবেদন করছি, তারা যাতে ঘটনার আরও অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসে। আর যাতে এমন মিথ্যা ঘটনা ঘটিয়ে কেউ কাউকে হয়রানি বা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করার মাধ্যমে কারো পরিবারের সম্মানহানি করতে না পারে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যাশা করবো আপনারাও রুহুল আমিন গং কর্তৃক উক্ত পরিকল্পিত ঘটনাটির সঠিক তদন্ত করে দেশ ও জাতির সামনে প্রকৃত ঘটনাটি তুলে ধরবেন। যাতে মুখোশধারি এসব নোংরা মানসিকতার লোকদের মুখোশ সমাজ তথা দেশ-জাতির কাছে উম্মোচিত হয়। সর্বশেষ আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আব্দুস সাত্তার, আব্দুল ওয়াহাব সর্দার ও মো. মোক্তল হোসেন। বক্তব্যে তারা বলেন, রাতের আঁধারে কে বা কারা রুহুল আমিনদের জমির পাশের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলেছে। সেখানে লাগানো কয়েকটি গাছও কেটে ফেলেছে বলে লোক মারফত শুনেছি। তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সামাজিক সমাধান চাওয়া হয়নি। বরং তারা বিষয়টি থানা এবং আদালতে পৃথক মামলা করেছে। উভয়পক্ষের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় ঘটনাটিকে আলোচনায় রেখে আইনী সুবিধা নিতে চাচ্ছে বলে আমাদের ধারনা। তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টির সমাধানে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা কামনা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে মো. শাহআলম নামে জনৈক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, আমি ছোটখাটো ঠিকাদারি কাজ করি। আলমগীর এবং রুহুল আমিন গংদের মধ্যে বিবাদমান জমিটি আমার বাড়ীর পাশেই। বিরোধ চলাকালীন গত রমজানে আমার পাশের বাড়ীর প্রবাসী ইব্রাহিম আমাকে প্রস্তাব দেয় রুহুল আমিনদের জমির পাশের দেওয়ালটি রাতের আঁধারে ভেঙ্গে দিতে। এ সময় সে আমাকে মোটা অংকের টাকার প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি বেশ সন্দেহজনক হওয়ায় আমি উক্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি।

সংবাদ সম্মেলনে অলিপুর গ্রামবাসীর পক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইউনুছ মিয়া, মনির হোসেন, আবদুর রহমান, আলী হোসেন, ইউছুফ মিয়া, আবুল হাশেম, জহিরুল হক, মো. ফাহাদ, আব্দুর রহিম, কামাল হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, শহিদুল ইসলাম, মো. সবুজ, সাদ্দাম হোসেন, পারভেজ, আব্বাস আলী, হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে অভিযুক্তদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মুঠোফোন নম্বরে বারবার কল দেওয়ার পর সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তারা একাধিকবার লাইন কেটে দেওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×