সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চৌদ্দগ্রামে ক্যাশিয়ার কর্তৃক মসজিদের টাকা আত্মসাৎ, প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে ক্যাশিয়ার কর্তৃক মসজিদের টাকা আত্মসাৎ, প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন
google news দৈনিক কুমিল্লার ডাক এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের নামে খোদ ক্যাশিয়ার কর্তৃক মসজিদের উন্নয়ন তহবিলের বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। হিসেব চাওয়ায় এলাকাবাসীর সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ানোর পাশাপাশি কয়েকজনকে গালমন্দ করা সহ মারতে উদ্ধত হন অভিযুক্ত ক্যাশিয়ার শামসুল হক ও তার পরিবারের লোকজন। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার সামাজিকভাবে বসেও কোনো সমাধান না হওয়ায় এলাকাবাসী সম্মিলিত সিদ্ধান্তে মসজিদের পূর্বের কমিটি বাতিল করেছে। এরপর গঠন করা হয়েছে নতুন কমিটি। মসজিদের নতুন কমিটি গঠিত হবার দীর্ঘ দেড় বছর অতিক্রম হলেও এখন পর্যন্ত মসজিদের পাওনা টাকা সহ হিসাব বুঝিয়ে না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পক্ষে ক্যাশিয়ার এর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। একই সাথে অবিলম্বে মসজিদের উন্নয়ন তহবিলের পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেওয়া সহ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার (০৮ জুন) বিকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের জুগিরখিল গ্রামের পূর্বপাড়া জামে মসজিদে। এ ঘটনায় মসজিদের মুসল্লিসহ এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। অভিযুক্ত শামসসুল হক (৫৫) একই গ্রামের মৃত আবদুল গণি প্রকাশ গনু মিয়া ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. মাইনুল হক মজুমদার বাপ্পি, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি কর্মকর্তা মো. আবুল হাশেম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, মো. রফিক মিয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার মো. ফারুক হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, মাত্র ১৪ শ’ স্কয়ার ফুটের একটি পাকা দালান ঘরের নির্মাণ কাজের নামে ইতিমধ্যে অভিযুক্ত ক্যাশিয়ার ও তার কয়েকজন সহযোগি মিলে মসজিদের উন্নয়ন তহবিল থেকে বিপুল পরিমানের অর্থ আত্মসাৎ করে নিয়েছেন। তারা শুধু ফাউন্ডেশন, নিচের গ্রেট ভিম ও ছাদ নির্মাণ করতে গিয়ে ৩০ লাখ টাকা ব্যয় দেখিয়েছে। অথচ এ কাজে সর্বোচ্চ ব্যয় হতে পারে ২০ লাখ টাকার মত। বিষয়গুলো নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ যুব সমাজের লোকজন প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত ক্যাশিয়ার শামসুল হক ও তার ছেলেরা গ্রামবাসীকে গালমন্দ করা সহ মারধর করে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়াও পরিকল্পনাহীন কাজ করা, একই কাজ বারবার করা সহ গ্রামবাসীর মতামতকে উপেক্ষা করে চড়া মূল্যের চুক্তিতে নির্মাণাধিন মসজিদের ইলেকট্রিক্যাল ও পাইপ ফিল্টারের কাজ দেন ক্যাশিয়ারের নিজ ছেলে নিলয়কে। অভিযোগ রয়েছে, সেই কাজটিও ক্যাশিয়ার পুত্র নিলয় ঠিকঠাকমত না করে হাতিয়ে নিয়েছেন উন্নয়ন তহবিলের মোটা অংকের অর্থ। যা নিয়ে এলাকায় এখনো চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এর আগে ২০২৫ সালের শুরুর দিকে গ্রামবাসী মসজিদের পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষনা করে এবং মসজিদের অসমাপ্ত কাজ চলমান রাখে। বর্তমানে মসজিদের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এদিকে নতুন কমিটি গঠনের পর দীর্ঘ দেড় বছর সময় পার হলেও এখনো পুরনো হিসাব-নিকাশ ও মসজিদের উন্নয়ন তহবিলের পাওনা টাকা নতুন কমিটির নিকট হস্তান্তর না করায় এলাকাবাসী বিষয়টি নিয়ে তাকে বারবার জিজ্ঞেস করলে দিব-দিচ্ছি করে তিনি কালক্ষেপন করছেন। বিষয়টি নিয়ে গত দুইদিন আগে পরিকল্পিতভাবে গ্রামবাসীর সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হন অভিযুক্ত ক্যাশিয়ার শামসুল হক। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও ধারণ করে সুবিধামত কাটছাট করা আংশিক ভিডিও ক্লিপ স্থানীয় সাংবাদিকদের সরবরাহ করে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করেন তিনি। এতে তিনি স্থানীয় সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মানহানী সহ এলাকার সুনাম-সুখ্যাতি নষ্ট করেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। এত বড় একটি গর্হিত কাজ করেও তিনি এখনো স্বাভাবিকভাবে বীরদর্পে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন। যাতে অবাক এলাকার সচেতন মহল। তারা অবিলম্বে উক্ত মসজিদের হিসেব ও পাওনা অর্থ কমিটির নিকট হস্তান্তরের জন্য তার প্রতি অনুরোধ জানান। অন্যথায় প্রশাসনের সহযোগিতায় দোষীদের আইনের আওতায় এনে মসজিদের পাওনা বুঝে নিবেন বলে হুশিয়ার করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আরছ মিয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবু তাহের, মোখলেছ মিয়া, মো. সোহাগ, মো. তামীম মজুমদার, ইমরান হোসেন, রাকিব হোসেন, মো. সাকিব মো. ফাহিম প্রমুখ।

আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

আদালত প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
আইনজীবী নন, তবু ‘বারের সদস্য’! হাইকোর্টে জামিন

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য না হয়েও নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে জামিন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ধর্ষণ মামলার আসামির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর দাখিল করা আবেদন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচারাধীন নারী ও শিশু মামলা নং-৫৯/২০২৫ (কোতোয়ালী মডেল থানা সি.পি. নং-৬৫৬/২০২৫) মামলার আসামি মোঃ মেহেদী হাসান (৩৯)। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক এবং বর্তমানে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মেহেদী হাসান গত ২৪ মে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। নিম্ন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে ফৌজদারি আপিল নং-৩৬৩৭/২০২৫ দায়ের করেন।

মামলার নথিতে থাকা তথ্য অনুযায়ী, হাইকোর্টে শুনানির সময় আসামিপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়— “accused petitioner is a member of Comilla Bar Association”। অর্থাৎ, আসামিকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাকে জামিন মঞ্জুর করেন।

তবে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মেহেদী হাসান কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কোনো সদস্য নন। তিনি মূলত একজন সরকারি হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত।

এ অবস্থায় আসামিপক্ষ থেকে তাকে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করার বিষয়টি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী বাদীপক্ষের অভিযোগ, মিথ্যা পরিচয় ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে আদালতকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে জামিনের সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় আসামি ও তার তদবিরকারকের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, মিথ্যা তথ্য প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ আবেদন করা হয়েছে।

পাশাপাশি, মিথ্যা পরিচয় বা তথ্যের ভিত্তিতে জামিন নেওয়া হয়ে থাকলে সেই জামিন বাতিলের (Bail Cancellation) জন্য হাইকোর্টে প্রয়োজনীয় নথিপত্র উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বাদীপক্ষ।

ঘটনাটি এখন যে প্রশ্ন সামনে এনেছে

একজন সরকারি হাসপাতালের নার্স কীভাবে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে উচ্চ আদালতে উপস্থাপিত হলেন এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে জামিন মঞ্জুর হয়েছে কি না এ বিষয়টি এখন সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বাদীপক্ষের দাবি, আদালতে উপস্থাপিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

মামলাটি বিচারাধীন থাকায় অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

এটিএম মাজহারুল ইসলাম: প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
অস্ত্র-মাদক, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে প্রথম কুমিল্লা জেলা পুলিশ, পুরস্কৃত এসপি আনিসুজ্জামান পিপিএম

অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারাদেশের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম।

গত শনিবার (২৯ আগস্ট) ঢাকায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় কুমিল্লা জেলা পুলিশের এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

অস্ত্র ও মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়ন করে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, এ অর্জন কেবল তাঁর একার নয়, এটি পুরো কুমিল্লা জেলা পুলিশের সম্মিলিত টিমওয়ার্কের ফল। এ ধরনের স্বীকৃতি পুলিশ সদস্যদের কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

তিনি বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য আন্তরিকতা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লাবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসপি বলেন, এ অর্জনের পেছনে কুমিল্লার জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া এ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হতো না।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। অপরাধ দমন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি আবু সাইদ মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং অত্র মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়ার সঞ্চালনায় উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ণ ক্যাবলস লিমিটেড এর পরিচালক ও প্যারাডাইস ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এন্ড হাউজিং লিমিটেড এর চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. মফিজুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুণবতী আল-ফারাবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, বিশিষ্ট আইনজীবি, ঢাকা জজ কোর্টের এপিপি এডভোকেট ওমর ফারুক, গুণবতী ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার গভর্নিং বডির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ইকবাল হোসেন লিটন এবং আব্দুল কুদ্দুছ। এ সময় মাদরাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

×