সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. তাহের এর আগমন উপলক্ষে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৩:৪০ পিএম
চৌদ্দগ্রামে বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. তাহের এর আগমন উপলক্ষে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি এর আগমন উপলক্ষে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩১ মে) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আমাদের চেয়ে ১০ শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টি আসন ও জোটগতভাবে ৭৭টি আসন পেয়েছে। প্রধান বিরোধীদল মানে আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে। আমরা আশা করছি, আগামীতেই জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে ইনশাআল্লাহ।

নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকার থাকাকালিন এ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছিলাম। নির্বাচন অতিবাহিত হয়েছে মাত্র তিন মাস। এরই মধ্যে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য আরও ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ এনেছি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সবেমাত্র সরকারের তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। যদি বিএনপি সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় টিকে যায়, তাহলে এই বরাদ্দ আরও কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে।
ডা. তাহের আরও বলেন, চৌদ্দগ্রামের মৌলিক সমস্যা হলো; কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসা। এই চৌদ্দগ্রামে এই দুটোর স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ছয় মাস সময় দিলাম। এরই মধ্যে আপনার ভালো হয়ে যান। মাদক ছেড়ে আপনারা অন্য কোন ব্যবসা খোঁজেন। না হয়, ছয় মাসের পরেও যদি এই রাস্তায় থাকেন, তাহলে বুঝা গেল, আপনারা ইচ্ছে করেই, জেনে-বুঝেই এই রাস্তায় আছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি না, বরং ভালো মানুষের সংখ্যাই বেশি। অবশ্যই ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ধরার জন্য আপনারা ঘর থেকে বের হবেন কিনা? বের হলে, সমাজ থেকে অপরাধ কমে যাবে। আমার নেতৃত্বেই কিশোর গ্যাং ও মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে এ চৌদ্দগ্রামে। তাদেরকে আর ছাড় নয়। আপনাদেরকে সাথে নিয়ে এ চৌদ্দগ্রামকে মাদক-সন্ত্রাস মুক্ত, কিশোর গ্যাং মুক্ত করা হবে ইনশাআল্লাহ।

ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবুল হাসানাত মুহাম্মদ আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মু. জাহিদুল ইসলাম, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ভিপি মু. শাহাব উদ্দিন।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মু. মাহফুজুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন এর সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মো. আব্দুস সাত্তার, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ড. মুফতি আবুল কালাম আজাদ বাশার, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মো. মাহবুবুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহিম, শ্রীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, কনকাপৈত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন মজুমদার, কালিকাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন, চৌদ্দগ্রাম সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম, চৌদ্দগ্রাম সদর ইউনিয়নের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর উপজেলা অ্যাম্বাসেডর আবু সুফিয়ান, উপজেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি মু. আব্দুর রহিম, পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মুহাম্মদ ইয়াছিন মজুমদার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশিবির সেক্রেটারি মো. নুরুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. নিয়াজ উদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের এমপি’র ছোট ভাই, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ একরামুল হক হারুন, কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সফিকুর রহমান পাটোয়ারী, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি শাহ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জামায়াত নেতা আইয়ুব আলী ফরায়েজী, মেশকাত উদ্দিন সেলিম, সাবেক চেয়ারম্যান এমদাদুল হক শাহী, মো. মমিনুল ইসলাম, আব্দুস সোবহান, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও উপজেলা যুববিভাগের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মোশাররফ হোসেন ওপেল, জামায়াত নেতা মাওলানা সাইয়্যেদ রাশীদুল হাসান জাহাঙ্গীর, এনপিপির উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়ক মো. মামুন মজুমদার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রশিবির নেতা মো. মোজাম্মেল হক, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌরসভা জামায়াতে ইসলামী সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×